বিষয়বস্তুতে চলুন

নকশী কাঁথার মাঠ

বইপিডিয়া থেকে
নকশী কাঁথার মাঠ
নাম নকশী কাঁথার মাঠ
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক জসীম উদ্দীন


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯২৯



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় পল্লীজীবন, গ্রাম্য প্রেম, বিচ্ছেদ বেদনা, লোকসংস্কৃতি


নকশী কাঁথার মাঠ বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি জসীম উদ্দীন রচিত এক অনবদ্য আখ্যানকাব্য, যা ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। ফরিদপুরের দুই গ্রাম জলীবিল ও গোরিডাঙার রূপাই ও সাজু নামক প্রেমজোড়ার করুণ কাহিনিকে কেন্দ্র করে রচিত এই কাব্যটি নকশী কাঁথাকে প্রতীক করে গ্রামবাংলার জীবন, প্রেম, বিচ্ছেদ ও মৃত্যুর অমর চিত্র এঁকে দিয়েছে।

কাব্যের কাহিনি রূপাই (গোরিডাঙার যুবক) ও সাজু (জলীবিলের মেয়ে)‑এর প্রেম নিয়ে শুরু হয়। দুজনের বিবাহের স্বপ্ন ভেঙে যায় সাজুর অসুখে এবং রূপাইয়ের বহিরাগত হয়ে যাওয়ায়। সাজু তার প্রেমের স্মৃতি নকশী কাঁথায় সেলাই করে কবরে নিয়ে যায় বলে বিলি করে মৃত্যুবরণ করে। বহুদিন পর রূপাই ফিরে এসে সাজুর কবরে তার কাঁথা জড়িয়ে প্রাণ দেন; তখন থেকে সেই মাঠের নাম হয় ‘‘নকশী কাঁথার মাঠ’’।

চৌদ্দটি পর্বে বিভক্ত এই কাব্যে পল্লীজীবনের হাট-মেলা, গান, ঝগড়া, দারিদ্র্য, প্রকৃতি ও লোকসংস্কৃতির অত্যন্ত জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে

  • রূপাই – গোরিডাঙার যুবক, সাজুর প্রেমিক; স্বপ্নবাজ কিন্তু দারিদ্র্যে বহিরাগত হয়ে প্রেমিকাকে হারান।
  • সাজু – জলীবিলের মেয়ে, রূপাইয়ের প্রেমিকা; প্রেমের বেদনায় অসুস্থ হয়ে কাঁথায় স্মৃতি সেলাই করে মৃত্যুবরণ করে।
  • গ্রামবাসী, রূপাইয়ের মা, সাজুর পরিবার – পল্লীজীবনের জীবন্ত চিত্র।