আমার ফাঁসি চাই: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
অবয়ব
"{{তথ্যছক বই | ইটালিক_শিরোনাম = <!--(see above)--> | নাম = আমার ফাঁসি চাই | চিত্র = আমার ফাঁসি চাই.jpg | চিত্রের_আকার = | সীমান্ত = | অল্ট = বইয়ের প্রচ্ছদ | ক্যাপশন = প্রথম সংস..." দিয়ে পাতা তৈরি |
খাত্তাব হাসান (আলোচনা | অবদান) অ ৩টি সংস্করণ আমদানি করা হয়েছে: পুরাতন উইকি থেকে আমদানি |
||
| (একজন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ৩১ নং লাইন: | ৩১ নং লাইন: | ||
| পরবর্তী_বই = অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী (২০০৩) | | পরবর্তী_বই = অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী (২০০৩) | ||
}} | }} | ||
'''আমার ফাঁসি চাই''' মতিয়ুর রহমান রেন্টু লেখা একটি বই। বইটি ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয়। | '''আমার ফাঁসি চাই''' মতিয়ুর রহমান রেন্টু লেখা একটি বই। বইটি ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয়। বইটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চরিত্রের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়। | ||
== পটভূমি == | == পটভূমি == | ||
১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ১২ বছর ধরে [[wp:bn:শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] ব্যক্তিগত উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত মতিয়ুর রহমান রেন্টু দলের নেতা ও হাসিনার পরিবারের সদস্যদের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ করায় হাসিনা তাকে ও তার পরিবারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। অবাঞ্ছিত ঘোষণার পর রেন্টু হাসিনার নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে বইটি লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। | ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ১২ বছর ধরে [[wp:bn:শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] ব্যক্তিগত উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত মতিয়ুর রহমান রেন্টু দলের নেতা ও হাসিনার পরিবারের সদস্যদের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ করায় হাসিনা তাকে ও তার পরিবারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। অবাঞ্ছিত ঘোষণার পর রেন্টু হাসিনার নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে বইটি লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। | ||
[[বিষয়শ্রেণী:মতিয়ুর রহমান রেন্টু বই]] | |||
১৬:৪২, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
আমার ফাঁসি চাই মতিয়ুর রহমান রেন্টু লেখা একটি বই। বইটি ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয়। বইটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চরিত্রের বিভিন্ন দিক বর্ণনা করা হয়।
পটভূমি
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ১২ বছর ধরে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত মতিয়ুর রহমান রেন্টু দলের নেতা ও হাসিনার পরিবারের সদস্যদের অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ করায় হাসিনা তাকে ও তার পরিবারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। অবাঞ্ছিত ঘোষণার পর রেন্টু হাসিনার নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে বইটি লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।