বিষয়বস্তুতে চলুন

দ্বীনে ফেরার পর হারিয়ে যেয়ো না: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
Musunny.95 (আলোচনা | অবদান)
BoipediaBot: স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধ তৈরি
 
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
৮ নং লাইন: ৮ নং লাইন:
}}
}}


'''দ্বীনে ফেরার পর হারিয়ে যেয়ো না''' ডা. শামসুল আরেফীন, শরীফ আবু হায়াত অপু, আবদুল্লাহ আল মাসউদ এবং মুহাম্মাদ আম্মারুল হক-এর যৌথভাবে লেখা একটি ইসলামি গ্রন্থ। চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই বইটি মূলত মুসলিমদের হেদায়েত প্রাপ্তির পর দ্বীনের ওপর অবিচল থাকা এবং ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ফেতনার এই সময়ে কীভাবে আল্লাহর পথে অটল থাকা যায় এবং শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচা যায়, সে বিষয়ে এতে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।
'''দ্বীনে ফেরার পর হারিয়ে যেয়ো না''' ডা. [[শামসুল আরেফীন]], [[শরীফ আবু হায়াত অপু]], আবদুল্লাহ আল মাসউদ এবং মুহাম্মাদ আম্মারুল হক এর যৌথভাবে লেখা একটি ইসলামি গ্রন্থ। চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই বইটি মূলত মুসলিমদের হেদায়েত প্রাপ্তির পর দ্বীনের ওপর অবিচল থাকা এবং ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ফেতনার এই সময়ে কীভাবে আল্লাহর পথে অটল থাকা যায় এবং শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচা যায়, সে বিষয়ে এতে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।


==পটভূমি ও বিষয়বস্তু==
==পটভূমি ও বিষয়বস্তু==

১৯:৪৫, ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

দ্বীনে ফেরার পর হারিয়ে যেয়ো না
নাম দ্বীনে ফেরার পর হারিয়ে যেয়ো না
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক ডা. শামসুল আরেফীন ,  শরীফ আবু হায়াত অপু ,  আবদুল্লাহ আল মাসউদ ,  মুহাম্মাদ আম্মারুল হক


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক চেতনা প্রকাশন




বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা


পৃষ্ঠাসংখ্যা 128

দ্বীনে ফেরার পর হারিয়ে যেয়ো না ডা. শামসুল আরেফীন, শরীফ আবু হায়াত অপু, আবদুল্লাহ আল মাসউদ এবং মুহাম্মাদ আম্মারুল হক এর যৌথভাবে লেখা একটি ইসলামি গ্রন্থ। চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই বইটি মূলত মুসলিমদের হেদায়েত প্রাপ্তির পর দ্বীনের ওপর অবিচল থাকা এবং ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ফেতনার এই সময়ে কীভাবে আল্লাহর পথে অটল থাকা যায় এবং শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচা যায়, সে বিষয়ে এতে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।

পটভূমি ও বিষয়বস্তু

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো হেদায়াত বা আল্লাহর পথে সঠিক দিকনির্দেশনা লাভ করার পর সেই পথে অবিচল থাকা। এতে বলা হয়েছে যে, হেদায়াত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অমূল্য নেয়ামত, যা মানুষ নিজ ইচ্ছায় অর্জন করতে পারে না, বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন তাকেই দান করেন। তবে হেদায়াত লাভ করা যেমন কঠিন, বিশেষত বর্তমান ফেতনার যুগে এর উপর অবিচল থাকা আরও বেশি কঠিন।

বইটিতে এমন অনেক ব্যক্তির বাস্তবতার কথা তুলে ধরা হয়েছে, যারা একসময় দ্বীনের পথে ফিরে এসেছেন – পুরুষরা শরিয়ত মোতাবেক জীবনযাপন শুরু করেছেন এবং নারীরা নামাজ, রোজা, হিজাব পালনের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে শয়তানের ধোঁকায় বা অন্য কোনো কারণে তারা আবার ভুল পথে হারিয়ে গেছেন। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার পেছনে কী কী কারণ কাজ করে, এবং কীভাবে এই পথচ্যুতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, সে বিষয়গুলোই এই গ্রন্থে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

গ্রন্থটির লেখকরা হেদায়েত প্রাপ্তির পর মানুষের পথচ্যুত হওয়ার বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। ব্যক্তিগত দুর্বলতা, সামাজিক প্রভাব, শয়তানের কুমন্ত্রণা এবং জ্ঞানের অভাব—এমন নানা দিক থেকে বিচ্যুতি আসার কারণগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, দ্বীনের ওপর অটল থাকা এবং ঈমানের সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও আমল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বইটি মূলত মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি গাইড হিসেবে কাজ করতে চায়, যেন তারা হেদায়েত লাভের পর আর কখনো পথভ্রষ্ট না হন।