বিষয়বস্তুতে চলুন

ধূসর পাণ্ডুলিপি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে ARI-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
সম্পাদনা সারাংশ নেই
৬ নং লাইন: ৬ নং লাইন:
| প্রকাশনার স্থান            = ভারত (অবিভক্ত বাংলা)
| প্রকাশনার স্থান            = ভারত (অবিভক্ত বাংলা)
| ভাষা            = বাংলা
| ভাষা            = বাংলা
| ধরন            = কাব্যগ্রন্থ
| মিডিয়া ধরন = হার্ডকভার
|মিডিয়া ধরন = হার্ডকভার
| বিষয়            = আধুনিকতা, নিঃসঙ্গতা, প্রকৃতি, মৃত্যুচেতনা
| বিষয়            = আধুনিকতা, নিঃসঙ্গতা, প্রকৃতি, মৃত্যুচেতনা
| উৎসর্গ          = [[বুদ্ধদেব বসু]]
| প্রকাশক        = [[ডি. এম. লাইব্রেরি]]
| প্রকাশক        = ডি. এম. লাইব্রেরি
| প্রকাশনার তারিখ    = ১৯৩৬ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ)
| প্রকাশনার তারিখ    = ১৯৩৬ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ)
| পৃষ্ঠাসংখ্যা          = 108
| পৃষ্ঠাসংখ্যা          = 108
৪৩ নং লাইন: ৪১ নং লাইন:


== সূত্র ==
== সূত্র ==
<references/>
{{সূত্র তালিকা}}
[[বিষয়শ্রেণী:জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কাব্যগ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কাব্যগ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৬-এর বই]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৬-এর বই]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবনানন্দ দাশ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ডি. এম. লাইব্রেরি]]

২৩:৩০, ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

ধূসর পান্ডুলিপি
নাম ধূসর পান্ডুলিপি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক জীবনানন্দ দাশ


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ডি. এম. লাইব্রেরি
প্রকাশনার স্থান ভারত (অবিভক্ত বাংলা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯৩৬ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ)
আইএসবিএন 9789391483579


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় আধুনিকতা, নিঃসঙ্গতা, প্রকৃতি, মৃত্যুচেতনা
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার
পৃষ্ঠাসংখ্যা 108

ধূসর পান্ডুলিপি হল আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পথিকৃৎ জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ১৯৩৬ সালে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র-পরবর্তী আধুনিকতার স্পষ্ট স্বাক্ষর বহন করে। এই গ্রন্থের কবিতাগুলিতে কবির নিজস্ব চিত্রকল্পময়তা এবং পরাবাস্তববাদী ভাবনার প্রথম সার্থক প্রকাশ ঘটে।

বিষয়বস্তু

'ধূসর পান্ডুলিপি'-র কবিতাগুলোতে নাগরিক জীবনের ক্লান্তি, হতাশা, একাকীত্ব এবং প্রকৃতির এক রুক্ষ অথচ মোহময় রূপ ফুটে উঠেছে। এতে প্রেম এসেছে, তবে তা রোমান্টিক উচ্ছ্বাস হিসেবে নয়, বরং বিষাদ ও শূন্যতার অনুষঙ্গ হিসেবে। কবি এখানে জীবনের গভীরতম 'বোধ'-এর অনুসন্ধান করেছেন। বইটির নামকরণের মধ্যেই এক ধরণের অস্পষ্টতা, প্রাচীনত্ব এবং বিষণ্ণতার ইঙ্গিত রয়েছে, যা সমগ্র গ্রন্থের মেজাজকে ধারণ করে।

প্রকাশনা ইতিহাস

জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত এটি তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ (প্রথমটি ছিল 'ঝরা পালক')। ১৯৩৬ সালে কলকাতার 'ডি. এম. লাইব্রেরি' থেকে এটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি কবি আধুনিক বাংলা কবিতার আরেক পুরোধা ব্যক্তিত্ব বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করেছিলেন। প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেছিলেন জীবনানন্দ দাশ নিজেই।

উল্লেখযোগ্য কবিতা

এই কাব্যগ্রন্থে বেশ কিছু কালজয়ী কবিতা সংকলিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

  • বোধ
  • ক্যাম্পে
  • মৃত্যুর আগে
  • পাখিরা
  • অবসরের গান
  • কয়েকজন

প্রভাব ও মূল্যায়ন

বাংলা সাহিত্যে 'ধূসর পান্ডুলিপি' একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। রবীন্দ্র-প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে এসে জীবনানন্দ যে নিজস্ব কাব্যভাষা তৈরি করছিলেন, এই গ্রন্থে তা পূর্ণতা পায়। সমালোচকদের মতে, এই কাব্যের মাধ্যমেই জীবনানন্দ 'চিত্ররূপময়' কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। তৎকালীন রক্ষণশীল সমালোচকদের দ্বারা এর কিছু কবিতা (যেমন: ক্যাম্পে) অশ্লীলতার অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও, পরবর্তীতে এটি আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

আরও দেখুন

জীবনানন্দ দাশ বনলতা সেন (কাব্যগ্রন্থ) কল্লোল যুগ

বহিঃসংযোগ

ধূসর পান্ডুলিপি - বাতিঘর

সূত্র