আরোগ্য: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অবয়ব
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
{{তথ্যছক বই | {{তথ্যছক বই | ||
| | | বইয়ের নাম = আরোগ্য | ||
| image = আরোগ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu{{!}}page=2 | | image = আরোগ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu{{!}}page=2 | ||
| image_size = | | image_size = | ||
| border = | | border = | ||
| alt = | | alt = | ||
| | | লেখক = [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] | ||
| | | প্রকাশনার স্থান = | ||
| | | ভাষা = [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] | ||
| | | বিষয় = [[কবিতা]] | ||
| | | প্রকাশনার তারিখ = ১৯৪১ | ||
}} | }} | ||
'''আরোগ্য''' হল [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] কর্ত্তৃক রচিত একটি [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] কাব্যগ্রন্থ।<ref name=":0">বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, ড. দুলাল চক্রবর্তী, জুলাই - ২০০৭, বাণী বিতান।</ref><ref name=":1">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.poetryfoundation.org/poets/rabindranath-tagore|শিরোনাম=Rabindranath Tagore|শেষাংশ=Foundation|প্রথমাংশ=Poetry|তারিখ=2020-07-20|ওয়েবসাইট=Poetry Foundation|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=2020-07-20}}</ref> এটি ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।<ref name=":0" /><ref name=":1" /> এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য রচনার "অন্ত্যপর্ব"-এর অন্তর্গত একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।<ref name=":0" /> | '''আরোগ্য''' হল [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] কর্ত্তৃক রচিত একটি [[বাংলা ভাষা|বাংলা]] কাব্যগ্রন্থ।<ref name=":0">বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, ড. দুলাল চক্রবর্তী, জুলাই - ২০০৭, বাণী বিতান।</ref><ref name=":1">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.poetryfoundation.org/poets/rabindranath-tagore|শিরোনাম=Rabindranath Tagore|শেষাংশ=Foundation|প্রথমাংশ=Poetry|তারিখ=2020-07-20|ওয়েবসাইট=Poetry Foundation|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=2020-07-20}}</ref> এটি ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।<ref name=":0" /><ref name=":1" /> এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য রচনার "অন্ত্যপর্ব"-এর অন্তর্গত একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।<ref name=":0" /> | ||
০৯:৩৬, ২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
আরোগ্য হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্ত্তৃক রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ।[১][২] এটি ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।[১][২] এটি রবীন্দ্রনাথের কাব্য রচনার "অন্ত্যপর্ব"-এর অন্তর্গত একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।[১]
কবিতার তালিকা
"আরোগ্য" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতাগুলি হল:[৩]
- উৎসর্গ (বহু লোক এসেছিল জীবনের প্রথম প্রভাতে)
- এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর ধূলি
- পরম সুন্দর
- নির্জন রোগীর ঘর
- ঘণ্টা বাজে দূরে
- মুক্ত বাতায়নপ্রান্তে জনশূন্য ঘরে
- অতি দূরে আকাশের সুকুমার পান্ডুর নীলিমা
- হিংস্র রাত্রি আসে চুপে চুপে
- একা ব'সে সংসারের প্রান্ত-জানালায়
- বিরাট সৃষ্টির ক্ষেত্রে
- অলস সময় ধারা বেয়ে
- পলাশ আনন্দমূর্তি জীবনের ফাল্গুনদিনের
- দ্বার খোলা ছিল মনে, অসতর্কে সেথা অকস্মাৎ
- ভালোবাসা এসেছিল একদিন তরুণ বয়সে
- প্রত্যহ প্রভাতকালে ভক্ত এ কুকুর
- খ্যাতি নিন্দা পার হয়ে জীবনের এসেছি প্রদোষে
- দিন পরে যায় দিন স্তব্ধ বসে থাকি
- যখন এ দেহ হতে রোগে ও জরায়
- ফসল কাটা হলে সারা মাঠ হয়ে যায় ফাঁক
- দিদিমণি
- বিশুদাদা
- চিরদিন আছি আমি অকেজোর দলে
- নগাধিরাজের দূর নেবু-নিকুঞ্জের
- নারী তুমি ধন্যা
- অলস শয্যার পাশে জীবন মন্থরগতি চলে
- বিরাট মানবচিত্তে
- এ-কথা সে-কথা মনে আসে
- বাক্যের যে ছন্দোজাল শিখেছি গাঁথিতে
- মিলের চুমকি গাঁথি ছন্দের পাড়ের মাঝে মাঝে
- এ জীবনে সুন্দরের পেয়েছি মধুর আশীর্বাদ
- ক্ষণে ক্ষণে মনে হয় যাবার সময় বুঝি এল
- ধীরে সন্ধ্যা আসে, একে একে গ্রন্থি যত যায় স্খলি
- আলোকের অন্তরে যে আনন্দের পরশন পাই
- এ আমির আবরণ সহজে স্খলিত হয়ে যাক
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
বাংলা ভাষার উইকিসংকলনে এই নিবন্ধ বা অনুচ্ছেদ সম্পর্কিত মৌলিক রচনা রয়েছে: আরোগ্য