সাম্যবাদী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
অ ৯টি সংস্করণ আমদানি করা হয়েছে: পুরাতন উইকি থেকে আমদানি
 
(একজন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{তথ্যছক বই
{{তথ্যছক বই
| name           = সাম্যবাদী
| বইয়ের নাম           = সাম্যবাদী
| image          =  
| image          =  
| image_siz =  
| image_siz =  
| alt            =  
| alt            =  
| caption        =  
| caption        =  
| author         = [[কাজী নজরুল ইসলাম]]
| লেখক         = [[কাজী নজরুল ইসলাম]]
| audio_read_by  =  
| audio_read_by  =  
| translator    =  
| translator    =  
| illustrator    =  
| illustrator    =  
| cover_artist  =  
| cover_artist  =  
| country       = [[ব্রিটিশ ভারত]] ,[[ভারত]] ,[[বাংলাদেশ]]
| প্রকাশনার স্থান       = [[ব্রিটিশ ভারত]] ,[[ভারত]] ,[[বাংলাদেশ]]
| language       = [[বাংলা ভাষা|বাংলা]]
| ভাষা       = [[বাংলা ভাষা|বাংলা]]
| series        =  
| series        =  
| release_number =  
| release_number =  
| subject       = [[সাম্যবাদ]]
| ধরণ       = [[সাম্যবাদ]]
| genre         = [[কবিতা]]
| বিষয়         = [[কবিতা]]
| set_in        =  
| set_in        =  
| publisher      =  
| publisher      =  
| publisher2    =   
| publisher2    =   
| pub_date      = পৌষ ১৩৩২,  
| pub_date      = পৌষ ১৩৩২,  
| english_pub_date = ডিসেম্বর ১৯২৫
| প্রকাশনার তারিখ = ডিসেম্বর ১৯২৫
| published      =  
| published      =  
| media_type    =  
| media_type    =  
| pages          =  
| pages          =  
| awards        =  
| awards        =  
| isbn           = 978-98404-12860
| আইএসবিএন           = 978-98404-12860
| isbn_note      =  
| isbn_note      =  
| preceded_by    =  
| preceded_by    =  
৪১ নং লাইন: ৪১ নং লাইন:
বইটিতে মোট ১১ টি কবিতা রয়েছে । সবগুলোতেই মানুষের সমতা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।
বইটিতে মোট ১১ টি কবিতা রয়েছে । সবগুলোতেই মানুষের সমতা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।


==মূলভাব==
== মূলভাব ==
কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক মানবসমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। কবির বিশ্বাস মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে পরিচিত হয়ে ওঠা সবচেয়ে সম্মানের। নজরুলের এ আদর্শ আজও প্রতিটি মানুষের জীবনপথের প্রেরণা। কিন্তু মানুষ সম্প্রদায়কে ব্যবহার করে রাজনীতি করে, দুর্বলকে শােষণ করে, এখনও একের বিরুদ্ধে অন্যকে উস্কে দেয়। এক জনের প্রতি অন্য জনকে বিমুখ করার ষড়যন্ত্র করে।
কবিতাটিতে [[কাজী নজরুল ইসলাম]] বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক মানবসমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস অনুযায়ী, মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়াই সবচেয়ে বড় সম্মান। নজরুলের এই আদর্শ আজও মানুষের জীবনপথে প্রেরণা হিসেবে কাজ করে। তবে দুঃখজনকভাবে মানুষ এখনও সম্প্রদায়ের নামে রাজনীতি করে, দুর্বলকে শোষণ করে এবং এককে অন্যের বিরুদ্ধে উস্কে দেয়।
নজরুল এ কবিতায় বলেছেন- “মানুষেরই মাঝে স্বৰ্গনরক মানুষেতে সুরাসুর।” নজরুল জোর দেন অন্তর ধর্মের ওপর। ধর্মগ্রন্থ পড়ে অর্জিত জ্ঞান যথার্থভাবে উপলব্ধি করতে প্রয়ােজন মানবিকতাবােধ। কবি বলেছেন মানুষের হৃদয়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন মন্দির কাবা নেই। কবি সকল মত, সকল পথের উপরে স্থান দিয়েছেন মানবিকতা। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলিম সকলকে একই মায়ের সন্তানের মতাে ভেবেছেন। নজরুল মানবিক মেলবন্ধনের জন্য সংগীত রচনা করেছেন। বাণী ও সুরের মাধ্যমে মানবতার সুবাস ছড়ানাের চেষ্টা করেছেন।
 
কবিতায় নজরুল বলেন, ''"মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতেই সুরাসুর।"'' তিনি ধর্মের বাইরের চেয়ে অন্তরের ধর্মকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ধর্মগ্রন্থ পড়ে জ্ঞান অর্জন করলেই চলবে না, সেটিকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে প্রয়োজন মানবিকতা। কবির মতে, মানুষের হৃদয়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মন্দির বা কাবা নেই। তিনি সকল মত ও পথের ঊর্ধ্বে মানবতাকে স্থান দিয়েছেন। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সবকেই তিনি একই মায়ের সন্তান বলে মনে করেছেন।
 
নজরুল মানবিক মেলবন্ধনের জন্য সংগীত রচনা করেছেন এবং বাণী ও সুরের মাধ্যমে মানবতার সুবাস ছড়াতে চেয়েছেন। ‘[[সাম্যবাদী (কবিতা)|সাম্যবাদী]]’ কবিতায় তিনি বলেছেন, মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা তীর্থক্ষেত্রের মতোই পবিত্র হচ্ছে মানুষের হৃদয়। যদি হৃদয়ে হিংসা ও বিদ্বেষ না থাকে, সকলের প্রতি সমদর্শিতা থাকে, তাহলে পৃথিবী হয়ে উঠতে পারে সুখের আবাসস্থল।
 
সাম্যবাদের মূল দর্শন হলো জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমান অধিকার থাকা। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘সাম্যবাদী’ কবিতার মাধ্যমে এই সাম্যের বাণীই প্রচার করেছেন এবং সমাজে সকল শ্রেণির মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস পেয়েছেন।


নজরুল ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় মন্দির, মসজিদ, গির্জা বা অন্যান্য তীর্থক্ষেত্রের মতাে পবিত্র মনে করেছেন মানুষের হৃদয়কে। এ হৃদয় যদি পবিত্র থাকে, হৃদয়ে যদি কারাে প্রতি হিংসা, বিদ্বেষ না থাকে, সকলের প্রতি সমদর্শিতা থাকে তাহলে পৃথিবী হবে সুখের আবাসস্থল। সাম্যবাদ মানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নিৰ্বিশেষে রাষ্ট্রের সকল মানুষের সমান অধিকার থাকা উচিত এ মতবাদ। কাজী নজরুল ইসলাম তার সাম্যবাদী’ কবিতায় সব ধরনের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সাম্যবাদের বাণী প্রচার করেছেন।
== তথ্যসূত্র ==
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
{{সূত্র তালিকা}}