খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
"{{তথ্যছক বই | নাম = খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি | লেখক = মাঝি রামদাস টুডু | প্রকাশনার স্থান = | ভাষা = সাঁওতালি (মূলত বাংলা হরফে লিখিত) | বিষয় = সাঁওতাল জাতি..." দিয়ে পাতা তৈরি |
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা |
||
| (একই ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ১২ নং লাইন: | ১২ নং লাইন: | ||
}} | }} | ||
'''খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি''' হলো সাঁওতাল জনজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ এবং পবিত্রতম ধর্মগ্রন্থ। এটি সাঁওতাল পণ্ডিত ও সমাজ সংস্কারক [[মাঝি রামদাস টুডু 'রেশকা']] কর্তৃক সংকলিত ও রচিত। ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি সাঁওতালদের আদি ইতিহাস, সৃষ্টিতত্ত্ব, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং সামাজিক রীতিনীতির একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। সাঁওতাল সমাজে এই বইটির গুরুত্ব অনেকটা হিন্দুধর্মের 'বেদ' বা শিখধর্মের 'গ্রন্থ সাহেব'-এর সমতুল্য। | '''খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি''' হলো সাঁওতাল জনজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ এবং পবিত্রতম ধর্মগ্রন্থ। এটি সাঁওতাল পণ্ডিত ও সমাজ সংস্কারক [[মাঝি রামদাস টুডু 'রেশকা']] কর্তৃক সংকলিত ও রচিত। ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি সাঁওতালদের আদি ইতিহাস, সৃষ্টিতত্ত্ব, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং সামাজিক রীতিনীতির একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। সাঁওতাল সমাজে এই বইটির গুরুত্ব অনেকটা হিন্দুধর্মের 'বেদ' বা শিখধর্মের 'গ্রন্থ সাহেব'-এর সমতুল্য। | ||
= বিষয়বস্তু == | ==বিষয়বস্তু == | ||
এই গ্রন্থে সাঁওতাল সমাজের সৃষ্টিতত্ত্ব, মানুষের আবির্ভাব, বিবাহপ্রথা, বিভিন্ন সামাজিক সংস্কার ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। লেখক সাঁওতালি ভাষায় বাংলা লিপিতে গ্রন্থটি রচনা করেন এবং নিজ হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে পুরাণকথা ও ধর্মীয় ধারণাগুলিকে চিত্রমালার আকারে উপস্থাপন করেন। | এই গ্রন্থে সাঁওতাল সমাজের সৃষ্টিতত্ত্ব, মানুষের আবির্ভাব, বিবাহপ্রথা, বিভিন্ন সামাজিক সংস্কার ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। লেখক সাঁওতালি ভাষায় বাংলা লিপিতে গ্রন্থটি রচনা করেন এবং নিজ হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে পুরাণকথা ও ধর্মীয় ধারণাগুলিকে চিত্রমালার আকারে উপস্থাপন করেন। | ||
== প্রকাশনা ইতিহাস == | == প্রকাশনা ইতিহাস == | ||
খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি প্রথম প্রকাশিত হয় উনিশ শতকের শেষভাগে। পরে ধলভূমের রাজা জগদীশচন্দ্র দেব ও ধবলদেবের উদ্যোগ ও উৎসাহে ১৯৫১ সালে গ্রন্থটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণ প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণে ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের একটি ভূমিকা সংযোজিত | খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি প্রথম প্রকাশিত হয় উনিশ শতকের শেষভাগে। পরে ধলভূমের রাজা জগদীশচন্দ্র দেব ও ধবলদেবের উদ্যোগ ও উৎসাহে ১৯৫১ সালে গ্রন্থটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণ প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণে ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের একটি ভূমিকা সংযোজিত ছিল। | ||
পরবর্তীকালে গ্রন্থটির আরও সংস্করণ প্রকাশিত হয়। বর্তমান প্রচলিত সংস্করণে মূল বইয়ের অবিকল প্রতিলিপির সঙ্গে সুহৃদকুমার ভৌমিকের করা বাংলা অনুবাদ সংযোজিত হয়েছে।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.anandabazar.com/culture/book-reviews/book-on-santhali-culture-1.460116 |শিরোনাম=পরম্পরাবাহিত ধারা আজও সমৃদ্ধ করে |শেষাংশ= |প্রথমাংশ= |তারিখ= |ওয়েবসাইট= |প্রকাশক= আনন্দবাজার পত্রিকা|সংগ্রহের-তারিখ=19-12-2026 |উক্তি=}}</ref> | |||
== সূত্র == | == সূত্র == | ||
<references/> | <references/> | ||
১৩:৫৭, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি হলো সাঁওতাল জনজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ এবং পবিত্রতম ধর্মগ্রন্থ। এটি সাঁওতাল পণ্ডিত ও সমাজ সংস্কারক মাঝি রামদাস টুডু 'রেশকা' কর্তৃক সংকলিত ও রচিত। ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি সাঁওতালদের আদি ইতিহাস, সৃষ্টিতত্ত্ব, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং সামাজিক রীতিনীতির একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। সাঁওতাল সমাজে এই বইটির গুরুত্ব অনেকটা হিন্দুধর্মের 'বেদ' বা শিখধর্মের 'গ্রন্থ সাহেব'-এর সমতুল্য।
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]এই গ্রন্থে সাঁওতাল সমাজের সৃষ্টিতত্ত্ব, মানুষের আবির্ভাব, বিবাহপ্রথা, বিভিন্ন সামাজিক সংস্কার ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। লেখক সাঁওতালি ভাষায় বাংলা লিপিতে গ্রন্থটি রচনা করেন এবং নিজ হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে পুরাণকথা ও ধর্মীয় ধারণাগুলিকে চিত্রমালার আকারে উপস্থাপন করেন।
প্রকাশনা ইতিহাস
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]খেরওয়াল বংশ ধরম পুথি প্রথম প্রকাশিত হয় উনিশ শতকের শেষভাগে। পরে ধলভূমের রাজা জগদীশচন্দ্র দেব ও ধবলদেবের উদ্যোগ ও উৎসাহে ১৯৫১ সালে গ্রন্থটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণ প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণে ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের একটি ভূমিকা সংযোজিত ছিল।
পরবর্তীকালে গ্রন্থটির আরও সংস্করণ প্রকাশিত হয়। বর্তমান প্রচলিত সংস্করণে মূল বইয়ের অবিকল প্রতিলিপির সঙ্গে সুহৃদকুমার ভৌমিকের করা বাংলা অনুবাদ সংযোজিত হয়েছে।[১]
সূত্র
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]- ↑ লুয়া ত্রুটি package.lua এর 80 নং লাইনে: module 'মডিউল:উদ্ধৃতি/রূপরেখা' not found।