মিশন ইসলাম (দাওয়াহ সংস্করণ): সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
Musunny.95 (আলোচনা | অবদান) BoipediaBot: স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধ তৈরি |
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| ৯ নং লাইন: | ৯ নং লাইন: | ||
|আইএসবিএন= | |আইএসবিএন= | ||
}} | }} | ||
'''মিশন ইসলাম (দাওয়াহ সংস্করণ)''' লেখক ডা. [[শামসুল আরেফীন]] এর লেখা একটি উল্লেখযোগ্য বই। বইটি ২০২৩ সালে সন্দীপন প্রকাশন লিমিটেড কর্তৃক প্রকাশিত হয়। ১৬০ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থটি ইসলামের দাওয়াহ বা ধর্মপ্রচারের গুরুত্ব, পদ্ধতি এবং অনুপ্রেরণার উপর আলোকপাত করে রচিত হয়েছে। | |||
'''মিশন ইসলাম (দাওয়াহ সংস্করণ)''' লেখক ডা. শামসুল আরেফীন | |||
==পটভূমি ও বিষয়বস্তু== | ==পটভূমি ও বিষয়বস্তু== | ||
১৯:৪১, ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
মিশন ইসলাম (দাওয়াহ সংস্করণ) লেখক ডা. শামসুল আরেফীন এর লেখা একটি উল্লেখযোগ্য বই। বইটি ২০২৩ সালে সন্দীপন প্রকাশন লিমিটেড কর্তৃক প্রকাশিত হয়। ১৬০ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থটি ইসলামের দাওয়াহ বা ধর্মপ্রচারের গুরুত্ব, পদ্ধতি এবং অনুপ্রেরণার উপর আলোকপাত করে রচিত হয়েছে।
পটভূমি ও বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বইটির মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে মদিনার একটি ঘটনার বিবরণকে ব্যবহার করা হয়েছে। এই ঘটনায় নবীজি মুহাম্মদ (সা.) জিহাদের সফর থেকে ফিরে এসে কন্যা ফাতেমার সাথে দেখা করেন। ফাতেমা তাঁর বাবার মলিন অবস্থা দেখে কাঁদতে থাকলে, নবীজি তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন যে, আল্লাহ তাঁকে এমন দ্বীন দিয়ে পাঠিয়েছেন যা একদিন পৃথিবীর প্রতিটি কাঁচা-পাকা ঘর এবং পশমের তাঁবুতে প্রবেশ করবে। যারা তা গ্রহণ করবে, তারা সম্মানিত হবে এবং যারা গ্রহণ করবে না, তারা অসম্মানিত হবে। এই নববণীকে লেখক ইসলামের বিশ্বব্যাপী প্রচারের আকাঙ্ক্ষা হিসেবে তুলে ধরেছেন।
"মিশন ইসলাম (দাওয়াহ সংস্করণ)" গ্রন্থের প্রধান বিষয়বস্তু হলো পাঠককে ইসলামের দাওয়াহ কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য অনুপ্রাণিত করা। লেখক তাঁর বইয়ে বিভিন্ন ব্যবহারিক পন্থা ও ধারণা উপস্থাপন করেছেন, যা থেকে একজন পাঠক তার পছন্দসই একটি কাজ বেছে নিয়ে ইসলামের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। বইটির লক্ষ্য হলো, নবীজির এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করা এবং ইসলামকে প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি মিশন শুরু করা। এর মাধ্যমে ইসলামের মৌলিক বার্তা সহজ ও বোধগম্য উপায়ে মানুষের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
ডা. শামসুল আরেফীন পেশাগত জীবনে একজন সরকারি চাকরিজীবী ও চিকিৎসক হলেও ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা ও লেখালেখির জন্য জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। তিনি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তার অন্যান্য জনপ্রিয় বইয়ের মধ্যে 'কষ্টিপাথর', 'ডাবল স্ট্যান্ডার্ড' ও 'মানসাঙ্ক' উল্লেখযোগ্য। তার লেখায় ইসলামি মতবাদ ও আদর্শ প্রকাশের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের যৌক্তিক ব্যাখ্যা এবং ইসলামের বিরুদ্ধে আসা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এই বইটিও তার সেই ধারাবাহিকতারই অংশ, যেখানে তাত্ত্বিক আলোচনার পরিবর্তে ইসলামের দাওয়াহ কার্যক্রমকে বাস্তব জীবনে কিভাবে ফলপ্রসূ করা যায়, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তার লেখায় সৃষ্টিকর্তার প্রদত্ত সমাধানের দিকে ফিরে আসার যে মূল বার্তা থাকে, এই বইয়েও তার প্রতিধ্বনি শোনা যায়, তবে এক্ষেত্রে দাওয়াহকে প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে।