নাগিনী কন্যার কাহিনী

ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০০:১৬, ৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ ("{{তথ্যছক বই | নাম = নাগিনী কন্যার কাহিনী | লেখক = তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় | প্রকাশনার স্থান = ভারত (কলকাতা) | ভাষা = বাংলা | বিষয় = হিজল বিলের বিষবেদে সম্প্রদায়, মনসা মঙ্গল লোক..." দিয়ে পাতা তৈরি)

নাগিনী কন্যার কাহিনী বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি লোককথাধর্মী গল্পগ্রন্থ বা উপন্যাস, যা রাঢ় বাংলার গ্রামীণ ও আদিবাসী লোকসংস্কৃতির পটভূমিতে গড়ে উঠেছে। গ্রন্থটি মিত্র ও ঘোষ প্রকাশনা থেকে ১৯৪০-এর দশকে প্রকাশিত হয় এবং লোককথার রূপকথাময়তা ও বাস্তব জীবনের মিশ্রণে বিখ্যাত।

নাগিনী কন্যার কাহিনী
নাম নাগিনী কন্যার কাহিনী
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ডি এম লাইব্রেরী
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯১৯



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় হিজল বিলের বিষবেদে সম্প্রদায়, মনসা মঙ্গল লোককথা, প্রেম ও সংস্কার
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার

বিষয়বস্তু

উপন্যাসে ভাগীরথীর কোল ঘেষে হিজল বিলের শ্বাপদসংকুল পরিবেশ বর্ণিত হয়েছে, যেখানে সাপের আধিপত্য সর্বোচ্চ এবং বেদেরা (বিষবৈদ্য) সেই অভয়ারণ্যে বাস করে সাপের বিষ সংগ্রহ ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। চাঁদ সওদাগরের অভিশাপে নির্বাসিত এই সম্প্রদায়ের জীবনাচার, মূল্যবোধ ও অনুভূতি যুক্তিহীন সংস্কার ও অলৌকিকতায় পরিচালিত। নাগিনী কন্যার কাহিনি এই বিষবৈদ্যদের রক্তমাংসের জীবনকে পান্ডববর্জিত বনের রঙিন চিত্রায়নে উত্তোলিত করেছে।


চরিত্র ও কাহিনিবিন্যাস

কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে পিঙ্গলা—যাকে সমাজ নাগিনী কন্যা হিসেবে চিহ্নিত করে। তার ট্র্যাজেডি, অবদমিত কামনাবাসনা এবং ওঝা শিবরামের তান্ত্রিকতা উপন্যাসটিকে গতি দিয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, তারাশঙ্কর এখানে হিজল বিলের পরিবেশ এবং বেদে সমাজের সমষ্টিগত জীবনচিত্র আঁকতে যতটা সফল হয়েছেন, ব্যক্তি চরিত্রগুলোর মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা দানে ততটা যত্নবান ছিলেন না।

আরও দেখুন

সূত্র

বহিঃসংযোগ