বিষয়বস্তুতে চলুন

দ্য ইউনিভার্স ইন আ নাটশেল

বইপিডিয়া থেকে
ARI (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১৪:১৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

দ্য ইউনিভার্স ইন আ নাটশেল স্টিফেন হকিং-এর ২০০১ সালে প্রকাশিত জনপ্রিয় বিজ্ঞান বই, যা এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম-এর ধারাবাহিকী হিসেবে রচিত এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জটিল ধারণা সাধারণ পাঠকের জন্য ব্যাখ্যা করে। এতে এম-থিওরি, সুপারস্ট্রিং, ব্ল্যাক হোল ও মাল্টিভার্স নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

দ্য ইউনিভার্স ইন আ নাটশেল
নাম দ্য ইউনিভার্স ইন আ নাটশেল
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক স্টিফেন হকিং


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক বান্টাম বুকস্
প্রকাশনার স্থান যুক্তরাজ্য
প্রকাশনার তারিখ ২০০১
আইএসবিএন 978-0553802023


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা ইংরেজি
বিষয় কোয়ান্টাম মেকানিক্স, সাধারণ আপেক্ষিকতা, এম-থিওরি, কৃষ্ণগহ্বর
মিডিয়া ধরন জনপ্রিয় বিজ্ঞান
পৃষ্ঠাসংখ্যা ২২৪

দ্য ইউনিভার্স ইন আ নাটশেল (ইংরেজি: The Universe in a Nutshell) বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের দ্বিতীয় বড় জনপ্রিয় বিজ্ঞান গ্রন্থ, যা ২০০১ সালে প্রকাশিত হয়। সাতটি অধ্যায়ে বিভক্ত এটি আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, সুপারস্ট্রিং থিওরি ও এম-থিওরির মাধ্যমে বিশ্বের রহস্য উন্মোচন করে।

বিষয়বস্তু

প্রথম অধ্যায়ে আপেক্ষিকতার ইতিহাস, দ্বিতীয় অধ্যায়ে সময়ের আকৃতি, তৃতীয় অধ্যায়ে বিশ্বের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। চতুর্থ অধ্যায়ে ভবিষ্যৎ ভবিষ্যদ্বাণী, পঞ্চম অধ্যায়ে অতীত রক্ষা। ষষ্ঠ অধ্যায়ে মানব ভবিষ্যৎ (স্টার ট্রেক বা ধ্বংস), সপ্তম অধ্যায়ে ব্রেন ও হোলোগ্রাফিক নীলিমা। হকিং লক্ষ্য করেছেন আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা ও ফাইনম্যানের মাল্টিপল হিস্ট্রি ধারণাকে একীভূত করা।

সাহিত্যিক গুরুত্ব

হকিং-এর সরলীকৃত ব্যাখ্যায় জটিল বিজ্ঞান সবার জন্য উপলব্ধ হয়েছে। এম-থিওরি, পি-ব্রেন, ১১ মাত্রার সুপারগ্র্যাভিটি নিয়ে আলোচনা বিজ্ঞানের সীমান্ত দেখায়। চিত্রসহ প্রকাশিত এটি আগের বইয়ের চেয়ে সহজবোধ্য।

সূত্র

বহিঃসংযোগ