বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রদোষে প্রাকৃতজন

বইপিডিয়া থেকে
ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১৬:১০, ৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই | নাম = প্রদোষে প্রাকৃতজন | চিত্র = | চিত্রের_ক্যাপশন = | লেখক = শওকত আলী | প্রকাশনার স্থান = বাংলাদেশ (ঢাকা) | ভাষা = বাংলা | মিডিয়া ধরন = হার্ডকভা..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)
প্রদোষে প্রাকৃতজন
নাম প্রদোষে প্রাকৃতজন
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক শওকত আলী


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড
প্রকাশনার স্থান বাংলাদেশ (ঢাকা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯৮৪
আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৫০৬১৬৩৬


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় সেন শাসনের অবসান, তুর্কি আক্রমণ, মধ্যযুগীয় বাংলার প্রান্তিক মানুষ, জাতপাত ও ধর্মীয় দ্বন্দ্ব
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার ও পেপারব্যাক
পৃষ্ঠাসংখ্যা ২০০

প্রদোষে প্রাকৃতজন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত আলী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি শওকত আলীর সবচেয়ে বিখ্যাত ও পাঠকপ্রিয় রচনা হিসেবে স্বীকৃত। মধ্যযুগীয় বাংলার সেন শাসনের শেষ পর্যায় এবং তুর্কি আক্রমণের প্রাক্কালে সমাজের নিম্নবর্গের মানুষদের জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে উপন্যাসটি রচিত। বাংলা উপন্যাসের ধারায় এটি একটি স্মরণীয় সংযোজন হিসেবে বিবেচিত।

সেন রাজার শাসন থেকে স্খলিত হয়ে যাচ্ছে দেশ, তুর্কি আক্রমণ আসন্ন। তবু সামন্ত-মহাসামন্তদের অত্যাচারের শেষ নেই। সেই অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় কখনো অন্ত্যজ মানুষেরা, কখনো বৌদ্ধেরা। ফলে শাসকদের রোষ এসে পড়ে তাদের উপরেই। উপন্যাসটিতে ইতিহাসের সেই প্রদোষকালের জটিল আবর্তে ঘূর্ণ্যমান কয়েকজন সাধারণ নরনারীর কাহিনি বিবৃত হয়েছে, যাদের নাম ইতিহাসে নেই, কিন্তু যারাই এই ভূখণ্ডের প্রকৃত উত্তরাধিকার বহন করে চলেছে। রাজা লক্ষ্মণ সেনের আমলে (আনুমানিক ১১৭৮–১২০৬ খ্রি.) শিল্প-সাহিত্যচর্চার জোয়ার এবং একই সাথে জাতপাত ও ধর্মীয় বৈষম্যের যে বাস্তবতা ছিল, শওকত আলী সেই প্রেক্ষাপটে ইতিহাসের অনালোকিত সাধারণ মানুষদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরেছেন।

প্রধান চরিত্রসমূহ

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
  • শ্যামাঙ্গ: মৃৎশিল্পী, উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলির একটি। তার শিল্পসাধনায় ছেদ পড়ে এবং সে নিরুদ্দেশ যাত্রায় বের হয়।
  • লীলাবতী: স্বামী পরিত্যক্তা নারী, যার আকাঙ্ক্ষা ও বেদনা উপন্যাসের মানবিক মাত্রাকে গভীর করে।
  • মায়াবতী: সমাজের প্রান্তে বাস করা একটি চরিত্র, যার মধ্য দিয়ে নারীজীবনের যন্ত্রণার ছবি ফুটে ওঠে।
  • বসন্তদাস: সাধারণ প্রাকৃতজনের প্রতিনিধি।


পুরস্কার ও স্বীকৃতি

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

শওকত আলী বাংলা ছোটগল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান ১৯৬৮ সালে এবং ১৯৯০ সালে রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত হন।