বিষয়বস্তুতে চলুন

দত্তা

বইপিডিয়া থেকে
ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০৩:৫৪, ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই | নাম = দত্তা | চিত্র = | চিত্রের_ক্যাপশন = | লেখক = শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | প্রকাশনার স্থান = ভারত (কলকাতা) | ভাষা = বাংলা | মিডিয়া ধরন = হার্ডক..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)
দত্তা
নাম দত্তা
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯১৮



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় প্রেম, ধর্মীয় গোঁড়ামি, সামাজিক সংস্কার, নারী স্বাধীনতা, জমিদারি সমাজ
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার ও পেপারব্যাক

দত্তা বাংলা সাহিত্যের 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি রোমান্টিক সামাজিক উপন্যাস। ১৯১৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি একজন ব্রাহ্মসমাজভুক্ত ধনাঢ্য রমণী এবং একজন হিন্দু তরুণের মধ্যে ধর্মীয় ও সামাজিক বাধা অতিক্রম করে গড়ে ওঠা প্রণয়কাহিনি নিয়ে রচিত। উপন্যাসটি পরবর্তীতে একাধিকবার চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে। ১৯৩৪ সালে উপন্যাসটির নাট্যরূপ বিজয়া নামে প্রকাশিত হয়।

উপন্যাসের পটভূমি বাংলার এক জমিদারি গ্রামসমাজ। বনমালীবাবু গ্রামের বিশাল জমিদার। তার দুই অন্তরঙ্গ বন্ধু জগদীশ মুখুজ্যে ও রাসবিহারী। রাসবিহারী তার পুত্র বিলাসের সাথে বনমালীবাবুর একমাত্র কন্যা বিজয়ার বিবাহ দিতে অত্যন্ত আগ্রহী। কিন্তু বিজয়ার মন পড়ে আছে জগদীশের পুত্র নরেনের দিকে। জমিদারবাড়িতে ব্রাহ্মমন্দির প্রতিষ্ঠার উপলক্ষে রাসবিহারী বিজয়া ও বিলাসের বিবাহ ঘোষণা করে বসেন। বিজয়ার অসম্মতিতে সে সেখান থেকে প্রস্থান করে। গ্রামে জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে নরেনের চিকিৎসা ও সেবায় বিজয়া সুস্থ হয়, এবং দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা পুনঃস্থাপিত হয়। ধর্মীয় পরিচয়ের ব্যবধান ও সামাজিক চাপ পেরিয়ে উপন্যাসটি এক মানবিক প্রেমের পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়।

প্রধান চরিত্রসমূহ

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
  • বিজয়া: উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারীচরিত্র, বনমালীবাবুর একমাত্র কন্যা, ব্রাহ্ম পরিবারের মেয়ে।
  • নরেন: জগদীশ মুখুজ্যের পুত্র, হিন্দু পরিবারের মেধাবী তরুণ।
  • বনমালীবাবু: গ্রামের জমিদার, বিজয়ার পিতা।
  • জগদীশ মুখুজ্যে: বনমালীবাবুর প্রিয় বন্ধু, নরেনের পিতা।
  • রাসবিহারী: বনমালীবাবুর আরেক বন্ধু, স্বার্থান্বেষী চরিত্র।
  • বিলাস: রাসবিহারীর পুত্র।
  • দয়ালবাবু: ব্রাহ্মমন্দিরের দেখাশোনার ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি।
  • নলিনী: বিজয়ার সখী।

১৯৩৪ সালে উপন্যাসটির নাট্যরূপ বিজয়া নামে প্রকাশিত হয়, যেখানে মূল কাহিনির নাট্যিক রূপান্তর ঘটানো হয়।

চলচ্চিত্র রূপান্তর

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

উপন্যাসটি বাংলা ও হিন্দি ভাষায় একাধিকবার চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে।