বিষয়বস্তুতে চলুন

সাপের ছোবল: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
"{{তথ্যছক বই | নাম = সাপের ছোবল | লেখক = আশাপূর্ণা দেবী | প্রকাশনার স্থান = কলিকাতা | ভাষা = বাংলা | বিষয় = সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক, পারিবারিক দ্বন্দ্ব | প্রকাশক = নবপত্র প্রকাশন | প্র..." দিয়ে পাতা তৈরি
 
 
(একই ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত একটি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১০ নং লাইন: ১০ নং লাইন:
| প্রচ্ছদশিল্পী = সুবোধ দাশগুপ্ত
| প্রচ্ছদশিল্পী = সুবোধ দাশগুপ্ত
| ধরন = [[উপন্যাস]]
| ধরন = [[উপন্যাস]]
| পৃষ্ঠাসংখ্যা= ১৩৪
}}
}}


৪৮ নং লাইন: ৪৯ নং লাইন:
[[বিষয়শ্রেণী:আশাপূর্ণা দেবীর উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:আশাপূর্ণা দেবীর উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সামাজিক উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সামাজিক উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৯-এর বই]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬২-এর বই]]

১৩:৫৭, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

সাপের ছোবল
নাম সাপের ছোবল
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক আশাপূর্ণা দেবী


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক নবপত্র প্রকাশন
প্রকাশনার স্থান কলিকাতা
প্রকাশনার তারিখ ১৯৬২



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক, পারিবারিক দ্বন্দ্ব
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার
পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৩৪

সাপের ছোবল হল প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী রচিত একটি গভীর জীবনবোধ ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণধর্মী উপন্যাস। ১৯৬৯ সালের ১০ই মার্চ এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। উপন্যাসে লেখিকা একটি উচ্চবিত্ত পরিবারের অন্তঃসারশূন্যতা, সম্পর্কের কৃত্রিমতা এবং ভালোবাসার নামে চলা জটিল সমীকরণগুলোকে নিপুণভাবে চিত্রিত করেছেন।

উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে পলি (পল্লবিনী) নামক একটি তরুণীকে কেন্দ্র করে, যে তার বাবা মিস্টার রঞ্জিতমোহন মুখার্জি এবং মা মিসেস মিলি মুখার্জির দাম্পত্য কলহ ও কৃত্রিম জীবনযাত্রার মধ্যে বড় হয়েছে। পলি তার মা-বাবার সম্পর্কের শীতলতা এবং বাইরের জগতের সামনে তাদের সুখী দম্পতি সাজার ভণ্ডামি দেখে বিরক্ত ও বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।

গল্পে মোড় নেয় যখন পলি জানতে পারে তার বাবা গোপনে নয়নতারা নামক এক মহিলাকে নিয়মিত টাকা পাঠান। এই ঘটনা পলির মনে সন্দেহের বীজ বপন করে এবং সে বাবার চরিত্রের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলে। অন্যদিকে, পলির মা মিলির অতীত জীবনের এক গোপন অধ্যায়, তার বাবার আশ্রিত বিক্রম রায়ের সাথে তার সম্পর্ক এবং পারিবারিক জটিলতা কাহিনীকে আরও গভীর করে তোলে।

উপন্যাসের শেষে দেখা যায়, পলি তার বন্ধু সোমা-র দাদা দেবনাথ-এর সংস্পর্শে এসে ভালোবাসার প্রকৃত অর্থ খুঁজে পায়। দেবনাথের প্রভাবে পলির বিদ্রোহী সত্তা শান্ত হয় এবং সে জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো দেখতে শুরু করে। গল্পের শেষদিকে মিলির বাবার মৃত্যু এবং বিক্রম রায়ের এক গোপন সত্য উদঘাটন পরিবারের সবাইকে এক নতুন উপলব্ধির মুখোমুখি দাঁড় করায়।

  • পলি (পল্লবিনী মুখার্জি): উপন্যাসের নায়িকা। বিদ্রোহী এবং স্পর্শকাতর স্বভাবের তরুণী, যে মা-বাবার সম্পর্কের কৃত্রিমতা দেখে হতাশ।
  • মিস্টার রঞ্জিতমোহন মুখার্জি: পলির বাবা। একজন সফল কিন্তু অসুখী মানুষ, যিনি পরিবারের শান্তি বজায় রাখতে আপস করে চলেন।
  • মিসেস মিলি মুখার্জি: পলির মা। জেদি এবং অহংকারী স্বভাবের মহিলা, যার অতীত জীবনের ছায়া বর্তমানকে প্রভাবিত করে।
  • দেবনাথ: পলির বন্ধু সোমার দাদা। একজন শিক্ষিত এবং বিবেচক যুবক, যে পলির জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
  • বিক্রম রায়: মিলির বাবার আশ্রিত এবং মিলির অতীত জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সে নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতীক।
  • নয়নতারা (টুটু): রঞ্জিতমোহনে র ছোট বোন, যার অস্তিত্ব গোপন রাখা হয়েছিল।

বিশেষ উদ্ধৃতি

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
  • "ভালবাসা বুঝি সব পারে। ভাঙতে গড়তে, রং বদলাতে।"
  • "নিজেকে ভেঙে-ভেঙে নষ্ট করে অনেকদিন তো দেখলে পলি, একবার জুড়ে-জুড়ে গড়ে তুলে দেখ তো ভাল লাগে কি-না।" - দেবনাথ