বিষয়বস্তুতে চলুন

একাত্তরের চিঠি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
২টি সংস্করণ আমদানি করা হয়েছে: পুরাতন উইকি থেকে আমদানি
 
(কোনও পার্থক্য নেই)

১৬:৪৩, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

একাত্তরের চিঠি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে লেখা ৮৬টি চিঠির একটি সংকলন।[] দৈনিক প্রথম আলোগ্রামীণফোনের উদ্যোগে চিঠিগুলো সংগ্রহ করা হয়। সংকলনটি প্রথম প্রকাশিত হয় চৈত্র ১৪১৫, মার্চ ২০০৯ এ। ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সালাউদ্দীন আহমদ ছিলেন সম্পাদনা পরিষদের সভাপতি। এছাড়া সম্পাদনা পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ হলেন- মেজর জেনারেল (অব.) আমিন আহম্মেদ চৌধুরী, রশীদ হায়দার, সেলিনা হোসেন এবংনাসির উদ্দীন ইউসুফ। কমিটিকে সহায়তা করেন সাজ্জাদ শরিফ, সাইফুল আজিম প্রমুখ। এছাড়া প্রথম একাত্তরের চিঠি সংগ্রহ করার ধারণা পোষণ করেন আমিনুল আকরাম।

প্রকাশ ইতিহাস

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

একাত্তরের চিঠি গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় প্রথমা প্রকাশন থেকে। কাইয়ুম চৌধুরী এর প্রচ্ছদ তৈরি করেন। গ্রন্থটি অলংকরণ করেন অশোক কর্মকার। সম্পাদনা পরিষদের পক্ষে এর ভূমিকা লেখেন সাহিত্যিক রশীদ হায়দার

একাত্তরের চিঠির প্রথম চিঠির লেখক শহীদ কাজী নূরুন্নবী। চিঠি লেখার সময়কাল ও স্থান-২৯শে মার্চ/রাজশাহী '৭১। ১৯৭১ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র এবং কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালে মুজিব বাহিনীর রাজশাহীর প্রধান ছিলেন। ১ অক্টোবর ১৯৭১ তাঁকে পাকিস্তানি বাহিনী আটক করে শহীদ শামসুজ্জোহা হলে নিয়ে যায়। তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। গ্রন্থটির সর্বশেষ চিঠিটি লেখক মুক্তিযোদ্ধা নিতাইলাল হোড়। চিঠির প্রাপক অ্যাডভোকেট এম এ সামাদ, তিনি ২০০৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁরই ছেলে জয়েনউদ্দিন মাহমুদ চিঠিটি পাঠিয়েছেন।

  1. লুয়া ত্রুটি package.lua এর 80 নং লাইনে: module 'মডিউল:উদ্ধৃতি/রূপরেখা' not found।