দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ অ্যান আননোন ইন্ডিয়ান

ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০৫:৫২, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই | নাম = দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ অ্যান আননোন ইন্ডিয়ান | চিত্র = | চিত্রের_ক্যাপশন = | লেখক = নীরদচন্দ্র চৌধুরী | প্রকাশনার স্থান = যুক্তরাজ্য | ভাষা..." দিয়ে পাতা তৈরি)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ অ্যান আননোন ইন্ডিয়ান (The Autobiography of an Unknown Indian) প্রখ্যাত ভারততত্ত্ববিদ ও লেখক নিরদচন্দ্র চৌধুরী রচিত তাঁর জীবন ও সমসাময়িক ভারতের এক অনন্য দলিল। ১৯৫১ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি তাঁকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি ও পরিচিতি এনে দেয়। এটি কেবল লেখকের ব্যক্তিগত জীবনকাহিনি নয়, বরং বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অবিভক্ত বাংলার সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক গভীর বিশ্লেষণ।

দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ অ্যান আননোন ইন্ডিয়ান
নাম দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ অ্যান আননোন ইন্ডিয়ান
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক নীরদচন্দ্র চৌধুরী


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ম্যাকমিলান
প্রকাশনার স্থান যুক্তরাজ্য
প্রকাশনার তারিখ ১৯৫১
আইএসবিএন ৯৭৮-১৫৯০১৭০৮৮৫ (নিউ ইয়র্ক রিভিউ বুকস সংস্করণ)


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা ইংরেজি
বিষয় আত্মজীবনী, ব্রিটিশ রাজের ইতিহাস, বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার ও পেপারব্যাক
পৃষ্ঠাসংখ্যা ৫৯০ (প্রথম সংস্করণ)

বিষয়বস্তু

সম্পাদনা

চার ভাগে বিভক্ত বইটি চৌধুরীর শৈশব, পিতৃগৃহ ও মাতৃগৃহ, কলকাতায় শিক্ষা-জীবন এবং ব্রিটিশ ভারতের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিবর্তন বর্ণনা করে। তিনি তাঁর বৌদ্ধিক জাগরণ, ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি আকর্ষণ, বাঙালি সমাজের দুর্বলতা এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের সমালোচনা করেছেন। বিখ্যাত উক্তি: "I, too, inherited the traditions of the West... I am an Indian Englishman."

উৎসর্গ ও বিতর্ক

সম্পাদনা

বইটি এর উৎসর্গপত্রের জন্য ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল। লেখক এটি উৎসর্গ করেছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রতি। উৎসর্গপত্রে তিনি লিখেছিলেন: "To the memory of the British Empire in India, which conferred subjecthood on us, but withheld citizenship."

এই বক্তব্যের কারণে তৎকালীন ভারতের অনেক রাজনীতিবিদ এবং বুদ্ধিজীবী তাঁকে 'দেশদ্রোহী' বা 'সাম্রাজ্যবাদের দালাল' হিসেবে অভিযুক্ত করেছিলেন। এই বিতর্কের জেরে তাঁকে তাঁর সরকারি চাকরি থেকেও ইস্তফা দিতে হয়েছিল।

সাহিত্যিক মূল্যায়ন

সম্পাদনা

বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও, গ্রন্থটি ইংরেজি গদ্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। ভি. এস. নাইপল এই বইটিকে সম্ভবত "একটি ভারতীয় দ্বারা ইংরেজিতে রচিত একমাত্র শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম" হিসেবে অভিহিত করেছেন। লেখক অত্যন্ত নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে নিজের এবং নিজ জাতির দোষ-ত্রুটি ও বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণ করেছেন। এতে উনিশ শতকের 'বেঙ্গল রেনেসাঁ' বা বাঙালি নবজাগরণের প্রভাব স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান।

প্রভাব

সম্পাদনা

এই বইটি প্রকাশের পর নিরদচন্দ্র চৌধুরী আন্তর্জাতিক স্তরে একজন অগ্রগণ্য চিন্তাবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনের ইতিহাস বুঝতে চাইলে এই গ্রন্থটি আজও একটি অপরিহার্য পাঠ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

আরও দেখুন

সম্পাদনা

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা