বিষয়বস্তুতে চলুন

ক্রীতদাসের হাসি

বইপিডিয়া থেকে
ক্রীতদাসের হাসি
নাম ক্রীতদাসের হাসি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক শওকত ওসমান


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক কথাবিতান
প্রকাশনার স্থান ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রকাশনার তারিখ ১৯৬২



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় রাজনৈতিক রূপক, স্বৈরাচার বিরোধিতা, মানবিক মর্যাদা
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার ও পেপারব্যাক
পৃষ্ঠাসংখ্যা 984458440X

ক্রীতদাসের হাসি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি কালজয়ী রাজনৈতিক রূপকধর্মী উপন্যাস। ১৯৬২ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। তৎকালীন আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারী শাসনের প্রেক্ষাপটে লেখক এই রূপক কাহিনীটি রচনা করেন। এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে আদমজী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।

উপন্যাসের প্রেক্ষাপট আব্বাসীয় খলিফা হারুন আল রশিদের শাসনামলের বাগদাদ শহর। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র 'তাতারি' একজন ক্রীতদাস: যে তার প্রেমিকা মেহেরমানকে হারিয়েও নিজের মনের গভীরে এক অদম্য হাসির শক্তি ধরে রাখে। খলিফা হারুন আল রশিদ তাতারিকে সব ধরনের ভোগবিলাস ও ঐশ্বর্য প্রদান করেও তার সেই স্বতঃস্ফূর্ত হাসি কিনতে ব্যর্থ হন। উপন্যাসে লেখক দেখিয়েছেন যে অর্থ অথবা ক্ষমতার জোরে মানুষের মনের আনন্দ ও স্বাধীনতা কেনা সম্ভব নয়। স্বৈরাচারী শাসকের কাছে মানুষের দেহের দাসত্ব থাকলেও মনের স্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদা অপরাজেয়।

প্রধান চরিত্রসমূহ

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
  • তাতারি: উপন্যাসের নায়ক এবং অদম্য চেতনার অধিকারী একজন ক্রীতদাস।
  • মেহেরমান: তাতারির প্রেমিকা এবং তার অনুপ্রেরণার উৎস।
  • খলিফা হারুন আল রশিদ: ক্ষমতার দম্ভে মত্ত এক শাসক।
  • মসরুর: খলিফার জল্লাদ।