গীতাঞ্জলি (সংস্কৃত: 'গান-অঞ্জলি' অর্থাৎ গানের উপহার) হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যসংকলন। এটি ১৯১০ সালে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হয় এবং পরে রবীন্দ্রনাথ নিজেই ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। ইংরেজি গীতাঞ্জলি ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়।

গীতাঞ্জলি
চিত্র:Gitanjali Title Page.jpg
গীতাঞ্জলির প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
নাম গীতাঞ্জলি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ভারতীয় প্রকাশক (১৯১০), ম্যাকমিলান (লন্ডন, ১৯১২)




বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা (মূল) / ইংরেজি (অনুবাদ)
বিষয় ভক্তি, প্রকৃতি, মানবতা, আত্মা


রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি ছিল ভারত তথা এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার।

বিষয়বস্তু

গীতাঞ্জলির কবিতাগুলোতে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি, মানবতাবোধ, প্রকৃতিপ্রীতি এবং আত্মিক মুক্তির কথা বলা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঈশ্বরের সাথে এক আত্মিক সংলাপের মাধ্যমে মানুষের অন্তর্লোকের যাত্রাকে তুলে ধরেছেন। কবিতাগুলো সহজ ভাষায় গভীর দার্শনিক ভাবনা প্রকাশ করে।

প্রকাশনা ইতিহাস

গীতাঞ্জলি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে, কলকাতা থেকে। পরে কবি নিজেই কয়েকটি কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। ইংরেজি সংকলনটি ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয় এবং পশ্চিমা বিশ্বে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

নোবেল পুরস্কার

১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "গীতাঞ্জলি"র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি বাংলা ভাষা ও ভারতীয় সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তোলে।

প্রভাব ও মূল্যায়ন

গীতাঞ্জলি বাংলা সাহিত্য ও বিশ্বসাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি। এর কবিতাগুলো আজও পাঠককে আত্মানুসন্ধানে উদ্বুদ্ধ করে। গীতাঞ্জলি ভারতীয় দর্শনের সর্বজনীন মূল্যবোধকে পশ্চিমা সাহিত্যে পৌঁছে দেয়।

আরও দেখুন

বহিঃসংযোগ

সূত্র