বিষয়বস্তুতে চলুন

যোগ বিয়োগ

বইপিডিয়া থেকে
ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১৩:৩৭, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই | নাম = যোগ বিয়োগ | চিত্র = | চিত্রের_ক্যাপশন = | লেখক = আশাপূর্ণা দেবী | প্রকাশনার স্থান = কলকাতা, ভারত | ভাষা = বাংলা | বিষয় = বার্ধক্যজনিত সংকট, পারিবারিক অবক্ষয় | ধরন =..." দিয়ে পাতা তৈরি)
যোগ বিয়োগ
নাম যোগ বিয়োগ
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক আশাপূর্ণা দেবী


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ক্যালকাটা বুক ক্লাব
প্রকাশনার স্থান কলকাতা, ভারত
প্রকাশনার তারিখ ১৯৫৩



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় বার্ধক্যজনিত সংকট, পারিবারিক অবক্ষয়
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার / পেপারব্যাক
পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৬০ (আনুমানিক)

যোগ বিয়োগ হল প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৫৩ সালে ক্যালকাটা বুক ক্লাব থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। মূলত লেখিকার "বাজে খরচ" নামক একটি বড় গল্পের পরিবর্ধিত রূপ হলো এই উপন্যাসটি। পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং বৃদ্ধ পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের অবহেলার মর্মস্পর্শী চিত্র এই উপন্যাসে ফুটে উঠেছে।

কাহিনি-সংক্ষেপ

উপন্যাসের কাহিনি আবর্তিত হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বৃদ্ধ যামিনীমোহন, তার স্ত্রী সন্তোষিনী এবং তাদের ক্রমভঙ্গুর পরিবারকে কেন্দ্র করে। সারাজীবন কঠোর পরিশ্রমের পর চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর যামিনীমোহন ও সন্তোষিনী নিজেদের উপার্জনক্ষম ও প্রতিষ্ঠিত পুত্রদের সংসারে ক্রমেই অপাঙক্তেয় ও হেয় হতে থাকেন। ছেলেরা বাবা-মাকে কেবলই অর্থনৈতিক বোঝা হিসেবে গণ্য করতে শুরু করে।

এই চরম দুঃসময়ে তাঁদের মানসিক অবলম্বন হয়ে ওঠে বাড়িতে আশ্রিত দূরসম্পর্কের অনাথ ভাগনে গোবিন্দ। নিজের সন্তানরা যখন মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন এই অনাথ ছেলেটিই তাদের আঁকড়ে ধরে রাখে। নানা অপমান ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতে একদিন যামিনীমোহনের মৃত্যু হয়। স্বামীর মৃত্যুর পর তিন ছেলের সংসারে "ভাগের মা" হয়ে সন্তোষিনী যেন আরও বড় বোঝা হয়ে ওঠেন। রক্ত সম্পর্কের অসারতা প্রমাণ করে শেষপর্যন্ত সেই আশ্রিত গোবিন্দই হয়ে ওঠে সন্তোষিনীর পরম ও শেষ আশ্রয়।

চরিত্রসমূহ

  • যামিনীমোহন: অবসরপ্রাপ্ত গৃহকর্তা, যিনি শেষ জীবনে ছেলেদের অবহেলার শিকার হন।
  • সন্তোষিনী: যামিনীমোহনের স্ত্রী, যিনি স্বামীর মৃত্যুর পর ছেলেদের সংসারে বোঝা হয়ে দাঁড়ান।
  • গোবিন্দ: দূরসম্পর্কের অনাথ ভাগনে, যে উপন্যাসে মানবিকতার মূর্ত প্রতীক।

আরও দেখুন

সূত্র

বহিঃসংযোগ