পদ্মা নদীর মাঝি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
"{{তথ্যছক বই | নাম = পদ্মা নদীর মাঝি | চিত্র = | চিত্রের_ক্যাপশন = | লেখক = মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় | প্রকাশনার স্থান = ভারত (অবিভক্ত বাংলা) | ভাষা = বাংলা | ধরন = আঞ্চল..." দিয়ে পাতা তৈরি ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
অ Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে ARI-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| (২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৩টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ৭ নং লাইন: | ৭ নং লাইন: | ||
| ভাষা = বাংলা | | ভাষা = বাংলা | ||
| ধরন = আঞ্চলিক উপন্যাস | | ধরন = আঞ্চলিক উপন্যাস | ||
| মিডিয়া ধরন = | | মিডিয়া ধরন = হার্ডকভার | ||
| বিষয় = ধীবর জীবনের জীবনসংগ্রাম, সামাজিক বাস্তববাদ, প্রবৃত্তি | | বিষয় = ধীবর জীবনের জীবনসংগ্রাম, সামাজিক বাস্তববাদ, প্রবৃত্তি | ||
| উৎসর্গ = | | উৎসর্গ = | ||
| প্রকাশক = | | প্রকাশক = এনবিএ প্রাইভেট লিমিটেড | ||
| প্রকাশনার তারিখ = | | প্রকাশনার তারিখ = | ||
| পৃষ্ঠাসংখ্যা = | | পৃষ্ঠাসংখ্যা = | ||
| আইএসবিএন = | | আইএসবিএন = 9789392593116 | ||
}} | }} | ||
'''পদ্মা নদীর মাঝি''' হলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কথাসাহিত্যিক [[মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়]] রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস। ১৯৩৬ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। পদ্মা নদীর তীরের জেলেপাড়ার মানুষের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য এবং মানব মনের জটিল প্রবৃত্তি এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য। | '''পদ্মা নদীর মাঝি''' হলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কথাসাহিত্যিক [[মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়]] রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস। ১৯৩৬ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। পদ্মা নদীর তীরের জেলেপাড়ার মানুষের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য এবং মানব মনের জটিল প্রবৃত্তি এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য। | ||
== বিষয়বস্তু == | == বিষয়বস্তু == | ||
উপন্যাসটির পটভূমি পূর্ববঙ্গের পদ্মা নদীর তীরের কেতুপুর গ্রাম। এখানকার ধীবর বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের অতিসাধারণ কিন্তু কঠিন জীবনযাত্রার চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের মাঝি, যার জীবনের টানাপোড়েন, দারিদ্র্যের সাথে লড়াই এবং প্রতিবেশী শ্যালিকা কপিলার প্রতি আকর্ষণ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অন্যদিকে, রহস্যময় চরিত্র হোসেন মিয়া এবং তার তিলে তিলে গড়ে তোলা ''ময়না দ্বীপ''-এর স্বপ্ন উপন্যাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে মানুষের নৈতিকতা এবং প্রবৃত্তির যে দ্বন্দ্ব, তা-ই এই কাহিনীর মূল সুর। | উপন্যাসটির পটভূমি পূর্ববঙ্গের পদ্মা নদীর তীরের কেতুপুর গ্রাম। এখানকার ধীবর বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের অতিসাধারণ কিন্তু কঠিন জীবনযাত্রার চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের মাঝি, যার জীবনের টানাপোড়েন, দারিদ্র্যের সাথে লড়াই এবং প্রতিবেশী শ্যালিকা কপিলার প্রতি আকর্ষণ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অন্যদিকে, রহস্যময় চরিত্র হোসেন মিয়া এবং তার তিলে তিলে গড়ে তোলা ''ময়না দ্বীপ''-এর স্বপ্ন উপন্যাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে মানুষের নৈতিকতা এবং প্রবৃত্তির যে দ্বন্দ্ব, তা-ই এই কাহিনীর মূল সুর। | ||
| ৩৩ নং লাইন: | ৩৪ নং লাইন: | ||
*[[পুতুলনাচের ইতিকথা]] | *[[পুতুলনাচের ইতিকথা]] | ||
*[[জননী (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়)]] | *[[জননী (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়)]] | ||
== বহিঃসংযোগ == | |||
* [https://nbabooks.in/books/Padmanadir-Majhi/148 এনবিএ প্রাইভেট লিমিটেড] | |||
== সূত্র == | == সূত্র == | ||
<references/> | <references/> | ||
১০:৪৭, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
পদ্মা নদীর মাঝি হলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস। ১৯৩৬ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। পদ্মা নদীর তীরের জেলেপাড়ার মানুষের জীবনসংগ্রাম, দারিদ্র্য এবং মানব মনের জটিল প্রবৃত্তি এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]উপন্যাসটির পটভূমি পূর্ববঙ্গের পদ্মা নদীর তীরের কেতুপুর গ্রাম। এখানকার ধীবর বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের অতিসাধারণ কিন্তু কঠিন জীবনযাত্রার চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের মাঝি, যার জীবনের টানাপোড়েন, দারিদ্র্যের সাথে লড়াই এবং প্রতিবেশী শ্যালিকা কপিলার প্রতি আকর্ষণ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অন্যদিকে, রহস্যময় চরিত্র হোসেন মিয়া এবং তার তিলে তিলে গড়ে তোলা ময়না দ্বীপ-এর স্বপ্ন উপন্যাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে মানুষের নৈতিকতা এবং প্রবৃত্তির যে দ্বন্দ্ব, তা-ই এই কাহিনীর মূল সুর।
প্রকাশনা ইতিহাস
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]পদ্মা নদীর মাঝি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার আগে ১৯৩৪ সাল থেকে পূর্বাশা পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে। ১৯৩৬ সালে কলকাতার ডি. এম. লাইব্রেরি থেকে এটি প্রথম বই হিসেবে বাজারে আসে। প্রকাশের পরপরই এটি পাঠক ও সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং পরবর্তীকালে বহু ভাষায় অনূদিত হয়।
উল্লেখযোগ্য চরিত্র
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- কুবের: উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র, একজন দরিদ্র ও পরিশ্রমী মাঝি।
- কপিলা: কুবেরের শ্যালিকা, যার চঞ্চলতা ও রহস্যময় ব্যক্তিত্ব কুবেরকে আকৃষ্ট করে।
- হোসেন মিয়া: এক রহস্যময় ও প্রভাবশালী ব্যক্তি, যে জনশূন্য ময়না দ্বীপে বসতি গড়তে চায়।
- মালা: কুবেরের পঙ্গু স্ত্রী।
- গণেশ: কুবেরের বন্ধু ও মাছ ধরার সঙ্গী।
প্রভাব ও মূল্যায়ন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বাংলা কথাসাহিত্যে পদ্মা নদীর মাঝি একটি মাইলফলক। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথাগত রোমান্টিকতা বর্জন করে জীবনের রূঢ় বাস্তবতাকে এখানে তুলে ধরেছেন। ভাষাশৈলী এবং আঞ্চলিক শব্দের সার্থক প্রয়োগ এই উপন্যাসকে এক অনন্য উচ্চতা দিয়েছে। এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে একাধিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে, যার মধ্যে গৌতম ঘোষ পরিচালিত পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৯৩) উল্লেখযোগ্য।