মেঘনাদবধ কাব্য: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
"{{তথ্যছক বই | নাম = মেঘনাদবধ কাব্য | লেখক = মাইকেল মধুসূদন দত্ত | প্রকাশনার স্থান = ভারত (কলকাতা) | ভাষা = বাংলা | বিষয় = ট্র্যাজিক মহাকাব্য, রাবণের দৃষ্টিকোণ, বীররস, কারুণ্যরস | প্র..." দিয়ে পাতা তৈরি |
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
{{তথ্যছক বই | {{তথ্যছক বই | ||
| নাম = মেঘনাদবধ কাব্য | | নাম = মেঘনাদবধ কাব্য | ||
| চিত্র = মেঘনাদবধ কাব্য.pdf | |||
| চিত্রের_ক্যাপশন = মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ | |||
| লেখক = [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত]] | | লেখক = [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত]] | ||
| প্রকাশনার স্থান = ভারত (কলকাতা) | | প্রকাশনার স্থান = ভারত (কলকাতা) | ||
| ১৮ নং লাইন: | ২০ নং লাইন: | ||
== সাহিত্যিক গুরুত্ব == | == সাহিত্যিক গুরুত্ব == | ||
''মেঘনাদবধ কাব্য'' বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য ক্লাসিক্যাল মহাকাব্যের প্রভাব এনে মিলটনের '''Paradise Lost'''-এর মতো পরাজিত পক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে ট্র্যাজেডি রচনার নবীনতা যোগ করে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ, বিশ্বকাব্যের উপাদান (হোমার, ভার্জিল, মিলটনের প্রভাব) এবং রাবণ-মেঘনাদকে নায়ক করে তোলার সাহসী প্রচেষ্টা এর বিশেষত্ব।[ | ''মেঘনাদবধ কাব্য'' বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য ক্লাসিক্যাল মহাকাব্যের প্রভাব এনে মিলটনের '''Paradise Lost'''-এর মতো পরাজিত পক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে ট্র্যাজেডি রচনার নবীনতা যোগ করে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ, বিশ্বকাব্যের উপাদান (হোমার, ভার্জিল, মিলটনের প্রভাব) এবং রাবণ-মেঘনাদকে নায়ক করে তোলার সাহসী প্রচেষ্টা এর বিশেষত্ব। [[স্বামী বিবেকানন্দ]] এটিকে "বাংলা ভাষার মুকুটমণি" বলেছেন। | ||
== চরিত্রসমূহ == | == চরিত্রসমূহ == | ||