বিষয়বস্তুতে চলুন

যকের ধন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে Md Joni Hossain-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
(২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{তথ্যছক বই | নাম = যকের ধন | চিত্র = | লেখক = [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]] | প্রকাশনার স্থান = ভারত | ভাষা = বাংলা | ধরন = কিশোর অ্যাডভেঞ্চার, রহস্য | বিষয় = গুপ্তধন অনুসন্ধান, রোমাঞ্চ, আসামের জঙ্গল | প্রকাশক = এম. সি. সরকার অ্যান্ড সন্স প্রাইভেট লিমিটেড | আইএসবিএন = 978-8171571710 | প্রকাশনার তারিখ = ১৯২৩ (প্রথম প্রকাশ) | মিডিয়া ধরন = হার্ডকভার | পৃষ্ঠাসংখ্যা = ৮১ }}
{{তথ্যছক বই | নাম = যকের ধন | চিত্র = | লেখক = [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]] | প্রকাশনার স্থান = ভারত | ভাষা = বাংলা | ধরন = কিশোর অ্যাডভেঞ্চার, রহস্য | বিষয় = গুপ্তধন অনুসন্ধান, রোমাঞ্চ, আসামের জঙ্গল | প্রকাশক = এম. সি. সরকার অ্যান্ড সন্স প্রাইভেট লিমিটেড | আইএসবিএন = 978-8171571710 | প্রকাশনার তারিখ = ১৯২৩ (প্রথম প্রকাশ) | মিডিয়া ধরন = হার্ডকভার | পৃষ্ঠাসংখ্যা = ৮১ }}


যকের ধন বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]] রচিত একটি কালজয়ী কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস। ১৯২৩ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে জনপ্রিয় দুই দুঃসাহসী চরিত্র 'বিমল' ও 'কুমার'-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। এটি বাংলা ভাষায় রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রাথমিক যুগের 'ট্রেজার হান্ট' বা গুপ্তধন সন্ধানের কাহিনী।
'''যকের ধন''' বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]] রচিত একটি কালজয়ী কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস। ১৯২৩ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে জনপ্রিয় দুই দুঃসাহসী চরিত্র 'বিমল' ও 'কুমার'-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। এটি বাংলা ভাষায় রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রাথমিক যুগের 'ট্রেজার হান্ট' বা গুপ্তধন সন্ধানের কাহিনী।


== কাহিনীসংক্ষেপ ==
== কাহিনীসংক্ষেপ ==

১০:২৯, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

যকের ধন
নাম যকের ধন
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক হেমেন্দ্রকুমার রায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক এম. সি. সরকার অ্যান্ড সন্স প্রাইভেট লিমিটেড
প্রকাশনার স্থান ভারত
প্রকাশনার তারিখ ১৯২৩ (প্রথম প্রকাশ)
আইএসবিএন 978-8171571710


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় গুপ্তধন অনুসন্ধান, রোমাঞ্চ, আসামের জঙ্গল
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার
পৃষ্ঠাসংখ্যা ৮১

যকের ধন বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হেমেন্দ্রকুমার রায় রচিত একটি কালজয়ী কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস। ১৯২৩ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে জনপ্রিয় দুই দুঃসাহসী চরিত্র 'বিমল' ও 'কুমার'-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। এটি বাংলা ভাষায় রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রাথমিক যুগের 'ট্রেজার হান্ট' বা গুপ্তধন সন্ধানের কাহিনী।

কাহিনীসংক্ষেপ

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

গল্পের শুরু হয় কুমারের মৃত ঠাকুরদাদার একটি লোহার সিন্দুক খোলাকে কেন্দ্র করে। সেই সিন্দুকে অন্যান্য জিনিসের সাথে পাওয়া যায় একটি পুরনো পকেট-বুক এবং একটি মানুষের মড়ার খুলি। প্রথমে একে অদ্ভুত রসিকতা মনে হলেও, শীঘ্রই বিমল ও কুমার বুঝতে পারে যে এটি কোনো সাধারণ খুলি নয়। খুলির গায়ে খোদাই করা সংকেত এবং পকেট-বুকের তথ্য বিশ্লেষণ করে বিমল উদ্ধার করে যে, আসামের নেওড়া ভ্যালির গহীন জঙ্গলে লুকানো আছে আদি রাজাদের এক বিশাল গুপ্তধন।

গুপ্তধনের নেশায় দুই বন্ধু এক রোমাঞ্চকর অভিযানে বেরিয়ে পড়ে। তবে তাদের পথ সহজ ছিল না; বনের হিংস্র পশুপাখি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি তাদের পিছু নেয় চরম নিষ্ঠুর ও ধূর্ত অপরাধী করালী। করালীর নজরও সেই গুপ্তধনের ওপর। শেষ পর্যন্ত বিমল ও কুমার তাদের বুদ্ধি ও সাহসের জোরে কীভাবে সেই যকের ধন খুঁজে পায়, তা নিয়েই উপন্যাসের মূল রোমাঞ্চ।

প্রধান চরিত্রসমূহ

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]
  • বিমল: বুদ্ধিমান, সাহসী এবং অভিযানপ্রিয় তরুণ। সে এই অভিযানের মূল পরিকল্পনাকারী।
  • কুমার: বিমলের পরম বন্ধু, যার ঠাকুরদাদার সূত্র ধরেই গুপ্তধনের হদিস পাওয়া যায়।
  • করালী: কাহিনীর প্রধান খলনায়ক। ধূর্ত ও নিষ্ঠুর এই ব্যক্তিটি গুপ্তধনের লোভে বিমল-কুমারকে বারবার বিপদে ফেলে।
  • বাঘা: বিমল-কুমারের বিশ্বস্ত কুকুর (বাংলা কিশোর সাহিত্যে অন্যতম জনপ্রিয় প্রাণী চরিত্র)।

উপন্যাসটি প্রথম ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ১৯২৩ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত এর অসংখ্য সংস্করণ বের হয়েছে। এম. সি. সরকার অ্যান্ড সন্স প্রকাশিত বর্তমান হার্ডকভার সংস্করণটির পৃষ্ঠাসংখ্যা ৮১।

এই বইটির ব্যাপক সাফল্যের কারণে পরবর্তীতে হেমেন্দ্রকুমার রায় বিমল ও কুমারকে নিয়ে আরও বেশ কিছু রোমাঞ্চকর কাহিনী রচনা করেন।