খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি

ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১৩:৪৭, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই | নাম = খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি | লেখক = মাঝি রামদাস টুডু | প্রকাশনার স্থান = | ভাষা = সাঁওতালি (মূলত বাংলা হরফে লিখিত) | বিষয় = সাঁওতাল জাতি..." দিয়ে পাতা তৈরি)

খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি হলো সাঁওতাল জনজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ এবং পবিত্রতম ধর্মগ্রন্থ। এটি সাঁওতাল পণ্ডিত ও সমাজ সংস্কারক মাঝি রামদাস টুডু 'রেশকা' কর্তৃক সংকলিত ও রচিত। ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি সাঁওতালদের আদি ইতিহাস, সৃষ্টিতত্ত্ব, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং সামাজিক রীতিনীতির একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। সাঁওতাল সমাজে এই বইটির গুরুত্ব অনেকটা হিন্দুধর্মের 'বেদ' বা শিখধর্মের 'গ্রন্থ সাহেব'-এর সমতুল্য।

খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি
নাম খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক মাঝি রামদাস টুডু






বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা সাঁওতালি (মূলত বাংলা হরফে লিখিত)
বিষয় সাঁওতাল জাতির আদি ইতিহাস, ধর্মতত্ত্ব ও সংস্কৃতি
মিডিয়া ধরন মুদ্রণ

বিষয়বস্তু =

এই গ্রন্থে সাঁওতাল সমাজের সৃষ্টিতত্ত্ব, মানুষের আবির্ভাব, বিবাহপ্রথা, বিভিন্ন সামাজিক সংস্কার ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। লেখক সাঁওতালি ভাষায় বাংলা লিপিতে গ্রন্থটি রচনা করেন এবং নিজ হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে পুরাণকথা ও ধর্মীয় ধারণাগুলিকে চিত্রমালার আকারে উপস্থাপন করেন।

প্রকাশনা ইতিহাস

খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি প্রথম প্রকাশিত হয় উনিশ শতকের শেষভাগে। পরে ধলভূমের রাজা জগদীশচন্দ্র দেব ও ধবলদেবের উদ্যোগ ও উৎসাহে ১৯৫১ সালে গ্রন্থটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণ প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণে ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের একটি ভূমিকা সংযোজিত ছিল, যা গ্রন্থটির একাডেমিক গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি করে।

পরবর্তীকালে গ্রন্থটির আরও সংস্করণ প্রকাশিত হয়। বর্তমান প্রচলিত সংস্করণে মূল বইয়ের অবিকল প্রতিলিপির সঙ্গে সুহৃদকুমার ভৌমিক-কৃত বাংলা অনুবাদ সংযোজিত হয়েছে।

আরও দেখুন

সাঁওতাল বিদ্রোহ অলচিকি লিপি সারনা ধর্ম

সূত্র