কল্যাণী বিংশ শতাব্দীর প্রথিতযশা কথাসাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী রচিত এক সামাজিক উপন্যাস, যেখানে বাঙালি ভদ্রসমাজের পারিবারিক টানাপড়েন ও নারী-পুরুষ সম্পর্কের সূক্ষ্ম মানসিক স্রোতকে কেন্দ্র করে কাহিনি গড়ে উঠেছে। উপন্যাসটি মূলত এক তরুণীর আত্মসম্মান, ভালোবাসা, কর্তব্যবোধ ও সামাজিক বাঁধনের সংঘাতকে তুলে ধরে।

কল্যাণী
নাম কল্যাণী
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক আশাপূর্ণা দেবী


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক মহেন্দ্র পুস্তক ভবন
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯৫০



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় মধ্যবিত্ত সংসার, নারীমন, প্রেম ও বিবাহ, সামাজিক বিধিনিষেধ
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার
পৃষ্ঠাসংখ্যা ২০৬

বিষয়বস্তু

সম্পাদনা

কল্যাণী উপন্যাসে নায়িকা কল্যাণীকে দেখা যায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে হিসেবে, যে শৈশব থেকেই সংসারের নানা রকম অভাব-অভিযোগ, সম্পর্কের টানাপড়েন আর মানিয়ে নেওয়ার শিক্ষার মধ্যে বড় হয়। গল্পের অগ্রগতিতে তার বিবাহ, স্বামীর সংসার, শ্বশুরবাড়ির প্রত্যাশা এবং নিজের স্বপ্ন—সব মিলিয়ে এক জটিল মানসিক জগৎ নির্মিত হয়।

আশাপূর্ণা দেবীর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে এখানে দৈনন্দিন জীবনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ঘটনায় নারীর অন্তর্জগৎ, আত্মমর্যাদা আর অধিকারবোধ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে উপন্যাসটি কেবল প্রেম বা পারিবারিক কাহিনি নয়, বরং এক সময়ের সামাজিক মানসিকতার বাস্তব দলিল হিসেবে পড়া যায়।

চরিত্রসমূহ

সম্পাদনা
  • কল্যাণী – উপন্যাসের নায়িকা; সংবেদনশীল, আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন মধ্যবিত্ত ভদ্রমেয়ে, যাকে ঘিরেই কাহিনি আবর্তিত।
  • স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা – যাদের প্রত্যাশা, সীমাবদ্ধতা ও মানসিকতা কল্যাণীর জীবনের প্রধান টানাপড়েন সৃষ্টি করে।
  • পিত্রালয় ও প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজন – মধ্যবিত্ত সমাজের প্রচলিত ধারণা ও সামাজিক চাপের প্রতীকস্বরূপ।

আরও দেখুন

সম্পাদনা

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা