বকুলকথা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অবয়ব
"{{তথ্যছক বই | নাম = বকুলকথা | লেখক = আশাপূর্ণা দেবী | প্রকাশনার স্থান = ভারত (কলকাতা) | ভাষা = বাংলা | বিষয় = নারীমুক্তি, আধুনিকতা বনাম ঐতিহ্য, স্বাধীনতার অপব্যবহার | প্রকাশক = মিত্র..." দিয়ে পাতা তৈরি |
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
||
| ৫ নং লাইন: | ৫ নং লাইন: | ||
| ভাষা = বাংলা | | ভাষা = বাংলা | ||
| বিষয় = নারীমুক্তি, আধুনিকতা বনাম ঐতিহ্য, স্বাধীনতার অপব্যবহার | | বিষয় = নারীমুক্তি, আধুনিকতা বনাম ঐতিহ্য, স্বাধীনতার অপব্যবহার | ||
| প্রকাশক = মিত্র ও ঘোষ | | প্রকাশক = [[মিত্র ও ঘোষ]] | ||
| আইএসবিএন = 8172930739 | | আইএসবিএন = 8172930739 | ||
| প্রকাশনার তারিখ = ১৯৭০ | | প্রকাশনার তারিখ = ১৯৭০ | ||
২৩:২০, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
বকুলকথা আশাপূর্ণা দেবীর সত্যবতী ট্রিলজির তৃতীয় ও চূড়ান্ত উপন্যাস, যা ১৯৭৪ সালে মিত্র ও ঘোষ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। সত্যবতী ও সুবর্ণলতার স্বপ্নের উত্তরসূরী বকুল/অনামিকা দেবীর জীবনকাহিনি নিয়ে রচিত এটি আধুনিক নারী স্বাধীনতার সাফল্য, অপব্যবহার ও চ্যালেঞ্জগুলোকে বিশ্লেষণ করে।
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]উপন্যাসে সুবর্ণলতার কন্যা বকুল (অনামিকা দেবী) বিখ্যাত লেখিকা হয়ে ওঠে এবং আধুনিক সমাজে স্বাধীনতা উপভোগ করে। কিন্তু মায়ের শিক্ষা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক স্বেচ্ছাচারিতা, সম্পর্কের জটিলতা ও নৈতিক দ্বন্দ্বে তিনি পড়েন। গল্পে মিছিল, সাহিত্য সম্মেলন, ডায়েরি, চিঠিপত্রের মাধ্যমে তিন প্রজন্মের নারীদের যাত্রা সমাপ্ত হয়।
সত্যবতীর বিদ্রোহ থেকে সুবর্ণলতার চাপা আকাঙ্ক্ষা এসে বকুলের সময়ে স্বাধীনতা ও স্বেচ্ছাচারের সংঘাতে পৌঁছায়, যা ট্রিলজির চরম পরিণতি।
চরিত্রসমূহ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- বকুল/অনামিকা দেবী – নায়িকা; বিখ্যাত লেখিকা, স্বাধীনতাপ্রাপ্ত কিন্তু ঐতিহ্যের সঙ্গে দ্বন্দ্বিত।
- সুবর্ণলতা – মা; ট্রিলজির দ্বিতীয় পর্বের নায়িকা, বকুলের শিক্ষাদাত্রী।
- পারুল, শম্পা – বকুলের বোন/আত্মীয়; সময়ের পরিবর্তনের প্রতিনিধি।
- সমকালীন চরিত্রসমূহ – আধুনিক সমাজের স্বাধীনতা ও অপব্যবহারের চিত্র।