বকুলকথা আশাপূর্ণা দেবীর সত্যবতী ট্রিলজির তৃতীয় ও চূড়ান্ত উপন্যাস, যা ১৯৭৪ সালে মিত্র ও ঘোষ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। সত্যবতী ও সুবর্ণলতার স্বপ্নের উত্তরসূরী বকুল/অনামিকা দেবীর জীবনকাহিনি নিয়ে রচিত এটি আধুনিক নারী স্বাধীনতার সাফল্য, অপব্যবহার ও চ্যালেঞ্জগুলোকে বিশ্লেষণ করে।

বকুলকথা
নাম বকুলকথা
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক আশাপূর্ণা দেবী


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক মিত্র ও ঘোষ
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯৭০
আইএসবিএন 8172930739


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় নারীমুক্তি, আধুনিকতা বনাম ঐতিহ্য, স্বাধীনতার অপব্যবহার
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার
পৃষ্ঠাসংখ্যা ৪০৬

বিষয়বস্তু

সম্পাদনা

উপন্যাসে সুবর্ণলতার কন্যা বকুল (অনামিকা দেবী) বিখ্যাত লেখিকা হয়ে ওঠে এবং আধুনিক সমাজে স্বাধীনতা উপভোগ করে। কিন্তু মায়ের শিক্ষা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক স্বেচ্ছাচারিতা, সম্পর্কের জটিলতা ও নৈতিক দ্বন্দ্বে তিনি পড়েন। গল্পে মিছিল, সাহিত্য সম্মেলন, ডায়েরি, চিঠিপত্রের মাধ্যমে তিন প্রজন্মের নারীদের যাত্রা সমাপ্ত হয়।

সত্যবতীর বিদ্রোহ থেকে সুবর্ণলতার চাপা আকাঙ্ক্ষা এসে বকুলের সময়ে স্বাধীনতা ও স্বেচ্ছাচারের সংঘাতে পৌঁছায়, যা ট্রিলজির চরম পরিণতি।

চরিত্রসমূহ

সম্পাদনা
  • বকুল/অনামিকা দেবী – নায়িকা; বিখ্যাত লেখিকা, স্বাধীনতাপ্রাপ্ত কিন্তু ঐতিহ্যের সঙ্গে দ্বন্দ্বিত।
  • সুবর্ণলতা – মা; ট্রিলজির দ্বিতীয় পর্বের নায়িকা, বকুলের শিক্ষাদাত্রী।
  • পারুল, শম্পা – বকুলের বোন/আত্মীয়; সময়ের পরিবর্তনের প্রতিনিধি।
  • সমকালীন চরিত্রসমূহ – আধুনিক সমাজের স্বাধীনতা ও অপব্যবহারের চিত্র।

আরও দেখুন

সম্পাদনা

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা