বিষয়বস্তুতে চলুন
🎉 বইপিডিয়ার ১ বছর পূর্তি! · আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন.

সোজন বাদিয়ার ঘাট

বইপিডিয়া থেকে
Md Joni Hossain (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ২০:২৮, ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)
সোজন বাদিয়ার ঘাট
নাম সোজন বাদিয়ার ঘাট
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক জসীম উদ্‌দীন


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯৩৩



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় পল্লীজীবন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, প্রেম, জমিদারি শোষণ, হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার ও পেপারব্যাক

সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি কালজয়ী কাব্যোপন্যাস। ১৯৩৩ সালে কবির মাত্র ত্রিশ বছর বয়সে লেখা এই বইটি বাংলা কাব্যোপন্যাসের জগতে বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বইটির প্রশংসা করে লিখেছেন, "তোমার সোজন বাদিয়ার ঘাট অতীব প্রশংসার যোগ্য। এ বই যে বাংলার পাঠক সমাজে আদৃত হবে, সে বিষয়ে আমার লেশমাত্র সন্দেহ নেই।" ইউনেস্কো কাব্যগ্রন্থটিকে এশীয় সিরিজের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের সম্মাননা দিয়েছে এবং ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত মোট ষোলো বার এই বইটির সংস্করণ সংরক্ষণ করেছে। সোজন বাদিয়ার ঘাট সর্বাধিক বিদেশি ভাষায় অনূদিত বাংলা বইগুলির একটি।

মুসলমান চাষির ছেলে সোজন আর নমুর মেয়ে দুলীর অপূর্ব প্রেমকাহিনির সঙ্গে বিগত সামন্ত যুগের জমিদারি প্রথার নিষ্ঠুরতার আলেখ্য এই কাব্যে তুলে ধরা হয়েছে। পল্লীগাঁয়ে বেড়ে ওঠা দুই কিশোর-কিশোরীর প্রেমকাহিনি সোজন মুসলমানের ছেলে আর দুলী নমুর মেয়ে। ছোটবেলায় একসাথে খেলাধুলা করে বেড়ে উঠতে উঠতে কখন যে একে অন্যের মনের ঘরে ঠাঁই করে নেয় তা তারাও জানে না। কাব্যটির মুখ্য বিষয় হচ্ছে অসাম্প্রদায়িকতা এবং ক্ষমতাসীনদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দাঙ্গা উসকে দেওয়া। নমু-মুসলমানের দাঙ্গায় লাভ লুটে নেয় জমিদার আর নায়েব মশাই।

কাব্যগ্রন্থে ছয়টি পর্ব রয়েছে। কবি জসীম উদ্‌দীন এই ছয়টি পর্বকে ভিন্ন নামে আখ্যায়িত করেছেন। পর্বগুলির নাম: নমুদের কালো মেয়ে, নীড়, পলায়ন, পূর্বরাগ, বেদের বহর ও বেদের বসাতি।

প্রধান চরিত্রসমূহ

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
  • সোজন: কেন্দ্রীয় পুরুষচরিত্র, মুসলমান চাষির ছেলে।
  • দুলালী (দুলী): কেন্দ্রীয় নারীচরিত্র, নমুর মেয়ে।
  • জমিদার ও নায়েব: সামন্ততান্ত্রিক শোষণের প্রতীক।

ইংরেজি অনুবাদটি Gipsy Wharf শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে। অনুবাদ করেছেন বার্বারা পেইন্টার ও ইয়ান লাভলক (অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন, ১৯৬৯)। এছাড়া কাব্যটি আরও একাধিক বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

চলচ্চিত্র রূপান্তর

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

পরিচালক তানভীর মোকাম্মেলের পরিচালনায় এবং কিনো-আই ফিল্মসের ব্যানারে এই কাব্য অবলম্বনে 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' শিরোনামে একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে।