চৈতালি ঘূর্ণি

Md Joni Hossain (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০৮:২৫, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ (Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে ARI-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

চৈতালী-ঘূর্ণি হলো বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। ১৯৩১ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। গ্রামীণ সমাজের অবক্ষয় এবং শোষিত মানুষের জেগে ওঠার আখ্যান হিসেবে এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

চৈতালী-ঘূর্ণি
নাম চৈতালী-ঘূর্ণি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক কবি প্রকাশনী
প্রকাশনার স্থান বাংলাদেশ
প্রকাশনার তারিখ ২০২৩ (প্রথম প্রকাশ ১৯৩১)
আইএসবিএন 9789849687160


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় গ্রামীণ সমাজ, সামন্ততন্ত্র, রাজনৈতিক চেতনা, সামাজিক ভাঙন
মিডিয়া ধরন মুদ্রিত বই
পৃষ্ঠাসংখ্যা ৯৬

পটভূমি ও ইতিহাস

উপন্যাসটির বীজ নিহিত ছিল ১৯২৮ সালে সচিত্র কালিকলম পত্রিকায় প্রকাশিত তারাশঙ্কর শ্মশানের পথে নামক একটি ছোটগল্পে। পরবর্তীতে লেখক সেটিকে উপন্যাসের রূপ দেন। ব্রিটিশ বিরোধী আইন অমান্য আন্দোলনে অংশ নিয়ে কারাবরণ করার সময় তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এই উপন্যাসের প্লটটি চিন্তা করেছিলেন এবং জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এটি রচনা করেন। এই উপন্যাসের মাধ্যমেই তারাশঙ্কর তাঁর নিজস্ব সাহিত্যিক স্বর খুঁজে পান।

বিষয়বস্তু

চৈতালী-ঘূর্ণি উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজকাঠামোর ভাঙন এবং দরিদ্র মানুষের জীবনসংগ্রাম অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। এর মূল কেন্দ্রে রয়েছে চাষি গোষ্ঠ ও তার স্ত্রী দামিনীর করুণ জীবনগাথা। অভাবের তাড়নায় গ্রাম ছেড়ে শহরে আসা এবং কলকারখানার শ্রমিক হিসেবে মানবেতর জীবন যাপন করার বাস্তব চিত্র এখানে অঙ্কিত হয়েছে। উপন্যাসে গান্ধীবাদী সুরেন ও শিবকালীর অনুপ্রেরণায় শ্রমিকদের ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা এবং শোষকের বিরুদ্ধে শোষিতের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র

  • গোষ্ঠ (প্রধান চরিত্র, শোষিত কৃষক ও শ্রমিক)
  • দামিনী (গোষ্ঠর স্ত্রী)
  • সুরেন ও শিবকালী (আদর্শবাদী চরিত্র)

আরও দেখুন

বহিঃসংযোগ

সূত্র