শশী বাবুর সংসার

ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ২২:৫৬, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই | নাম = শশী বাবুর সংসার | লেখক = আশাপূর্ণা দেবী | প্রকাশনার স্থান = ভারত (কলকাতা) | ভাষা = বাংলা | বিষয় = মধ্যবিত্ত সংসারজীবন, স্বামী–স্ত্রীর মানসিকতা, মূল্যবোধের দ্বন..." দিয়ে পাতা তৈরি)

শশী বাবুর সংসার প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী রচিত একটি জনপ্রিয় কৌতুক-রসসঞ্জাত সামাজিক উপন্যাস/দীর্ঘগল্প, যেখানে এক ভদ্রলোকের সাজানো-গোছানো সংসারে নতুন মানসিকতা ও পরিবর্তনের ঢেউ এসে হাস্যরসাত্মক কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ সংঘাত সৃষ্টি করে। বইটি মিত্র অ্যান্ড ঘোষ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে হার্ডকভার আকারে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে একই কাহিনির ভিত্তিতে একই নামে পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।

শশী বাবুর সংসার
নাম শশী বাবুর সংসার
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক আশাপূর্ণা দেবী


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক মিত্র ও ঘোষ
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯৫৬



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় মধ্যবিত্ত সংসারজীবন, স্বামী–স্ত্রীর মানসিকতা, মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব, হাস্যরস ও ব্যঙ্গ
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার

বিষয়বস্তু

উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দু শশী বাবু – নিয়ম-কানুন, শৃঙ্খলা ও নিজের মত করে সাজানো সংসারের প্রতি প্রবল আসক্ত এক মধ্যবিত্ত ভদ্রলোক, যার জীবনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য নিজের ভাবনা অনুযায়ী ‘‘আদর্শ’’ সংসার চালানো। সংসারের অন্য সদস্যদের বাঁচার মানসিকতা, প্রয়োজন ও আনন্দ–অনূভূতির ধরন শশী বাবুর কল্পিত আদর্শের সঙ্গে মিল না খাওয়ায় পরিবারে ক্রমাগত ছোট-ছোট দ্বন্দ্ব, অস্বস্তি এবং শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের মানসিক সংঘাত তৈরি হয়।

আশাপূর্ণা দেবী সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ ও মজা মেশানো বর্ণনায় দেখিয়েছেন কীভাবে কর্তৃত্বপরায়ণ মধ্যবিত্ত পুরুষের ‘‘আমি’’-কেন্দ্রিক সংসারদর্শন শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে এবং অন্যদের স্বাধীন সত্তা ও অনুভূতির গুরুত্ব সামনে আসে। পারিবারিক ঝগড়া, ভুল–বোঝাবুঝি, কর্তৃত্ব আর আত্মরক্ষার চেষ্টা—সব মিলিয়ে কাহিনি একদিকে যেমন হাস্যরসপূর্ণ, অন্যদিকে তেমনি গভীর সামাজিক তাৎপর্যপূর্ণ।

চরিত্রসমূহ

  • শশী বাবু – কাহিনির নায়ক; শৃঙ্খলাপ্রিয়, কর্তৃত্বপরায়ণ গৃহকর্তা, যিনি নিজের কল্পিত আদর্শ মেনে সংসার চালাতে চান এবং সেখান থেকেই সব সংঘাতের সূত্রপাত।
  • শশী বাবুর স্ত্রী – সহনশীলা, বাস্তববাদী নারী; স্বামীর একগুঁয়ে মানসিকতা সামলাতে গিয়ে নিজের অনুভূতি গোপন রাখতে বাধ্য হন।

আরও দেখুন

সূত্র

বহিঃসংযোগ