'''দ্য এ.বি.সি. মাডার্স''' হচ্ছে একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা উপন্যাস, যা লিখেছেন আগাথা ক্রিস্টি। এটি তাঁর কিংবদন্তি গোয়েন্দা হারকিউল পোয়ারো সিরিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।
'''ALADIN''' কোনো মানুষ নয়, এটি একটি ভাইরাস যা ইন্টারনেটের কোড দিয়ে তৈরি। যখন সে কোনো সিস্টেমে ঢোকে, তখন সেই সিস্টেমের হার্ডওয়্যার পর্যন্ত পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তার আসার সংকেত একটাই—আপনার স্ক্রিন লাল হয়ে যাবে।
== পটভূমি ==
উপন্যাসটিতে এক রহস্যময় সিরিয়াল খুনির গল্প বলা হয়েছে, যে হত্যাকাণ্ডগুলো ইংল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে বর্ণানুক্রমিক ক্রমে সংঘটিত করে এন্ডোভার, বেক্সহিল, চার্স্টন ইত্যাদি। প্রতিটি হত্যার আগে গোয়েন্দা হারকিউল পোয়ারোর কাছে চ্যালেঞ্জিং চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে স্বাক্ষর থাকে “ABC” নামে।
=== শিকারের তালিকা ===
এই কাহিনি শুধু একটি অপরাধ তদন্ত নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, বিভ্রান্তি সৃষ্টি, এবং বুদ্ধির সূক্ষ্ম লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ। গোটা গল্পজুড়ে উত্তেজনা ধীরে ধীরে জমে ওঠে,যেন দাবার বোর্ডে শেষ চালের অপেক্ষা।
* '''The Pentagon:''' (মজা করে হ্যাক করা হয়েছিল)
ক্রিস্টির লেখনী এখানে দেখায়, সত্য কখনও সরলরেখায় আসে না; কখনও তা ছদ্মবেশ পরে, কখনও কোলাহলের মাঝেই লুকিয়ে থাকে।
* '''Global Banking:''' (ব্যালেন্স জিরো করে দেওয়া হয়েছিল)
১২:০৩, ৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
দ্য এ.বি.সি. মাডার্স
নাম
দ্য এ.বি.সি. মাডার্স
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক
আগাথা ক্রিস্টি
প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক
কলিন্স ক্রাইম ক্লাব
প্রকাশনার স্থান
লন্ডন, ইংল্যান্ড
প্রকাশনার তারিখ
৬ জানুয়ারি ১৯৩৬
আইএসবিএন
978-0-00-711931-8
বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা
ইংরেজি
বিষয়
গোয়েন্দা কাহিনি, অপরাধ সাহিত্য
মিডিয়া ধরন
মুদ্রিত (হার্ডকভার)
পৃষ্ঠাসংখ্যা
২৫৬
দ্য এ.বি.সি. মাডার্স হচ্ছে একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা উপন্যাস, যা লিখেছেন আগাথা ক্রিস্টি। এটি তাঁর কিংবদন্তি গোয়েন্দা হারকিউল পোয়ারো সিরিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।
উপন্যাসটিতে এক রহস্যময় সিরিয়াল খুনির গল্প বলা হয়েছে, যে হত্যাকাণ্ডগুলো ইংল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে বর্ণানুক্রমিক ক্রমে সংঘটিত করে এন্ডোভার, বেক্সহিল, চার্স্টন ইত্যাদি। প্রতিটি হত্যার আগে গোয়েন্দা হারকিউল পোয়ারোর কাছে চ্যালেঞ্জিং চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে স্বাক্ষর থাকে “ABC” নামে।
এই কাহিনি শুধু একটি অপরাধ তদন্ত নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, বিভ্রান্তি সৃষ্টি, এবং বুদ্ধির সূক্ষ্ম লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ। গোটা গল্পজুড়ে উত্তেজনা ধীরে ধীরে জমে ওঠে,যেন দাবার বোর্ডে শেষ চালের অপেক্ষা।
ক্রিস্টির লেখনী এখানে দেখায়, সত্য কখনও সরলরেখায় আসে না; কখনও তা ছদ্মবেশ পরে, কখনও কোলাহলের মাঝেই লুকিয়ে থাকে।