কাঁটাতারের পরিযান: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অবয়ব
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
অ Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে খাত্তাব হাসান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা |
||
| (৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৬টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ৪ নং লাইন: | ৪ নং লাইন: | ||
| ভাষা = বাংলা | | ভাষা = বাংলা | ||
| বিষয় = স্মৃতিকথা | | বিষয় = স্মৃতিকথা | ||
|প্রকাশনার স্থান =বাংলাদেশ | |||
| প্রকাশক = উদ্ভাস একাডেমিক এন্ড এডমিশন কেয়ার | | প্রকাশক = উদ্ভাস একাডেমিক এন্ড এডমিশন কেয়ার | ||
| প্রকাশনার তারিখ = ২০২৪ | | প্রকাশনার তারিখ = ২০২৪ | ||
| ৯ নং লাইন: | ১০ নং লাইন: | ||
}} | }} | ||
'''কাঁটাতারের পরিযান''' | '''কাঁটাতারের পরিযান''' হচ্ছে বাংলা ভাষার রচিত একটি বাংলা স্মৃতিকথা গ্রন্থ। বইটির লেখক হচ্ছন [[তাসরিবা খান]]। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২৪ সালে। | ||
==পটভূমি== | ==পটভূমি== | ||
বইটি ২০২৪ সালে ১ম প্রকাশ হয়। বইটি প্রতিভা প্রকাশ | বইটি ২০২৪ সালে ১ম প্রকাশ হয়। বইটি প্রতিভা প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হয়। | ||
== সারাংশ == | == সারাংশ == | ||
গ্রন্থে লেখক তার পারিবারিক অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণের মাধ্যমে কাঁটাতারের ওপারে থাকা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতা ও মানবিক অনুভূতি তুলে ধরেছেন। বইটি পাঠকদের মধ্যে সীমান্তের ওপারে থাকা মানুষের জীবনযাত্রা ও তাদের সংগ্রামের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি করে। | গ্রন্থে লেখক তার পারিবারিক অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণের মাধ্যমে কাঁটাতারের ওপারে থাকা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতা ও মানবিক অনুভূতি তুলে ধরেছেন। বইটি পাঠকদের মধ্যে সীমান্তের ওপারে থাকা মানুষের জীবনযাত্রা ও তাদের সংগ্রামের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি করে। | ||
১০:৩১, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
কাঁটাতারের পরিযান হচ্ছে বাংলা ভাষার রচিত একটি বাংলা স্মৃতিকথা গ্রন্থ। বইটির লেখক হচ্ছন তাসরিবা খান। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২৪ সালে।
পটভূমি
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বইটি ২০২৪ সালে ১ম প্রকাশ হয়। বইটি প্রতিভা প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হয়।
সারাংশ
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]গ্রন্থে লেখক তার পারিবারিক অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণের মাধ্যমে কাঁটাতারের ওপারে থাকা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতা ও মানবিক অনুভূতি তুলে ধরেছেন। বইটি পাঠকদের মধ্যে সীমান্তের ওপারে থাকা মানুষের জীবনযাত্রা ও তাদের সংগ্রামের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি করে।