শ্রাবণের দিন
শ্রাবণের দিন হচ্ছে একটি বাংলা ভাষার নিবন্ধ বই, যা লিখেছেন আমিনুল ইসলাম।
পটভূমি
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]শ্রাবণের দিন বইটি পঞ্চম সংস্করণ ২০২৩ সালে প্রকাশ হয়। বইটি বেনজিন প্রকাশন প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হয়।
কাহিনির সারসংক্ষেপ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]উপন্যাসটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে এমন এক বিকল্প ইতিহাসে, যেখানে ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারতীয় উপমহাদেশ ত্যাগ করেনি। ২০০৪ সালেও উপমহাদেশ রয়েছে ইংরেজ মুকুটের অধীনে। এই পরাধীন প্রেক্ষাপটে জন্ম নেয় এক নতুন প্রজন্ম, যারা শিক্ষা, স্বাধীনতা ও পরিচয়ের সন্ধান করছে।
মেধাবী ছাত্র রবিন ইংরেজদের প্রতিষ্ঠিত এক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। সেখানে তার দেখা হয় আশ্বিন নামের এক ছাত্রের সঙ্গে, যে অসাধারণ ফুটবল খেলোয়াড়। অন্যদিকে বাংলার সবচেয়ে কুখ্যাত বিদ্রোহী মজনু গালিব-কে ধরার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিদ্রোহী দমন সংস্থার প্রধান ইয়াসির আলী। উপমহাদেশজুড়ে তখন ছড়িয়ে পড়েছে বিদ্রোহের আগুন, স্বাধীনতার দাবিতে একের পর এক আন্দোলন।
বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রচলিত আছে এক কিংবদন্তি নাম—ছায়া। বলা হয়, বিরান্নব্বইয়ের যুদ্ধের সময় নিহত বিদ্রোহী নেতারা মৃত্যুর আগে নেতৃত্বের ভার তুলে দিয়েছিল এক অজানা ব্যক্তির হাতে, যার নামই ‘ছায়া’। এক যুগ পার হয়ে গেলেও তার পরিচয় কেউ জানে না, কিন্তু সবাই বিশ্বাস করে—সে একদিন ফিরে আসবে।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে রবিনের সঙ্গে দেখা হয় আরেক রহস্যময় চরিত্র আশরাফ শ্রাবণ-এর, যিনি তৃতীয় বর্ষে পড়ার সময় বিদ্রোহী দলে যোগ দিয়ে আবার ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু রবিনের চোখের সামনেই পুলিশ তাকে ক্যাম্পাস থেকে ধরে নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর রবিন ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, বিদ্রোহ ও আত্মত্যাগের জগতে।
এদিকে মজনু গালিবের নেতৃত্বে বিদ্রোহীদের আক্রমণ বাড়তে থাকে। ইয়াসির আলী যেকোনো মূল্যে মজনুকে ধরতে চায়। পরাধীন দেশে তরুণদের সংগ্রাম, সন্দেহ, ভয় ও আশার মিশ্রণে গল্পটি এগিয়ে চলে। শেষ পর্যন্ত কে সেই রহস্যময় ‘ছায়া’? বিদ্রোহের ভবিষ্যৎ কী দাঁড়ায়—সেই উত্তর খোঁজাই শ্রাবণের দিন উপন্যাসের মূল সুর।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- রকমারি ওয়েবসাইট
- [ ]