বিষয়বস্তুতে চলুন

শুকসারী-কথা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
(একই ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত একটি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
৫ নং লাইন: ৫ নং লাইন:
| ভাষা = বাংলা
| ভাষা = বাংলা
| বিষয় = রাঢ়বাংলার গ্রামীণ সমাজ, আঞ্চলিক জীবনচিত্র, লোকসংস্কৃতি, মানবসম্পর্ক
| বিষয় = রাঢ়বাংলার গ্রামীণ সমাজ, আঞ্চলিক জীবনচিত্র, লোকসংস্কৃতি, মানবসম্পর্ক
| প্রকাশক = মিত্র ও ঘোষ
| প্রকাশক = [[মিত্র ও ঘোষ]]
| আইএসবিএন =  
| আইএসবিএন =  
| প্রকাশনার তারিখ = ১৯৩৭
| প্রকাশনার তারিখ = ১৯৩৭
৩৩ নং লাইন: ৩৩ নং লাইন:
*[https://archive.org/details/dli.bengal.10689.20636/page/n5/mode/2up আর্কাইভে শুকসারী-কথা]
*[https://archive.org/details/dli.bengal.10689.20636/page/n5/mode/2up আর্কাইভে শুকসারী-কথা]


[[বিষয়শ্রেণী:তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই]]
[[বিষয়শ্রেণী:তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা গল্পগ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা গল্পগ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সাহিত্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা সাহিত্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মিত্র ও ঘোষ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মিত্র ও ঘোষ]]

২২:৫২, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

শুকসারী-কথা
নাম শুকসারী-কথা
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক মিত্র ও ঘোষ
প্রকাশনার স্থান ভারত (কলকাতা)
প্রকাশনার তারিখ ১৯৩৭



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় রাঢ়বাংলার গ্রামীণ সমাজ, আঞ্চলিক জীবনচিত্র, লোকসংস্কৃতি, মানবসম্পর্ক
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার

শুকসারী-কথা বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৭ সালে কলকাতার মিত্র ও ঘোষ প্রকাশনা থেকে। রাঢ় বাংলার গ্রামীণ পটভূমি, লোকাচার ও সাধারণ মানুষের সুখদুঃখকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন আখ্যান এই গ্রন্থের মূল উপজীব্য।

শুকসারী-কথা গ্রন্থে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রাঢ় অঞ্চলের গ্রাম, নদী, অরণ্য, হাট-বাজার ও মেলাকে পটভূমি করে নানাবিধ চরিত্র ও ঘটনার মাধ্যমে গ্রামীণ সমাজের জটিল বাস্তবতাকে ধরেছেন। গ্রন্থের গল্পগুলিতে জমি-জমা, দারিদ্র্য, বর্ণবিভাজন, লোকবিশ্বাস ও পারিবারিক টানাপড়েনের পাশাপাশি মানুষের অন্তর্গত প্রেম, হিংসা, ঈর্ষা ও সহমর্মিতার সূক্ষ্ম রূপ ফুটে উঠেছে।

এইসব আখ্যানের মধ্য দিয়ে লেখক একদিকে যেমন নিপীড়িত নিম্নবর্গ ও প্রান্তিক মানুষের দুঃখ-দুর্দশা তুলে ধরেছেন, অন্যদিকে গ্রামীণ লোকসংস্কৃতি, গান, গল্প, কথোপকথন ও উপভাষার ব্যবহার দ্বারা এক জীবন্ত শিল্পভুবন নির্মাণ করেছেন। ফলত, গ্রন্থটি রাঢ় বাংলার একটি নান্দনিক সামাজিক দলিল হিসেবে পড়া যায়।