বিষয়বস্তুতে চলুন

শতাব্দীর মৃত্যু: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
"{{তথ্যছক বই | নাম = শতাব্দীর মৃত্যু | লেখক = তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় | প্রকাশনার স্থান = ভারত | ভাষা = বাংলা | বিষয় = গ্রামীণ সমাজ, সামন্ততন্ত্রের অবসান, সামাজিক রূপান্তর, মানব..." দিয়ে পাতা তৈরি
 
সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
৫ নং লাইন: ৫ নং লাইন:
| ভাষা = বাংলা
| ভাষা = বাংলা
| বিষয় = গ্রামীণ সমাজ, সামন্ততন্ত্রের অবসান, সামাজিক রূপান্তর, মানবজীবনের সংকট
| বিষয় = গ্রামীণ সমাজ, সামন্ততন্ত্রের অবসান, সামাজিক রূপান্তর, মানবজীবনের সংকট
| প্রকাশক = মিত্র ও ঘোষ
| প্রকাশক = [[মিত্র ও ঘোষ]]
| আইএসবিএন =
| আইএসবিএন =
| প্রকাশনার তারিখ = ১৯৪৪
| প্রকাশনার তারিখ = ১৯৪৪
৩৭ নং লাইন: ৩৭ নং লাইন:
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা গল্পগ্রন্থ]]  
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা গল্পগ্রন্থ]]  
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সাহিত্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সাহিত্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মিত্র ও ঘোষ]]

২২:৪৭, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

শতাব্দীর মৃত্যু
নাম শতাব্দীর মৃত্যু
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক মিত্র ও ঘোষ
প্রকাশনার স্থান ভারত
প্রকাশনার তারিখ ১৯৪৪



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় গ্রামীণ সমাজ, সামন্ততন্ত্রের অবসান, সামাজিক রূপান্তর, মানবজীবনের সংকট
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার

শতাব্দীর মৃত্যু বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে গ্রামীণ বাংলার আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এটি রচিত। তারাশঙ্করের লেখনীতে এই গ্রন্থে উঠে এসেছে এক ক্ষয়িষ্ণু সমাজের চিত্র, যেখানে পুরনো মূল্যবোধের বিদায় এবং নতুন যুগের পদধ্বনি স্পষ্ট।

শতাব্দীর মৃত্যু গল্পগ্রন্থে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানত সামন্ততান্ত্রিক সমাজের পতন এবং এর বিপরীতে সাধারণ মানুষের টিকে থাকার সংগ্রামকে চিত্রিত করেছেন। এই গ্রন্থের গল্পগুলিতে দেখা যায় কীভাবে সময়ের আবর্তে পুরনো আভিজাত্য ম্লান হয়ে যাচ্ছে এবং আধুনিকতার চাপে গ্রামীণ সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন আভিজাত্যের দম্ভ ও তার করুণ পরিণতি আছে, অন্যদিকে আছে সাধারণ মানুষের জীবনবোধ ও মন্বন্তর-পরবর্তী বাংলার রুক্ষ বাস্তব।

সাহিত্যিক গুরুত্ব

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

এই গ্রন্থটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনদর্শনের এক অনন্য দলিল। রাঢ় বাংলার মাটি ও মানুষের সাথে তাঁর যে নিবিড় যোগসূত্র, তা এই গল্পগুলোর পরতে পরতে অনুমিত হয়। শতাব্দীর পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে একজন মানুষের মানসিক দ্বন্দ্ব এবং সামাজিক বিবর্তনকে তিনি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।