বিষয়বস্তুতে চলুন
🎉 বইপিডিয়ার ১ বছর পূর্তি! · আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন.

ধূসর পাণ্ডুলিপি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
'''ধূসর পাণ্ডুলিপি''' হল [[জীবনানন্দ দাশ]] কর্ত্তৃক রচিত একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ।
{{তথ্যছক বই
{{তথ্যছক বই
|বইয়ের নাম= ধূসর পাণ্ডুলিপি
| নাম             = ধূসর পান্ডুলিপি
|লেখক= জীবনানন্দ দাশ
| চিত্র            = Dhusar_Pandulipi_Cover.jpg
|প্রকাশনার স্থান= কলকাতা
| চিত্রের_ক্যাপশন = প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
|ভাষা= বাংলা
| লেখক           = [[জীবনানন্দ দাশ]]
|বিষয়=
| দেশ            = ভারত (অবিভক্ত বাংলা)
|প্রকাশক= আনন্দ পাবলিশার্স
| ভাষা           = বাংলা
|আইএসবিএন= 9789350400425
| ধরন            = কাব্যগ্রন্থ
|প্রকাশনার তারিখ= ১ জানুয়ারি ২০১৫
| বিষয়           = আধুনিকতা, নিঃসঙ্গতা, প্রকৃতি, মৃত্যুচেতনা
|মিডিয়া ধরন=
| উৎসর্গ          = [[বুদ্ধদেব বসু]]
|পৃষ্ঠাসংখ্যা= ১১৫
| প্রকাশক        = ডি. এম. লাইব্রেরি
}}
| প্রকাশিত_বছর    = ১৯৩৬ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ)
| পৃষ্ঠা          = ১৬২ (প্রথম সংস্করণ)
| আইএসবিএন        = }}
 
'''ধূসর পান্ডুলিপি''' হল আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পথিকৃৎ [[জীবনানন্দ দাশ]] রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ১৯৩৬ সালে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র-পরবর্তী আধুনিকতার স্পষ্ট স্বাক্ষর বহন করে। এই গ্রন্থের কবিতাগুলিতে কবির নিজস্ব চিত্রকল্পময়তা এবং পরাবাস্তববাদী ভাবনার প্রথম সার্থক প্রকাশ ঘটে।
 
== বিষয়বস্তু ==
'ধূসর পান্ডুলিপি'-র কবিতাগুলোতে নাগরিক জীবনের ক্লান্তি, হতাশা, একাকীত্ব এবং প্রকৃতির এক রুক্ষ অথচ মোহময় রূপ ফুটে উঠেছে। এতে প্রেম এসেছে, তবে তা রোমান্টিক উচ্ছ্বাস হিসেবে নয়, বরং বিষাদ ও শূন্যতার অনুষঙ্গ হিসেবে। কবি এখানে জীবনের গভীরতম 'বোধ'-এর অনুসন্ধান করেছেন। বইটির নামকরণের মধ্যেই এক ধরণের অস্পষ্টতা, প্রাচীনত্ব এবং বিষণ্ণতার ইঙ্গিত রয়েছে, যা সমগ্র গ্রন্থের মেজাজকে ধারণ করে।
 
== প্রকাশনা ইতিহাস ==
জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত এটি তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ (প্রথমটি ছিল 'ঝরা পালক')। ১৯৩৬ সালে কলকাতার 'ডি. এম. লাইব্রেরি' থেকে এটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি কবি আধুনিক বাংলা কবিতার আরেক পুরোধা ব্যক্তিত্ব [[বুদ্ধদেব বসু]]কে উৎসর্গ করেছিলেন। প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেছিলেন জীবনানন্দ দাশ নিজেই।
 
== উল্লেখযোগ্য কবিতা ==
এই কাব্যগ্রন্থে বেশ কিছু কালজয়ী কবিতা সংকলিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
* বোধ
* ক্যাম্পে
* মৃত্যুর আগে
* পাখিরা
* অবসরের গান
* কয়েকজন
 
== প্রভাব ও মূল্যায়ন ==
বাংলা সাহিত্যে 'ধূসর পান্ডুলিপি' একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। রবীন্দ্র-প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে এসে জীবনানন্দ যে নিজস্ব কাব্যভাষা তৈরি করছিলেন, এই গ্রন্থে তা পূর্ণতা পায়। সমালোচকদের মতে, এই কাব্যের মাধ্যমেই জীবনানন্দ 'চিত্ররূপময়' কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। তৎকালীন রক্ষণশীল সমালোচকদের দ্বারা এর কিছু কবিতা (যেমন: ক্যাম্পে) অশ্লীলতার অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও, পরবর্তীতে এটি আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
 
== আরও দেখুন ==
[[জীবনানন্দ দাশ]]
[[বনলতা সেন (কাব্যগ্রন্থ)]]
[[কল্লোল যুগ]]
== বহিঃসংযোগ ==
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.anandapub.in/book-details/351 প্রকাশকের ওয়েবসাইট]
[https://www.milansagar.com/kobi/jibanananda/jibanananda_dhushar.html ধূসর পান্ডুলিপি - মিলনসাগর]
== তথ্যসূত্র ==
== সূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
<references/>
[[বিষয়শ্রেণী:জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কাব্যগ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৬-এর বই]]

০১:১২, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

ধূসর পান্ডুলিপি
চিত্র:Dhusar Pandulipi Cover.jpg
প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
নাম ধূসর পান্ডুলিপি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক জীবনানন্দ দাশ


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ডি. এম. লাইব্রেরি




বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় আধুনিকতা, নিঃসঙ্গতা, প্রকৃতি, মৃত্যুচেতনা


ধূসর পান্ডুলিপি হল আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম পথিকৃৎ জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ১৯৩৬ সালে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র-পরবর্তী আধুনিকতার স্পষ্ট স্বাক্ষর বহন করে। এই গ্রন্থের কবিতাগুলিতে কবির নিজস্ব চিত্রকল্পময়তা এবং পরাবাস্তববাদী ভাবনার প্রথম সার্থক প্রকাশ ঘটে।

বিষয়বস্তু

'ধূসর পান্ডুলিপি'-র কবিতাগুলোতে নাগরিক জীবনের ক্লান্তি, হতাশা, একাকীত্ব এবং প্রকৃতির এক রুক্ষ অথচ মোহময় রূপ ফুটে উঠেছে। এতে প্রেম এসেছে, তবে তা রোমান্টিক উচ্ছ্বাস হিসেবে নয়, বরং বিষাদ ও শূন্যতার অনুষঙ্গ হিসেবে। কবি এখানে জীবনের গভীরতম 'বোধ'-এর অনুসন্ধান করেছেন। বইটির নামকরণের মধ্যেই এক ধরণের অস্পষ্টতা, প্রাচীনত্ব এবং বিষণ্ণতার ইঙ্গিত রয়েছে, যা সমগ্র গ্রন্থের মেজাজকে ধারণ করে।

প্রকাশনা ইতিহাস

জীবনানন্দ দাশের জীবদ্দশায় প্রকাশিত এটি তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ (প্রথমটি ছিল 'ঝরা পালক')। ১৯৩৬ সালে কলকাতার 'ডি. এম. লাইব্রেরি' থেকে এটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি কবি আধুনিক বাংলা কবিতার আরেক পুরোধা ব্যক্তিত্ব বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করেছিলেন। প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেছিলেন জীবনানন্দ দাশ নিজেই।

উল্লেখযোগ্য কবিতা

এই কাব্যগ্রন্থে বেশ কিছু কালজয়ী কবিতা সংকলিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

  • বোধ
  • ক্যাম্পে
  • মৃত্যুর আগে
  • পাখিরা
  • অবসরের গান
  • কয়েকজন

প্রভাব ও মূল্যায়ন

বাংলা সাহিত্যে 'ধূসর পান্ডুলিপি' একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। রবীন্দ্র-প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে এসে জীবনানন্দ যে নিজস্ব কাব্যভাষা তৈরি করছিলেন, এই গ্রন্থে তা পূর্ণতা পায়। সমালোচকদের মতে, এই কাব্যের মাধ্যমেই জীবনানন্দ 'চিত্ররূপময়' কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। তৎকালীন রক্ষণশীল সমালোচকদের দ্বারা এর কিছু কবিতা (যেমন: ক্যাম্পে) অশ্লীলতার অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও, পরবর্তীতে এটি আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

আরও দেখুন

জীবনানন্দ দাশ বনলতা সেন (কাব্যগ্রন্থ) কল্লোল যুগ

বহিঃসংযোগ

ধূসর পান্ডুলিপি - মিলনসাগর

সূত্র