চিলেকোঠার সেপাই: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে খাত্তাব হাসান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
(৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৪টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
'''চিলেকোঠার সেপাই''' হচ্ছে একটি বাংলা ভাষা চিরায়ত উপন্যাস বই৷ বই লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। বইটি দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড(ইউ পি এল) থেকে প্রকাশ হয়।
{{তথ্যছক বই
| ইটালিক_শিরোনাম      = <!--(see above)-->
| নাম                  = চিলেকোঠার সেপাই
| চিত্র                  = আখতারুজ্জামান ইলিয়াস - চিলেকোঠার সেপাই.jpeg
| অল্ট                  = চিলেকোঠার সেপাই বইয়ের প্রচ্ছদ
| ক্যাপশন              = প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
| লেখক                = [[আখতারুজ্জামান ইলিয়াস]]
| প্রচ্ছদ_শিল্পী          =[[সমর মজুমদার]]
| দেশ                  = বাংলাদেশ
| ভাষা                = বাংলা
| বিষয়                =
| ধরন                  = [[উপন্যাস]]
| পটভূমি              =
| প্রকাশিত              = ১৯৮৬
| প্রকাশক                = [[দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড]]
| প্রকাশনার_তারিখ        = জুলাই ২০২০ (সর্বশেষ)
| মিডিয়া_ধরন          = ছাপা ([[শক্তমলাট]])
| পৃষ্ঠাসংখ্যা          = ৩০৪ (১৯৮৬ সংকরণ)
| আইএসবিএন            =9789845060523
| ওসিএলসি              = 1102093236
| পরবর্তী_বই            =[[খোয়াবনামা]] (১৯৯৬)
| ওয়েবসাইট            = [http://www.uplbooks.com/book/চিলেকোঠার-সেপাই প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট]
}}
'''''চিলেকোঠার সেপাই'''''  [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] কথাসাহিত্যিক [[আখতারুজ্জামান ইলিয়াস]] রচিত প্রথম উপন্যাস। [[ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান|ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের]] প্রেক্ষাপটে রচিত এটি একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে চিলেকোঠায় বাসকরা একজন সাধারণ মানুষের যোগ দিতে সক্ষম হওয়ার গল্প ''চিলেকোঠার সেপাই''।{{r|সুব্রত}} এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে [[আলাওল সাহিত্য পুরস্কার]] লাভ করেন।{{r|জীবনের অস্তিত্ব}}


==প্রকাশ==
==প্রকাশনা==
বইটি ২৪তম মুদ্রণ ২০২৪ সালে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড(ইউ পি এল) প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হয়।  
১৯৭৫ সালে ''[[দৈনিক সংবাদ (বাংলাদেশ)|দৈনিক সংবাদের]]'' সাহিত্যপাতায় ''চিলেকোঠার সেপাই'' ধারাবাহিকভাবে ছাপা হতে শুরু করে। যদিও তৎকালীন সরকার পরিবর্তনের কারণে অসমাপ্ত অবস্থায় উপন্যাসটির প্রকাশ বন্ধ করে দেয়।{{sfn|হক|২০১৯|p=৪৭৬}} পরে ১৯৮১ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত উপন্যাসটি সাপ্তাহিক ''রোববার'' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।{{sfn|হক|২০১৯|p=৪৭৬-৪৭৭}} ১৯৮৬ সালের অক্টোবরে ঢাকার [[দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড]] থেকে এটি প্রকাশিত হয়। বইটির উৎসর্গ করা ছিল ইলিয়াসের পিতা বি. এম. ইলিয়াসকে।<ref>পৃষ্ঠা-৬৯৯, জীবনপঞ্জি, খালেকুজ্জামান ইলিয়াস, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনা সমগ্র-২, প্রথম প্রকাশ মার্চ ১৯৯৯, পঞ্চম মুদ্রণ মার্চ ২০০৮, মাওলা ব্রাদার্স, {{আইএসবিএন|948-410-135-6}}</ref> ১৯৯৩ সালের আগস্টে বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সেবছরই জুন মাসে [[কলকাতা|কলকাতার]] প্রতিভাস প্রকাশনী থেকে বইটির কলকাতা সংস্করণ বের করা হয়।{{sfn|হক|২০১৯|p=৪৭৮}} ১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে [[মাওলা ব্রাদার্স]] থেকে প্রকাশিত ''আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র-২'' গ্রন্থেও উপন্যাসটি সংকলিত হয়।
==সারাংশ==
 
চিলেকোঠার সেপাই” বইটি সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ ১৯৬৯ সালের পূর্ব বাংলা। কী এক জীবনস্পর্ধী মন্ত্রের মুখে বিস্ফোরিত চারদিক। কেঁপে ওঠে নগর ঢাকা। কাঁপে শহর, বন্দর, গঞ্জ, নিভৃত গ্রাম, এমনকি যমুনার দুর্গম চর এলাকা। কখনো কঠিন বুলেটের আঘাতে, কখনো ঘুম-ভেঙ্গে-দেওয়া আঁধির ঝাপটায়। মিটিং আর মিছিল আর গুলিবর্ষণ আর কারফ্যু-ভাঙ্গা আর গণআদালত - সব জায়গায় ফেটে পড়ে ক্ষোভ বিদ্রোহ। সব মানুষেরই হৃদয়ের অভিষেক ঘটে একটি অবিচল লক্ষ্যে - মুক্তি। মুক্তি? তার আসার পথও যে একরকম নয়। কারো স্লোগান, ‘দিকে দিকে আগুন জ্বালো’, কারো ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’। আরোপ করা সামরিক শাসনের নির্যাতন শুরু হলে বন্ধুরা যখন বিহ্বল, ওসমানের ডানায় তখন লাগে প্রবল বেগ। সহনামী কিশোরকে সে চুম্বনে রক্তাক্ত করে, বিকৃত যৌনতার বশে নয়, আত্মপ্রেমে পরাজিত হয়ে। ওসমান ‘একজন’। সে এক নার্সিসাস। কিন্তু এখানে তার শেষ নয়। নিজের খাঁচা থেকে বেরুবার জন্য তার ডানা ঝাপটানো পরিণত হয় প্রচন্ড ক্রোধে। রঞ্জুকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেওয়ার জন্য সে প্রানান্ত উদ্যোগ নেয়। এ কি তার আত্মপ্রেম বিসর্জনের প্রস্তুতি? পরিচিত সবাই ওসমানকে চিহ্নিত করে বদ্ধ পাগল হিসেবে। অনুরাগী বন্ধুরা তাকে বন্দী করে রাখে নিজের ঘরে। এখন এই বিচ্ছিন্ন ঘর থেকে ওসমানকে উদ্ধার করতে পারে কে? এক-নেতায় বিশ্বাসী আলাউদ্দিন? ভোটের রাইট-প্রার্থী আলতাফ? রাজনীতি-বিশ্লেষক বামপন্থী আনোয়ার? - না এরা কেউ নয়। চিলেকোঠার দুর্গ থেকে ওসমানকে বেরিয়ে পড়তে প্ররোচনা দেয় হাড্ডি খিজির যে নিজের বাপের নাম জানে না, যে বড় হয়েছে রাস্তায় রাস্তায়, যার মা বৌ দুজনেই মহাজনের ভোগ্য এবং গণঅভ্যুত্থানের সদস্য হওয়ার অপরাধে মধ্যরাতে কারফ্যু-চাপা রাস্তায় যে প্রাণদন্ডে দন্ডিত হয় মিলিটারির হাতে। নিহত খিজিরের আমন্ত্রণে ও আহ্বানে সক্রিয় সাড়া দিয়ে ওসমান ঘরের তালা ভাঙে। সবার অগোচরে সে বেরিয়ে আসে রাস্তায়, কারফ্যুর দাপট অগ্রাহ্য করে। তার সামনে এখন অজস্র পথ। পূর্ব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ - সব দিক তার খোলা। ওসমান যেদিকেই পা বাড়ায় সেদিকেই পূর্ব বাঙলা।
==প্রেক্ষাপট==
[[ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান|১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের]] সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দুই বছর আগে বিপুল গণ-অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছিল। আখতারুজ্জামনের কাছে তা আগের যেকোনো আন্দোলনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।<ref>পৃষ্ঠা-৫-৬, ভূমিকা, প্রাগুক্ত</ref> উপন্যাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর মনোবিশ্লেষণ। ঊনসত্তর সালের প্রবল গণঅভ্যুত্থানের যারা প্রধান শক্তি ছিল, সেই শ্রমজীবী জনসাধারণ কীভাবে আন্দোলন-পরবর্তী সময়টিতে প্রতারিত এবং বঞ্চিত হলো, বামপন্থীদের দোদুল্যমানতা আর ভাঙনের ফলে, জাতীয় মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে যথাযথভাবে ধারণ করতে না পারার ফলে অজস্র রক্তপাতের পরও রাজনীতির ময়দান থেকে তাদের পশ্চাদপসরণ ঘটলো, আওয়ামী লীগ প্রধান শক্তি হয়ে উঠলো, উপন্যাসটির উপজীব্য সেই ঐতিহাসিক সময়টুকুই। ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এর অভিনব কাঠামো এবং নতুন ভাষাভঙ্গি পরবর্তী প্রজন্মের নতুন লেখকদের বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত প্রভাবান্বিত করে যার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ [[শহীদুল জহির|শহিদুল জহির]]।
 
==কাহিনীসংক্ষেপ==
আপাতদৃষ্টিতে ওসমান এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান গণি ওরফে রঞ্জু, যে একজন ছোটোখাটো সরকারি চাকুরে। অন্যদিক থেকে চিন্তা করলে এর প্রধান চরিত্র বলা যায় হাডডি খিজির, যে কিনা ওসমানের বাড়িওয়ালার ভাগনের গ্যারেজ দেখাশোনা করে। এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রা ও স্তরের চরিত্রই উপন্যাসটিকে টেনে নিয়ে গেছে ঊনসত্তরের উত্তাল সময়ের ভেতর দিয়ে। আরেকটি গুরুত্ববহ চরিত্র আনোয়ার, যে মূলত একজন বামপন্থী কর্মী। ঊনসত্তরের এই টালমাটাল বিক্ষুব্ধ সময়েই সে ঘটনাক্রমে যায় তার গ্রামের বাড়িতে, যেখানে সে জনৈক গ্রাম্য জোতদার খয়বার গাজীর শোষণ ও অত্যাচার এবং সেটিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট তীব্র জনরোষ প্রত্যক্ষ করে। উপন্যাসের কাহিনীকে পূর্ণতা দিতেই উঠে আসে দরিদ্র যুবক চেংটু কিংবা করমালি, যারা খয়বার গাজীর বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়াবার ধৃষ্টতা দেখায়। অন্যদিকে স্বাভাবিক নিয়মেই গতি পায় ওসমানের অবদমিত কামনা, রেস্তোরাঁর আড্ডায় চায়ের কাপে তুমুল ঝড়, হাডডি খিজির ও তার পারিপার্শ্বিক নিম্নবিত্ত চরিত্রগুলোর চিরাচরিত জীবনযাপন; আর এই সবকিছুকে ছাপিয়ে উপন্যাসটি হয়ে ওঠে ওই বিক্ষুব্ধ কালের এক মহাকাব্যিক আখ্যান।<ref name="ittef">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://archive1.ittefaq.com.bd/print-edition/ittefaq-shamoeki/2018/03/23/265765.html |শিরোনাম=চিলেকোঠার সেপাই ক্রমায়াত মুক্তিযুদ্ধের মহাকাব্য |তারিখ=2018-03-23 |কর্ম=ইত্তেফাক |সংগ্রহের-তারিখ=2019-02-23 }}{{অকার্যকর সংযোগ|তারিখ=নভেম্বর ২০২২ |bot=InternetArchiveBot |ঠিক করার প্রচেষ্টা=yes }}</ref>
 
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা|2|refs=
<ref name="সুব্রত">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শেষাংশ1=সুব্রত |প্রথমাংশ1=এস ডি |শিরোনাম=চিলেকোঠার সেপাই |ইউআরএল=https://www.dailyjanakantha.com/literature/news/674072 |সংগ্রহের-তারিখ=১৭ মার্চ ২০২৩ |প্রকাশক=[[দৈনিক জনকণ্ঠ]] |তারিখ=৫ জানুয়ারি ২০২৩ |আর্কাইভের-তারিখ=১৭ মার্চ ২০২৩ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20230317125309/https://www.dailyjanakantha.com/literature/news/674072 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}</ref>
 
<ref name="জীবনের অস্তিত্ব">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=আখতারুজ্জামান ইলিয়াস: সাহিত্যে জীবনের অস্তিত্ব |লেখক=রুহুল আমিন |ইউআরএল=http://www.risingbd.com/%E0%A6%86%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC/213333 |সংবাদপত্র=রাইজিংবিডি ডট কম |তারিখ=ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৭ |সংগ্রহের-তারিখ=ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৭ |আর্কাইভের-তারিখ=১৭ এপ্রিল ২০২১ |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20210417061600/https://www.risingbd.com/%E0%A6%86%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC/213333 |ইউআরএল-অবস্থা=কার্যকর }}</ref>
}}
{{বই উদ্ধৃতি |সম্পাদক-শেষাংশ=হক |সম্পাদক-প্রথমাংশ=আহমেদ মাহমুদুল |শিরোনাম=গল্পসমগ্র  |ইউআরএল={{গুগল বই|YCP7yAEACAAJ|গল্পসমগ্র|plainurl=yes}} |তারিখ=২০১৯ |অবস্থান=[[ঢাকা]] |প্রকাশক=[[মাওলা ব্রাদার্স]] |পাতা=৪৭৯ |আইএসবিএন=9789849333296 |ওসিএলসি=1114270077|সূত্র=harv}}


বইটি পড়ে আমরা ১৯৬৯ সালের রাজনৈতিক ও সামাজিক চিত্রের কিছু পরিচয় পাই।আমরা জানতে পারি পাকিস্তানিদের কাছ হতে কিভাবে ক্ষমতার পালাবদল হয়ে বাংলাদেশের জন্মের সূচনস হয়েছে কিন্তু এই অঞ্চলের ক্ষমতাহীন সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর লেখা চিলেকোঠার সেপাই বইটি ১৯৭১ সালের পুর্ব সময়কার অখ্যানভাগে রচতি। প্রচুর তথ্য বহুল বইটি পাঠকের মনে সেই সময়কার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বাস্তব চিত্র তুলে ধরবে।
== বহিঃসংযোগ ==
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://www.rokomari.com/book/80178/chilekothar-sepai রকমারি.কম প্রকাশকের ওয়েবসাইট]
* [https://www.rokomari.com/book/80178/chilekothar-sepai রকমারি.কম প্রকাশকের ওয়েবসাইট]
[[বিষয়শ্রেণী:আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বই]]
[[বিষয়শ্রেণী:আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বই]]