আরণ্যক: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
হালনাগাদ |
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
||
| (একই ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত একটি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
{{তথ্যছক বই | {{তথ্যছক বই | ||
| নাম = আরণ্যক | | নাম = আরণ্যক | ||
| চিত্র = | | চিত্র = আরণ্যক উপন্যাসের প্রচ্ছদ.jpeg | ||
| চিত্রের_ক্যাপশন = | | চিত্রের_ক্যাপশন = | ||
| লেখক = [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]] | | লেখক = [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]] | ||
| ৪৫ নং লাইন: | ৪৫ নং লাইন: | ||
== বহিঃসংযোগ == | == বহিঃসংযোগ == | ||
* [https://www.rokomari.com/book/218361/aronyok রকমারি ওয়েবসাইটে আরণ্যক] | * [https://www.rokomari.com/book/218361/aronyok রকমারি ওয়েবসাইটে আরণ্যক] | ||
* [https://baatighar.com বাতিঘর ওয়েবসাইটে আরণ্যক] | * [https://baatighar.com/shop/9789849762188-87484 বাতিঘর ওয়েবসাইটে আরণ্যক] | ||
* [https://bn.wikisource.org উইকিসংকলনে আরণ্যক] | * [https://bn.wikisource.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE:%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95 উইকিসংকলনে আরণ্যক] | ||
*[https://www.google.co.in/books/edition/আরণ্যক/y-9oDwAAQBAJ গুগল বইয়ে আরণ্যক] | *[https://www.google.co.in/books/edition/আরণ্যক/y-9oDwAAQBAJ গুগল বইয়ে আরণ্যক] | ||
*[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.454238 আর্কাইভে আরণ্যক] | *[https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.454238 আর্কাইভে আরণ্যক] | ||
১০:৩৯, ২০ জুন ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
আরণ্যক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত চতুর্থ উপন্যাস, এবং বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতিকেন্দ্রিক উপন্যাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন। প্রথমে প্রবাসী পত্রিকায় কার্তিক ১৯৩৮ থেকে ফাল্গুন ১৯৩৯ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বের হয়, পরে ১৯৩৯ সালে কাত্যায়নী বুক স্টল থেকে বই হিসেবে প্রকাশ পায়। উপন্যাসটি লেখক তার প্রথমা স্ত্রী গৌরী দেবীকে উৎসর্গ করেন। বিহারে এস্টেট ম্যানেজারের কাজ করার সময়কার অভিজ্ঞতাই এই বইয়ের ভিত্তি।
অনেক সমালোচক বলেছেন আরণ্যকে কোনো সুসংবদ্ধ কাহিনি নেই, এটি আসলে একটি ভ্রমণবৃত্তান্ত। এর জবাবে বিভূতিভূষণ নিজেই বলেছেন — "ইহা ভ্রমণ বৃত্তান্ত বা ডায়েরী নহে — উপন্যাস।"
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]কলকাতার বেকার যুবক সত্যচরণ এক বন্ধুর সুবাদে বিহারের গভীর অরণ্যে একটি এস্টেট ম্যানেজারের চাকরি পেয়ে যায়। নাঢ়া বইহার আর লবটুলিয়া বইহারের সেই বিশাল অরণ্যে এসে সে আস্তে আস্তে একটা ভিন্ন জগতে ডুবে যায়, যেখানে আদিবাসী পাহাড়িয়াদের জীবন, শতাব্দীপুরানো বন, অলিখিত ইতিহাস আর প্রকৃতির অনন্ত রহস্য মিলেমিশে আছে। সত্যচরণ সভ্য কলকাতার প্রতিনিধি, কিন্তু ধীরে ধীরে সে এই অরণ্যের টানে নিজেই বদলে যেতে থাকে।
উপন্যাসে মানুষের গল্পের চেয়ে অরণ্যের গল্পই বড়। দুপুরের রোদে ঝিমধরা বন, জ্যোৎস্না রাতে সুদূরবিস্তৃত মাঠ, ঘন শীতের ভোরে কুয়াশামাখা গাছপালা — এই সব মিলিয়ে বিভূতিভূষণ যে জগৎ তৈরি করেছেন, তা বাংলা সাহিত্যে তুলনাহীন।
প্রধান চরিত্রসমূহ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- সত্যচরণ: উপন্যাসের কথক ও কেন্দ্রীয় চরিত্র। কলকাতার শিক্ষিত যুবক, যে অরণ্যে এসে প্রকৃতির রহস্যে মুগ্ধ হয়ে পড়ে।
- দোবরু পান্না: বৃদ্ধ পাহাড়িয়া প্রজা। সে যেন এই অরণ্যের শেষ স্মৃতিচিহ্ন, বহু যুগের কথা তার মধ্যে জমা।
- ভানুমতী: অরণ্যের সৌন্দর্য ও মুক্তির প্রতীক।
- মটুকনাথ: গ্রামের টোল বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্রাহ্মণ পণ্ডিত, সরল ও নিরীহ মানুষ।
- কুন্তা: বাইজীর মেয়ে হয়েও সতী ও পবিত্র — জীবনের অদ্ভুত নিয়তিতে যার জীবন বারবার ওলটপালট হয়ে যায়।
- রাজু পাঁড়ে: এস্টেটের স্থানীয় কর্মচারী।
অনুবাদ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় উপন্যাসটি অনূদিত হয়েছে — ওড়িয়ায় বনচরী, তেলুগু ও পাঞ্জাবিতে বনবাসী, এবং গুজরাটি, মারাঠি, মালায়লম ও হিন্দিতে আরণ্যক নামে।
