বিষয়বস্তুতে চলুন

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদান্ত: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
"'''হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদান্ত''' (মূল ইংরেজি বইটির নাম: বেদান্ত ফিলোজফি: অ্যান অ্যাড্রেস বিফোর দ্য গ্র্যাজুয়েট ফিলোজফিক্যাল সোসাইটি) স্বামী বিবেকানন্দের একটি বক্..." দিয়ে পাতা তৈরি
 
সম্পাদনা সারাংশ নেই
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{তথ্যছক বই
| বইয়ের নাম =
| লেখক =
|প্রকাশনার স্থান = বাংলাদেশ
| ভাষা = বাংলা
| প্রকাশনার তারিখ =
| বিষয় =
|পৃষ্ঠাসংখ্যা =
|আইএসবিএন =
}}
'''হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদান্ত''' (মূল ইংরেজি বইটির নাম: বেদান্ত ফিলোজফি: অ্যান অ্যাড্রেস বিফোর দ্য গ্র্যাজুয়েট ফিলোজফিক্যাল সোসাইটি) স্বামী বিবেকানন্দের একটি বক্তৃতা-সংকলন বই। মূল বক্তৃতাটি ১৮৯৬ সালের ২৫ মার্চ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ফিলোজফিক্যাল সোসাইটিতে দেওয়া হয়। এই বক্তৃতার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিবেকানন্দকে প্রাচ্য দর্শনের চেয়ারটি দিতে চেয়েছিল
'''হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদান্ত''' (মূল ইংরেজি বইটির নাম: বেদান্ত ফিলোজফি: অ্যান অ্যাড্রেস বিফোর দ্য গ্র্যাজুয়েট ফিলোজফিক্যাল সোসাইটি) স্বামী বিবেকানন্দের একটি বক্তৃতা-সংকলন বই। মূল বক্তৃতাটি ১৮৯৬ সালের ২৫ মার্চ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ফিলোজফিক্যাল সোসাইটিতে দেওয়া হয়। এই বক্তৃতার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিবেকানন্দকে প্রাচ্য দর্শনের চেয়ারটি দিতে চেয়েছিল

১৪:২৬, ৩১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

নাম




প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশনার স্থান বাংলাদেশ



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা


হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদান্ত (মূল ইংরেজি বইটির নাম: বেদান্ত ফিলোজফি: অ্যান অ্যাড্রেস বিফোর দ্য গ্র্যাজুয়েট ফিলোজফিক্যাল সোসাইটি) স্বামী বিবেকানন্দের একটি বক্তৃতা-সংকলন বই। মূল বক্তৃতাটি ১৮৯৬ সালের ২৫ মার্চ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ফিলোজফিক্যাল সোসাইটিতে দেওয়া হয়। এই বক্তৃতার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিবেকানন্দকে প্রাচ্য দর্শনের চেয়ারটি দিতে চেয়েছিল