বিষয়বস্তুতে চলুন

ট্রিলজি ( সেই সময়, প্রথম আলো, পুর্ব পশ্চিম)

বইপিডিয়া থেকে
Abdullah Al Araf Furat (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০৯:৩৭, ১৮ মে ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই |বইয়ের নাম = সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ট্রিলজি |লেখক = সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় |চিত্র = |প্রকাশনার স্থান = কলকাতা, ভারত |ভাষা = বাংলা |প্রকাশনার তারিখ = ১৯৮১–২..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ট্রিলজি
নাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ট্রিলজি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক আনন্দ পাবলিশার্স
প্রকাশনার স্থান কলকাতা, ভারত
প্রকাশনার তারিখ ১৯৮১–২০০৩



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় ঐতিহাসিক উপন্যাস, সমাজ ও রাজনীতি
মিডিয়া ধরন মুদ্রিত
পৃষ্ঠাসংখ্যা বিভিন্ন

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ট্রিলজি হচ্ছে তিনটি বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাসের সমষ্টি, যা লিখেছেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ট্রিলজির অন্তর্ভুক্ত উপন্যাসগুলো হলো সেই সময়, প্রথম আলো এবং পূর্ব-পশ্চিম। এই তিনটি উপন্যাসে উনিশ ও বিশ শতকের বাংলা, ভারতবর্ষের সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়কে বিস্তৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সেই সময় উপন্যাসে ঊনবিংশ শতকের বাংলার নবজাগরণ, সমাজসংস্কার আন্দোলন এবং তৎকালীন বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্তদেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ বহু ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব স্থান পেয়েছেন।

প্রথম আলো উপন্যাসে বিংশ শতকের শুরুর দিকের বঙ্গভঙ্গ, স্বদেশী আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ এবং সাংস্কৃতিক জাগরণের সময়কালকে কেন্দ্র করে কাহিনি নির্মিত হয়েছে। এতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দবেগম রোকেয়াসহ সমকালীন ব্যক্তিত্বদের উপস্থাপন করা হয়েছে।

পূর্ব-পশ্চিম উপন্যাসে ভারত বিভাগ, দেশভাগ-পরবর্তী জীবন, উদ্বাস্তু সমস্যা এবং বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। উপন্যাসটি দুই বাংলার মানুষের জীবনসংগ্রাম ও পরিচয় সংকটকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে।

এই ট্রিলজি বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত।