অগ্নিবীণা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
||
| (৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৩টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
{{তথ্যছক বই | |||
|বইয়ের নাম = অগ্নিবীণা | |||
|চিত্র = Agnibeena first edition book cover by Abanindranath Tagore 1922.jpg | |||
| চিত্রের_ক্যাপশন = অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিকল্পনায় অগ্নিবীণার প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ | |||
|লেখক = কাজী নজরুল ইসলাম | |||
|প্রকাশনার স্থান = বাংলাদেশ | |||
|ভাষা = বাংলা | |||
|প্রকাশনার তারিখ = ১৯২২ | |||
|বিষয় = | |||
|প্রকাশক = | |||
|মিডিয়া ধরন = হার্ডকভার | |||
|পৃষ্ঠাসংখ্যা = | |||
|আইএসবিএন = | |||
}} | |||
'''অগ্নিবীণা''' বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলামের]] প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শেষাংশ=https://www.risingbd.com |ভাষা=en |শিরোনাম=শতাব্দীকাল ধরেই ‘অগ্নিবীণা’ বাংলা সাহিত্যে অন্যতম সেরা গ্রন্থ |ইউআরএল=https://www.risingbd.com/feature/news/238021 |সংগ্রহের-তারিখ=2022-09-15 |ওয়েবসাইট=Risingbd Online Bangla News Portal |আর্কাইভের-তারিখ=২০২১-০২-১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210214083552/https://www.risingbd.com/feature/news/238021 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}</ref> | '''অগ্নিবীণা''' বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি [[কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলামের]] প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শেষাংশ=https://www.risingbd.com |ভাষা=en |শিরোনাম=শতাব্দীকাল ধরেই ‘অগ্নিবীণা’ বাংলা সাহিত্যে অন্যতম সেরা গ্রন্থ |ইউআরএল=https://www.risingbd.com/feature/news/238021 |সংগ্রহের-তারিখ=2022-09-15 |ওয়েবসাইট=Risingbd Online Bangla News Portal |আর্কাইভের-তারিখ=২০২১-০২-১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210214083552/https://www.risingbd.com/feature/news/238021 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}</ref> | ||
| ৫ নং লাইন: | ২০ নং লাইন: | ||
গ্রন্থটির উৎসর্গ ছিল— “বাঙলার অগ্নিযুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। নিচে লেখা ছিল— “তোমার অগ্নি-পূজারী -হে- মহিমান্বিত শিষ্য - কাজী নজরুল ইসলাম”। অরবিন্দ ঘোষের ভ্রাতা [[বারীন্দ্রকুমার ঘোষ]] বাংলা তথা ভারতের বিপ্লববাদী আন্দোলনের অন্যতম নায়ক ছিলেন। বিপ্লববাদে বিশ্বাসী নজরুল নিজেকে তার ‘মহিমান্বিত শিষ্য’ বলে উল্লেখ করে প্রথম কাব্যগ্রন্থ তাকেই উৎসর্গ করেছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শেষাংশ=Pratidin |প্রথমাংশ=Bangladesh |তারিখ=2014-08-27 |ভাষা=bn |শিরোনাম=দ্রোহের অগ্নিবীণা |ইউআরএল=https://www.bd-pratidin.com/various/2014/08/27/26445 |সংগ্রহের-তারিখ=2022-09-15 |ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ প্রতিদিন |আর্কাইভের-তারিখ=২০২১-০২-০৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210203133508/https://www.bd-pratidin.com/various/2014/08/27/26445 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}</ref> | গ্রন্থটির উৎসর্গ ছিল— “বাঙলার অগ্নিযুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। নিচে লেখা ছিল— “তোমার অগ্নি-পূজারী -হে- মহিমান্বিত শিষ্য - কাজী নজরুল ইসলাম”। অরবিন্দ ঘোষের ভ্রাতা [[বারীন্দ্রকুমার ঘোষ]] বাংলা তথা ভারতের বিপ্লববাদী আন্দোলনের অন্যতম নায়ক ছিলেন। বিপ্লববাদে বিশ্বাসী নজরুল নিজেকে তার ‘মহিমান্বিত শিষ্য’ বলে উল্লেখ করে প্রথম কাব্যগ্রন্থ তাকেই উৎসর্গ করেছিলেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |শেষাংশ=Pratidin |প্রথমাংশ=Bangladesh |তারিখ=2014-08-27 |ভাষা=bn |শিরোনাম=দ্রোহের অগ্নিবীণা |ইউআরএল=https://www.bd-pratidin.com/various/2014/08/27/26445 |সংগ্রহের-তারিখ=2022-09-15 |ওয়েবসাইট=বাংলাদেশ প্রতিদিন |আর্কাইভের-তারিখ=২০২১-০২-০৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210203133508/https://www.bd-pratidin.com/various/2014/08/27/26445 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর}}</ref> | ||
‘অগ্নিবীণা’র প্রচ্ছদপটের পরিকল্পনা করেছিলেন [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] এবং এঁকেছিলেন তরুণ চিত্রশিল্পী বীরেশ্বর সেন। গ্রন্থটি ৭ নং প্রতাপ চ্যাটার্জি লেন থেকে গ্রন্থকার কর্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। প্রাপ্তিস্থান হিসেবে উল্লেখ ছিল— ‘আর্য পাবলিশিং হাউস, কলেজ স্ট্রিট মার্কেট (দোতলায়)’। এটি ছাপা হয় মেটকাফ প্রেস, ৭৯ নং বলরাম দে স্ট্রিট, কলকাতা থেকে। প্রথম সংস্করণের দাম ছিল এক টাকা। | ‘অগ্নিবীণা’র প্রচ্ছদপটের পরিকল্পনা করেছিলেন [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] এবং এঁকেছিলেন তরুণ চিত্রশিল্পী বীরেশ্বর সেন। গ্রন্থটি ৭ নং প্রতাপ চ্যাটার্জি লেন থেকে গ্রন্থকার কর্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। প্রাপ্তিস্থান হিসেবে উল্লেখ ছিল— ‘আর্য পাবলিশিং হাউস, কলেজ স্ট্রিট মার্কেট (দোতলায়)’। এটি ছাপা হয় মেটকাফ প্রেস, ৭৯ নং বলরাম দে স্ট্রিট, কলকাতা থেকে। প্রথম সংস্করণের দাম ছিল এক টাকা। | ||
==পটভূমি== | ==পটভূমি== | ||
১৪:০৯, ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
অগ্নিবীণা বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে (অক্টোবর, ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ) প্রকাশিত হয়।[১]
গ্রন্থটিতে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে— ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর-ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, ‘কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার’, ‘রণভেরী’, ‘শাত-ইল-আরব’, ‘খেয়াপারের তরণী’, ‘কোরবানী’ ও ‘মোহররম’।[২]
গ্রন্থটির উৎসর্গ ছিল— “বাঙলার অগ্নিযুগের আদি পুরোহিত সাগ্নিক বীর শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”। নিচে লেখা ছিল— “তোমার অগ্নি-পূজারী -হে- মহিমান্বিত শিষ্য - কাজী নজরুল ইসলাম”। অরবিন্দ ঘোষের ভ্রাতা বারীন্দ্রকুমার ঘোষ বাংলা তথা ভারতের বিপ্লববাদী আন্দোলনের অন্যতম নায়ক ছিলেন। বিপ্লববাদে বিশ্বাসী নজরুল নিজেকে তার ‘মহিমান্বিত শিষ্য’ বলে উল্লেখ করে প্রথম কাব্যগ্রন্থ তাকেই উৎসর্গ করেছিলেন।[৩]
‘অগ্নিবীণা’র প্রচ্ছদপটের পরিকল্পনা করেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এঁকেছিলেন তরুণ চিত্রশিল্পী বীরেশ্বর সেন। গ্রন্থটি ৭ নং প্রতাপ চ্যাটার্জি লেন থেকে গ্রন্থকার কর্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। প্রাপ্তিস্থান হিসেবে উল্লেখ ছিল— ‘আর্য পাবলিশিং হাউস, কলেজ স্ট্রিট মার্কেট (দোতলায়)’। এটি ছাপা হয় মেটকাফ প্রেস, ৭৯ নং বলরাম দে স্ট্রিট, কলকাতা থেকে। প্রথম সংস্করণের দাম ছিল এক টাকা।
পটভূমি
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বইটি অক্টোবর ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়, যা নজরুলের কাব্যজীবনের সূচনা করে। এটি বাংলা সাহিত্যে বিপ্লবী ধারা প্রবর্তনের অন্যতম প্রাথমিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রকাশকাল
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]প্রথম সংস্করণ প্রকাশের সময় বইটির মূল্য ছিল এক টাকা। গ্রন্থটি কলকাতার কলেজ স্ট্রিট মার্কেটের ‘আর্য পাবলিশিং হাউস’ থেকে বিতরণ করা হয় এবং মেটকাফ প্রেসে মুদ্রিত হয়। বইটি বাজারে আসার সাথে সাথেই সাহিত্যিক ও পাঠক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]অগ্নিবীণা বাংলা সাহিত্যে বিপ্লবী কবিতার ধারা প্রবর্তনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। গ্রন্থের কবিতাগুলোতে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, সামাজিক অবিচারের প্রতিবাদ এবং জাতীয় চেতনার আহ্বান সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এর মাধ্যমে নজরুল তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে সাহিত্যকে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
