বিষয়বস্তুতে চলুন

মরুর পথে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
"{{তথ্যছক বই | বইয়ের নাম =মরুর পথে | চিত্র = | লেখক = মোঃ সিরাজুল ইসলাম এফসিএ | প্রকাশনার স্থান =বাংলাদেশ | ভাষা =বাংলা | বিষয় =কবিতার | প্রকাশনার তারিখ =..." দিয়ে পাতা তৈরি
 
Rony (আলোচনা | অবদান)
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
(২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ১০টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{তথ্যছক বই
{{তথ্যছক বই
| বইয়ের নাম      =মরুর পথে
| বইয়ের নাম      =মরুর পথে
| চিত্র                  =
|চিত্র                  =
| লেখক    = মোঃ সিরাজুল ইসলাম এফসিএ
|লেখক    = মোঃ সিরাজুল ইসলাম এফসিএ
| প্রকাশনার স্থান    =বাংলাদেশ
|প্রকাশনার স্থান    =বাংলাদেশ
| ভাষা  =[[বাংলা ভাষা|বাংলা]]   
|ভাষা  =[[বাংলা ভাষা|বাংলা]]   
| বিষয়      =[[কবিতার]]
|বিষয়      =[[কবিতার]]
| প্রকাশনার তারিখ  =২০২১
|প্রকাশনার তারিখ  =২০২১
|মিডিয়া ধরন=হার্ডকভার|পৃষ্ঠাসংখ্যা=১৯২}}
|মিডিয়া ধরন=হার্ডকভার|পৃষ্ঠাসংখ্যা=১৯২
''' মরুর পথে''' মোঃ সিরাজুল ইসলাম এফসিএ লেখা একটি কবিতার বই।
|আইএসবিএন =978-984-96681-3-8
}}
''' মরুর পথে''' একটি ইসলামিক ভাবধারায় লেখা ভ্রমণকাহিনী ও কবিতার সংকলন, যেখানে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবনের বিভিন্ন স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহের হৃদয়স্পর্শী বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। লেখক নবিজির (স) জন্ম থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোকে আবেগঘন ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। বইটির লিখেছেন [[মোঃ সিরাজুল ইসলাম এফসিএ]]
==পটভূমি==
==পটভূমি==
==সারাসংশ==
বইটির প্রথম বার ২০২১ সালে পার্ল পাবলিকেশন্স থেকে ১তম সংস্করণ প্রকাশ হয়। বইটির ২য় বার ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি শিখা প্রথম প্রকাশনী থেকে ১তম সংস্করণ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশক হলেন কাজী নাফিজুল ইসলাম। প্রচ্ছদ করেন মোস্তফা কারিগরি। বইটি অক্ষরবিন্যাস করেন  এমন আর এ কম্পিউটার্স। বইটি মুদ্রণ এমন আর প্রিন্টিং।
ইসলাম ও নবিজির (স) জীবনী নিয়ে বাংলা ও ইংরেজীতে লেখা কবিতা যা আপনাকে শিহরিত করবে। নবিজির (স) জীবনের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বহু ঘটনার বিবরণ যা আপনার ঈমানকে দৃঢ় করবে।


মরুর পথে বইটি লেখকের অনেক ধর্মীয় আবেগ, ভ্রমণের বাস্তব অভিজ্ঞতা, নবিজীর স্মৃতিবিজড়িত বহু জায়গার হৃদয়স্পর্শী বর্ননা নিয়ে লেখা। মরুর পথে ঘুরে ঘুরে তীব্র অনুভুতিতে সিক্ত হয়েছেন লেখক। রাসুলের(স) স্মৃতির স্পর্শ পেতে তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন রুক্ষ মরুর ধুসর প্রান্তে। তার ভাষায়
== সারাংশ ==
বইটিতে লেখকের ধর্মীয় অনুভূতি ও পবিত্র ভূমিতে ভ্রমণের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নবিজির (স) স্মৃতিময় স্থানসমূহের বর্ণনা রয়েছে। তায়েফের মরুভূমি, বনু সাদ গোত্রের পাহাড়ি অঞ্চল, নবিজির (স) শৈশবের পদচিহ্ন খুঁজে পাওয়ার অভিজ্ঞতা এবং তায়েফবাসীদের পাথর নিক্ষেপের স্থানসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানের উপর লেখকের অনুভূতির প্রকাশ পাওয়া যায়।


রাসুলের (স) স্মৃতির স্পর্শ পেতে
লেখক ঐতিহাসিক তায়েফ শহরের বর্তমান অবস্থা এবং অতীতের বেদনার স্মৃতিরূপ বর্ণনা করেছেন। শহরের আধুনিকতা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে গড়ে ওঠা বৈপরীত্য পাঠকের হৃদয়ে আবেগের সঞ্চার ঘটায়। ‘রক্তে ভেজা তায়েফ’ কবিতার মাধ্যমে নবিজির (স) জীবনের কঠিন মুহূর্তের স্মরণ এবং লেখকের মানসিক অভিজ্ঞতা কাব্যিক ভাষায় উপস্থাপিত হয়েছে।


বেলা অবেলায় ঘুরি মরুর পথে
বইটিতে লেখক লিখেছেন তায়েফের ঐতিহাসিক গাছ, পাহাড়, কুটির এবং রাসুলের (স) স্মৃতিতে উদ্ভূত অনুভূতির কথা, যা পাঠকের ঈমানকে দৃঢ় করার এক অন্তরঙ্গ প্রচেষ্টা।


== দেখুন ==
* [[মরুর পথে (বই)]]
* [[মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)]]
* [[তায়েফ]]


রাসুল(স)এর শৈশবের স্মৃতিঘেরা তায়েফের মরুপ্রান্তরে যে গাছের নিচে সিনাচাক হয়েছিল সেখানে দাঁড়িয়ে অনুভব করেছেন এখানের মাটিতে কচি কচি পদক্ষেপে হেটেছেন শিশু নবি মোর। বিশুদ্ধ আবেগে উদ্বেলিত হৃদয়ে গ্রীষ্মের প্রখর রোদে দুই পাহাড়ের পাদদেশে ঠান্ডা শীতল বাতাস জুড়িয়ে দিল শরীরের অণু পরমাণু। এক বিস্ময়কর অনুভুতিতে সিক্ত শরীর মন। মানস চক্ষে দেখতে পেলেন রাসুল(স) এখানে ঘুরে বেড়িয়েছেন শৈশবে। মরুর ধুলোয় রাসুলের (স) স্পর্শ আর সেই মাটিতে তিনি দাঁড়িয়ে ভাবলেন- কত গ্রীষ্ম শত বর্ষা কত মরুঝড়
== বহিঃসংযোগ ==
 
* [https://www.rokomari.com/book/208614/morur-pothe রকমারি ওয়েবসাইট]
উড়িয়ে নিয়েছে এখানের মাটি
* [https://www.wafilife.com/morur-pothe-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%85%E0%A6%AB-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F/pd/24905 www.wafilife.com]
 
হাজার বছর পরে তারি খোঁজে হায়
 
আমি সেই মরুপথে হাঁটি।


তায়েফে বনু সাদ গোত্রের রুক্ষ মরুপাহাড়ের উপর মা হালিমার সেই জীর্ণ কুটির নিয়ে তিনি লিখলেন। পাশের ঘরে শিশু মুহাম্মাদ (স) ঘুমাতেন। সেই জায়গায় জায়নামাজ বিছানো, মানুষেরা এখন নামাজ পড়ে।
সেখান থেকে ফিরে তায়েফ শহরের রাজপথে যেখানে নবিজীকে পাথর মেরে রক্তাক্ত করেছিলেন তায়েফবাসীরা সেখানে এসে অশ্রূবিগলিত হৃদয়ে লিখলেন রক্তে ভেজা তায়েফ কবিতাটি। তায়েফে এসে অশ্রু ঝরে,হৃদয়ের গভীর গোপন ব্যথা উথলে ওঠে। অসংবরণীয় কষ্ট নীরবে কাঁদে।
সেই তায়েফ আজ সুজলা সুফলা বিশাল অট্টালিকা সুরম্য প্রাসাদ মসজিদে ভরা।
ফলে ফুলে সজ্জিত পাহাড়ে সুদর্শন
ঐতিহাসিক শহরে মানুষ পাগলপারা।
মেঘেরা যে শহরের মানুষকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়
শীতের শিশির যেখানে পড়ে ঝরে।
হিমহিম শিহরণের হালকা মেঘ
যেথায় শরীর মন স্পর্শ করে।
রক্তে ভেজা তায়েফ নীরবে কাঁদায়, দেখতে পায় না কেউ।
স্মৃতির সাগরে উত্থিত হয় একরাশ বিষণœ বেদনার উন্মাতাল ঢেউ।
==সারাংশ==
উপন্যাস '''মা''' একটি আবেগপ্রবণ পারিবারিক কাহিনি যা একজন মায়ের জীবনসংগ্রাম, ত্যাগ, ভালোবাসা ও সন্তানের প্রতি অগাধ স্নেহ নিয়ে রচিত। এই গ্রন্থে প্রতিটি পাঠক তার নিজের জীবনের এক টুকরো প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবে। সন্তানের জন্মলগ্ন থেকে একজন মা নিরলসভাবে তার ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য সংগ্রাম করে চলেন—কখনো সফল হন, আবার কখনো দুঃখ-কষ্টের অন্ধকারে হারিয়ে যান।
সন্তানের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে ‘মা’ কখনো ছায়ার মতো পিছনে, আবার কখনো আলোর পথপ্রদর্শক হয়ে পাশে থাকেন। মা তার জাদুকরী ভালোবাসা দিয়ে সন্তানের হেরে যাওয়া জীবনেও ফেরান সজীবতা ও প্রেরণা। মা’র সাহচর্যে সন্তান আবার জীবনযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং একসময় স্বপ্নের জীবন গড়ে তোলে।
কিন্তু সময় একদিন সবকিছুকে থামিয়ে দেয়। বার্ধক্যে মা অসুস্থ হয়ে পড়েন, ধরা পড়ে দুরারোগ্য ব্যাধি। সন্তানের জীবন মুহূর্তেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। মা ছাড়া তার পৃথিবী কল্পনা করাও কষ্টকর হয়ে ওঠে।
একসময় মা পরপারে পাড়ি জমান এবং রেখে যান শুধুই স্মৃতি। গ্রামীণ পটভূমিতে যৌথ পরিবারের এক মধ্যবিত্ত মায়ের জীবনের হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ, ভালোবাসা ও অবহেলার বাস্তব ও হৃদয়ছোঁয়া চিত্র ফুটে উঠেছে এই উপন্যাসে।
== বহিঃসংযোগ ==
* [https://pbs.com.bd/book/2300955/ma লেখকের ওয়েবসাইট]
* [https://example.com প্রকাশকের ওয়েবসাইট]
== তথ্যসূত্র ==
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
{{সূত্র তালিকা}}
[[বিষয়শ্রেণী:সিরাজুল ইসলাম এফসিএ উপন্যাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:সিরাজুল ইসলাম এফসিএ উপন্যাস]]

১৯:১৯, ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

মরুর পথে
নাম মরুর পথে
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক মোঃ সিরাজুল ইসলাম এফসিএ


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশনার স্থান বাংলাদেশ
প্রকাশনার তারিখ ২০২১
আইএসবিএন 978-984-96681-3-8


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় কবিতার
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার
পৃষ্ঠাসংখ্যা ১৯২

মরুর পথে একটি ইসলামিক ভাবধারায় লেখা ভ্রমণকাহিনী ও কবিতার সংকলন, যেখানে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবনের বিভিন্ন স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহের হৃদয়স্পর্শী বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। লেখক নবিজির (স) জন্ম থেকে ইন্তেকাল পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোকে আবেগঘন ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। বইটির লিখেছেন মোঃ সিরাজুল ইসলাম এফসিএ

বইটির প্রথম বার ২০২১ সালে পার্ল পাবলিকেশন্স থেকে ১তম সংস্করণ প্রকাশ হয়। বইটির ২য় বার ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি শিখা প্রথম প্রকাশনী থেকে ১তম সংস্করণ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশক হলেন কাজী নাফিজুল ইসলাম। প্রচ্ছদ করেন মোস্তফা কারিগরি। বইটি অক্ষরবিন্যাস করেন এমন আর এ কম্পিউটার্স। বইটি মুদ্রণ এমন আর প্রিন্টিং।

বইটিতে লেখকের ধর্মীয় অনুভূতি ও পবিত্র ভূমিতে ভ্রমণের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নবিজির (স) স্মৃতিময় স্থানসমূহের বর্ণনা রয়েছে। তায়েফের মরুভূমি, বনু সাদ গোত্রের পাহাড়ি অঞ্চল, নবিজির (স) শৈশবের পদচিহ্ন খুঁজে পাওয়ার অভিজ্ঞতা এবং তায়েফবাসীদের পাথর নিক্ষেপের স্থানসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানের উপর লেখকের অনুভূতির প্রকাশ পাওয়া যায়।

লেখক ঐতিহাসিক তায়েফ শহরের বর্তমান অবস্থা এবং অতীতের বেদনার স্মৃতিরূপ বর্ণনা করেছেন। শহরের আধুনিকতা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে গড়ে ওঠা বৈপরীত্য পাঠকের হৃদয়ে আবেগের সঞ্চার ঘটায়। ‘রক্তে ভেজা তায়েফ’ কবিতার মাধ্যমে নবিজির (স) জীবনের কঠিন মুহূর্তের স্মরণ এবং লেখকের মানসিক অভিজ্ঞতা কাব্যিক ভাষায় উপস্থাপিত হয়েছে।

বইটিতে লেখক লিখেছেন তায়েফের ঐতিহাসিক গাছ, পাহাড়, কুটির এবং রাসুলের (স) স্মৃতিতে উদ্ভূত অনুভূতির কথা, যা পাঠকের ঈমানকে দৃঢ় করার এক অন্তরঙ্গ প্রচেষ্টা।