গীতাঞ্জলি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
১৪ নং লাইন: ১৪ নং লাইন:
}}
}}


'''গীতাঞ্জলি''' (সংস্কৃত: 'গান-অঞ্জলি' অর্থাৎ গানের উপহার) হল বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এই বইয়ে ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। এটি ১৯১০ সালে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হয় এবং পরে রবীন্দ্রনাথ নিজেই ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। ইংরেজি গীতাঞ্জলি ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়।
'''গীতাঞ্জলি''' (সংস্কৃত: 'গান-অঞ্জলি' অর্থাৎ গানের উপহার) হল বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এই বইয়ে ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। কবিতাগুলি ব্রাহ্ম-ভাবাপন্ন মরমী ধরনের রচনা। এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে [[নোবেল পুরস্কার|সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। এটি ছিল ভারত তথা এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার।
 
রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে [[নোবেল পুরস্কার|সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। এটি ছিল ভারত তথা এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার।


== বিষয়বস্তু ==
== বিষয়বস্তু ==
২২ নং লাইন: ২০ নং লাইন:


== প্রকাশনা ইতিহাস ==
== প্রকাশনা ইতিহাস ==
গীতাঞ্জলি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে, কলকাতা থেকে। পরে কবি নিজেই কয়েকটি কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। ইংরেজি সংকলনটি ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয় এবং পশ্চিমা বিশ্বে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
১৯০৮-০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১০ সালে কলকাতা থেকে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত। পরে কবি নিজেই কয়েকটি কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। ইংরেজি সংকলনটি ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয় এবং পশ্চিমা বিশ্বে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
 
== নোবেল পুরস্কার ==
== নোবেল পুরস্কার ==
১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "গীতাঞ্জলি"র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি বাংলা ভাষা ও ভারতীয় সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তোলে।
১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "গীতাঞ্জলি"র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি বাংলা ভাষা ও ভারতীয় সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তোলে।