হিমুর দ্বিতীয় প্রহর
হিমুর দ্বিতীয় প্রহর হুমায়ূন আহমেদ লেখা বাংলা ভাষা একটি উপন্যাস। এই উপন্যাসে হিমুর সাথে দেখা হয় হুমায়ূন আহমেদের আরও একটি বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলির। মিসির আলী চলেন লজিকের উপর ভিত্তি করে আর হিমুর জীবনটায় হল এন্টি-লজিকের মাঝে। লেখক তার সৃষ্ট এই দুটি চরিত্রগুলোর মধ্যে কোনটাকে বেশি গুরুত্ব দেন তা জানতে চেয়েছেন তাই নিয়ে এই বইটি লেখা।
পটভূমি
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]১৯৯৭ সালের বইমেলায় বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বইটির প্রচ্ছদ তৈরি করেন সমর মজুমদার। বইটির গ্রন্থস্বত্ব লেখকের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন আহমেদের।বইটির প্রকাশক এ কে নাসির আহমেদ সেলিম। ২০১৪ সালে ১৩তম মুদ্রণ প্রকাশ হয়।
সারাংশ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]পূর্ণিমার শেষ রাতে এক গলির ভেতরে হিমু প্রচণ্ড এক ভয়ের মুখোমুখি হয়। তার এই ভয়ের কারণে তাকে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি হতে হয়। অন্যদিকে হিমুর ফুফাতো ভাইয়ের বিয়ে আঁখি নামের একজনের সাথে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের দিন আঁখি বাড়ি থেকে চলে যায় তবে ঘটনাক্রমে শেষ পর্যন্ত বাদলের সাথেই তার বিয়ে হয়। হিমু তার এই ভয় সম্পর্কে কথা বলতে গিয়েছিল মিসির আলির কাছে। মিসির আলি হিমুকে বলে তার এই ভয়ের কারণ তার উত্তেজিত মস্তিষ্ক এবং তার উচিত আবার সেই ভয়ের মুখোমুখি হওয়া। পরের পূর্ণিমায় হিমু যায় সেই গলিতে তার কাছে মনে হয় সে যেন পূর্ববর্তী ঘটনাই আবার দেখছে। কুকুরগুলো তাকে জায়গা করে দেয় সেই ছায়াহীন মানবের কাছে যাওয়ার জন্য। আস্তে আস্তে হিমু এগিয়ে যায়।