বিষয়বস্তুতে চলুন

আরণ্যক: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
Rony (আলোচনা | অবদান)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
হালনাগাদ
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{তথ্যছক বই
{{তথ্যছক বই
|বইয়ের নাম =আরণ্যক
| নাম               = আরণ্যক
|লেখক =বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
| চিত্র              =
|চিত্র =
| চিত্রের_ক্যাপশন    =
|প্রকাশনার স্থান = বাংলাদেশ
| লেখক             = [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]]
|ভাষা = বাংলা
| প্রকাশনার স্থান     = ভারত (কলকাতা)
|প্রকাশনার তারিখ = ১৯৩৯
| ভাষা             = বাংলা
|বিষয় = [[উপন্যাস]]
| বিষয়              = অরণ্য ও প্রকৃতি, আদিবাসী জীবন, সভ্যতার সংঘাত, স্মৃতিচারণ
|প্রকাশক =  
| প্রকাশক          = [[কাত্যায়নী বুক স্টল]]
|মিডিয়া ধরন = হার্ডকভার
| প্রকাশনার তারিখ    = ১৯৩৯
|পৃষ্ঠাসংখ্যা =
| মিডিয়া ধরন       = হার্ডকভার ও পেপারব্যাক
|আইএসবিএন =৮১-৭২৯৩-১২০-৪
| পৃষ্ঠাসংখ্যা         =
}}
}}
'''আরণ্যক''' হচ্ছে বাংলা ভাষা একটি উপন্যাস বই। বইটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]] ১৮৯৪ থেকে ১৯৬০ সালে রচিত চতুর্থ উপন্যাস।


==পটভূমি==
'''আরণ্যক''' [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]] রচিত চতুর্থ উপন্যাস, এবং বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতিকেন্দ্রিক উপন্যাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন। প্রথমে প্রবাসী পত্রিকায় কার্তিক ১৯৩৮ থেকে ফাল্গুন ১৯৩৯ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বের হয়, পরে ১৯৩৯ সালে কাত্যায়নী বুক স্টল থেকে বই হিসেবে প্রকাশ পায়। উপন্যাসটি লেখক তার প্রথমা স্ত্রী গৌরী দেবীকে উৎসর্গ করেন। বিহারে এস্টেট ম্যানেজারের কাজ করার সময়কার অভিজ্ঞতাই এই বইয়ের ভিত্তি।
বইটি একাধিক প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হয়। বইটি ২০১৬ সালে আবির বুকস প্রকাশনী থেকেও প্রকাশ হয়।


== তথ্যসূত্র ==
অনেক সমালোচক বলেছেন আরণ্যকে কোনো সুসংবদ্ধ কাহিনি নেই, এটি আসলে একটি ভ্রমণবৃত্তান্ত। এর জবাবে বিভূতিভূষণ নিজেই বলেছেন — "ইহা ভ্রমণ বৃত্তান্ত বা ডায়েরী নহে — উপন্যাস।"
<references />
 
== বিষয়বস্তু ==
কলকাতার বেকার যুবক সত্যচরণ এক বন্ধুর সুবাদে বিহারের গভীর অরণ্যে একটি এস্টেট ম্যানেজারের চাকরি পেয়ে যায়। নাঢ়া বইহার আর লবটুলিয়া বইহারের সেই বিশাল অরণ্যে এসে সে আস্তে আস্তে একটা ভিন্ন জগতে ডুবে যায়, যেখানে আদিবাসী পাহাড়িয়াদের জীবন, শতাব্দীপুরানো বন, অলিখিত ইতিহাস আর প্রকৃতির অনন্ত রহস্য মিলেমিশে আছে। সত্যচরণ সভ্য কলকাতার প্রতিনিধি, কিন্তু ধীরে ধীরে সে এই অরণ্যের টানে নিজেই বদলে যেতে থাকে।
 
উপন্যাসে মানুষের গল্পের চেয়ে অরণ্যের গল্পই বড়। দুপুরের রোদে ঝিমধরা বন, জ্যোৎস্না রাতে সুদূরবিস্তৃত মাঠ, ঘন শীতের ভোরে কুয়াশামাখা গাছপালা — এই সব মিলিয়ে বিভূতিভূষণ যে জগৎ তৈরি করেছেন, তা বাংলা সাহিত্যে তুলনাহীন।
 
== প্রধান চরিত্রসমূহ ==
* '''সত্যচরণ''': উপন্যাসের কথক ও কেন্দ্রীয় চরিত্র। কলকাতার শিক্ষিত যুবক, যে অরণ্যে এসে প্রকৃতির রহস্যে মুগ্ধ হয়ে পড়ে।
* '''দোবরু পান্না''': বৃদ্ধ পাহাড়িয়া প্রজা। সে যেন এই অরণ্যের শেষ স্মৃতিচিহ্ন, বহু যুগের কথা তার মধ্যে জমা।
* '''ভানুমতী''': অরণ্যের সৌন্দর্য ও মুক্তির প্রতীক।
* '''মটুকনাথ''': গ্রামের টোল বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্রাহ্মণ পণ্ডিত, সরল ও নিরীহ মানুষ।
* '''কুন্তা''': বাইজীর মেয়ে হয়েও সতী ও পবিত্র — জীবনের অদ্ভুত নিয়তিতে যার জীবন বারবার ওলটপালট হয়ে যায়।
* '''রাজু পাঁড়ে''': এস্টেটের স্থানীয় কর্মচারী।
 
== অনুবাদ ==
বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় উপন্যাসটি অনূদিত হয়েছে — ওড়িয়ায় ''বনচরী'', তেলুগু ও পাঞ্জাবিতে ''বনবাসী'', এবং গুজরাটি, মারাঠি, মালায়লম ও হিন্দিতে ''আরণ্যক'' নামে।
 
== আরও দেখুন ==
* [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]]
* [[পথের পাঁচালী]]
* [[অপরাজিত]]
* [[আদর্শ হিন্দু হোটেল]]
* [[ইছামতী]]
 
== সূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}


== বহিঃসংযোগ ==
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.rokomari.com/book/6489/aronnok রকমারি ওয়েবসাইট]
* [https://www.rokomari.com/book/218361/aronyok রকমারি ওয়েবসাইটে আরণ্যক]
* [https://example.com প্রকাশকের ওয়েবসাইট]
* [https://baatighar.com বাতিঘর ওয়েবসাইটে আরণ্যক]
* [https://bn.wikisource.org উইকিসংকলনে আরণ্যক]
*[https://www.google.co.in/books/edition/আরণ্যক/y-9oDwAAQBAJ গুগল বইয়ে আরণ্যক]
*[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.454238 আর্কাইভে আরণ্যক]
 
[[বিষয়শ্রেণী:বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সাহিত্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৯-এর বই]]
[[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতিকেন্দ্রিক উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:কাত্যায়নী বুক স্টল]]

২৩:২৬, ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

আরণ্যক
নাম আরণ্যক
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক কাত্যায়নী বুক স্টল
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯৩৯



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় অরণ্য ও প্রকৃতি, আদিবাসী জীবন, সভ্যতার সংঘাত, স্মৃতিচারণ
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার ও পেপারব্যাক

আরণ্যক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত চতুর্থ উপন্যাস, এবং বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতিকেন্দ্রিক উপন্যাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন। প্রথমে প্রবাসী পত্রিকায় কার্তিক ১৯৩৮ থেকে ফাল্গুন ১৯৩৯ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বের হয়, পরে ১৯৩৯ সালে কাত্যায়নী বুক স্টল থেকে বই হিসেবে প্রকাশ পায়। উপন্যাসটি লেখক তার প্রথমা স্ত্রী গৌরী দেবীকে উৎসর্গ করেন। বিহারে এস্টেট ম্যানেজারের কাজ করার সময়কার অভিজ্ঞতাই এই বইয়ের ভিত্তি।

অনেক সমালোচক বলেছেন আরণ্যকে কোনো সুসংবদ্ধ কাহিনি নেই, এটি আসলে একটি ভ্রমণবৃত্তান্ত। এর জবাবে বিভূতিভূষণ নিজেই বলেছেন — "ইহা ভ্রমণ বৃত্তান্ত বা ডায়েরী নহে — উপন্যাস।"

বিষয়বস্তু

কলকাতার বেকার যুবক সত্যচরণ এক বন্ধুর সুবাদে বিহারের গভীর অরণ্যে একটি এস্টেট ম্যানেজারের চাকরি পেয়ে যায়। নাঢ়া বইহার আর লবটুলিয়া বইহারের সেই বিশাল অরণ্যে এসে সে আস্তে আস্তে একটা ভিন্ন জগতে ডুবে যায়, যেখানে আদিবাসী পাহাড়িয়াদের জীবন, শতাব্দীপুরানো বন, অলিখিত ইতিহাস আর প্রকৃতির অনন্ত রহস্য মিলেমিশে আছে। সত্যচরণ সভ্য কলকাতার প্রতিনিধি, কিন্তু ধীরে ধীরে সে এই অরণ্যের টানে নিজেই বদলে যেতে থাকে।

উপন্যাসে মানুষের গল্পের চেয়ে অরণ্যের গল্পই বড়। দুপুরের রোদে ঝিমধরা বন, জ্যোৎস্না রাতে সুদূরবিস্তৃত মাঠ, ঘন শীতের ভোরে কুয়াশামাখা গাছপালা — এই সব মিলিয়ে বিভূতিভূষণ যে জগৎ তৈরি করেছেন, তা বাংলা সাহিত্যে তুলনাহীন।

প্রধান চরিত্রসমূহ

  • সত্যচরণ: উপন্যাসের কথক ও কেন্দ্রীয় চরিত্র। কলকাতার শিক্ষিত যুবক, যে অরণ্যে এসে প্রকৃতির রহস্যে মুগ্ধ হয়ে পড়ে।
  • দোবরু পান্না: বৃদ্ধ পাহাড়িয়া প্রজা। সে যেন এই অরণ্যের শেষ স্মৃতিচিহ্ন, বহু যুগের কথা তার মধ্যে জমা।
  • ভানুমতী: অরণ্যের সৌন্দর্য ও মুক্তির প্রতীক।
  • মটুকনাথ: গ্রামের টোল বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্রাহ্মণ পণ্ডিত, সরল ও নিরীহ মানুষ।
  • কুন্তা: বাইজীর মেয়ে হয়েও সতী ও পবিত্র — জীবনের অদ্ভুত নিয়তিতে যার জীবন বারবার ওলটপালট হয়ে যায়।
  • রাজু পাঁড়ে: এস্টেটের স্থানীয় কর্মচারী।

অনুবাদ

বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় উপন্যাসটি অনূদিত হয়েছে — ওড়িয়ায় বনচরী, তেলুগু ও পাঞ্জাবিতে বনবাসী, এবং গুজরাটি, মারাঠি, মালায়লম ও হিন্দিতে আরণ্যক নামে।

আরও দেখুন

সূত্র

বহিঃসংযোগ