লং ওয়াক টু ফ্রিডম

ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০০:২২, ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই | নাম = লং ওয়াক টু ফ্রিডম | চিত্র = | চিত্রের_ক্যাপশন = | লেখক = নেলসন ম্যান্ডেলা | প্রকাশনার স্থান = দক্ষিণ আফ্রিকা | ভাষা = ইংরেজি | মিডিয়া ধরন..." দিয়ে পাতা তৈরি)

লং ওয়াক টু ফ্রিডম (ইংরেজি: Long Walk to Freedom) দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা ও রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে তাঁর শৈশব জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম, ২৭ বছরের কারাবাস এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। এটি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত এবং স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত।

লং ওয়াক টু ফ্রিডম
নাম লং ওয়াক টু ফ্রিডম
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক নেলসন ম্যান্ডেলা


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ম্যাকডোনাল্ড প্যাপারব্যাকস
প্রকাশনার স্থান দক্ষিণ আফ্রিকা
প্রকাশনার তারিখ ১৯৯৪
আইএসবিএন 9780316548182


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা ইংরেজি
বিষয় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন, আত্মজীবনী, দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাস
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার ও পেপারব্যাক
পৃষ্ঠাসংখ্যা ৬৫৬ (প্রথম সংস্করণ)

বিষয়বস্তু

বইটিতে ম্যান্ডেলার গ্রামীণ শৈশব থেকে শুরু করে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন এবং আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC)-এ যোগদানের বিবরণ রয়েছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেন এবং পরবর্তীতে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ ২৭ বছর কারাগারে কাটান, যার বড় অংশই রবেন দ্বীপে। কারামুক্তির পর তিনি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পথে নেতৃত্ব দেন এবং ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।

শৈলী ও বৈশিষ্ট্য

এই গ্রন্থটি সরল ও আন্তরিক ভাষায় রচিত। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনৈতিক ইতিহাসকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এতে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, ধৈর্য ও ক্ষমার মানসিকতার গভীর প্রকাশ পাওয়া যায়। বইটি শুধু আত্মজীবনী নয়, বরং একটি জাতির মুক্তির ইতিহাসও বটে।

প্রধান বিষয়সমূহ

  • বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন
  • রাজনৈতিক বন্দিত্ব ও মানবাধিকার
  • নেতৃত্ব ও গণতন্ত্র
  • ক্ষমা ও পুনর্মিলন

পুরস্কার ও স্বীকৃতি

প্রকাশের পর থেকেই গ্রন্থটি আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত হয়। এটি বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে পাঠকের কাছে স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

আরও দেখুন

সূত্র

বহিঃসংযোগ