বিষয়বস্তুতে চলুন

লালসালু (উপন্যাস): সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
"{{তথ্যছক বই | নাম = লালসালু | চিত্র = লালসালু প্রচ্ছদ.jpg | অল্ট = বইয়ের প্রচ্ছদ | ক্যাপশন = প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ, ১৯৪৮ | লেখক = সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ | অনুবাদক = * উর্দু – কলিমুল্লাহ..." দিয়ে পাতা তৈরি
 
Encyclopedist (আলাপ)-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে খাত্তাব হাসান-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে
ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত পুনর্বহাল মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
(৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৮টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
২১ নং লাইন: ২১ নং লাইন:
| কংগ্রেস = PK1729.W33 L3 1962
| কংগ্রেস = PK1729.W33 L3 1962
}}
}}
'''লালসালু''' [[wp:bn:সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ|সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ]] রচিত প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। বইটি ধর্মকে ব্যবসার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে কিভাবে এক ব্যক্তি গ্রামীণ সমাজে প্রভাব বিস্তার করে—তা তুলে ধরেছে।
'''লালসালু''' [[সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ]] রচিত প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। বইটি ধর্মকে ব্যবসার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে কিভাবে এক ব্যক্তি গ্রামীণ সমাজে প্রভাব বিস্তার করে—তা তুলে ধরেছে।


== কাহিনী ==
== কাহিনী ==
৩৭ নং লাইন: ৩৭ নং লাইন:


== সমালোচনা ==
== সমালোচনা ==
কবি [[আহসান হাবীব]] উপন্যাসটিকে তৎকালীন "বাঙালি মুসলিম রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস" বলে আখ্যায়িত করেন।
[[wp:bn:আহসান হাবীব (কবি)|আহসান হাবীব]] উপন্যাসটিকে তৎকালীন "বাঙালি মুসলিম রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস" বলে আখ্যায়িত করেন।


== চলচ্চিত্র ==
== চলচ্চিত্র ==
২০০১ সালে [[তানভীর মোকাম্মেল]] পরিচালিত একটি চলচ্চিত্র ''লালসালু'' প্রকাশ পায়, যেখানে [[রাইসুল ইসলাম আসাদ]] মজিদের চরিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি [[জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে]] শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ আটটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে এবং দর্শক মহলেও ব্যাপক প্রশংসা পায়।
২০০১ সালে [[তানভীর মোকাম্মেল]] পরিচালিত একটি চলচ্চিত্র ''লালসালু'' প্রকাশ পায়, যেখানে [[রাইসুল ইসলাম আসাদ]] মজিদের চরিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি [[জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে]] শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ আটটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে এবং দর্শক মহলেও ব্যাপক প্রশংসা পায়।


== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
== তথ্যসূত্র ==
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
{{সূত্র তালিকা}}

১০:২৫, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

লালসালু
চিত্র:লালসালু প্রচ্ছদ.jpg
নাম লালসালু
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
অনুবাদক * উর্দু – কলিমুল্লাহ
  • ফরাসি – অ্যান-মারি-থিবো
  • ইংরেজি – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহসহ অনেকে


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক কমরেড পাবলিশার্স




বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় সমাজ, ধর্ম, পীরতন্ত্র
পৃষ্ঠাসংখ্যা ১১০

লালসালু সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত প্রথম উপন্যাস, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। বইটি ধর্মকে ব্যবসার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে কিভাবে এক ব্যক্তি গ্রামীণ সমাজে প্রভাব বিস্তার করে—তা তুলে ধরেছে।

উপন্যাসটির মূল চরিত্র মজিদ, এক ধুরন্ধর ধর্মব্যবসায়ী, যিনি এক অচেনা কবরকে পীরের মাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে গ্রামের ধর্মভীরু মানুষদের বিশ্বাস অর্জন করেন। ‘লালসালু’ কাপড় দিয়ে মাজার ঢেকে দেওয়ার মাধ্যমে কবরটিকে একটি পবিত্র স্থানরূপে প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখান থেকেই তার কর্তৃত্ব বিস্তার লাভ করে। ধীরে ধীরে তিনি সম্পদ ও ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন।

প্রকাশনা ইতিহাস

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

১৯৪৮ সালে ঢাকার কমরেড পাবলিশার্স প্রথম প্রকাশ করে লালসালু। এরপর ১৯৬০ সালে কথাবিতান এবং ১৯৬৩ সালে নওরোজ কিতাবিস্তান উপন্যাসটির পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশ করে। কলকাতার চিরায়ত প্রকাশন ১৯৮৯ সালে এবং পরবর্তী সময়ে বিশ্বসাহিত্য ভবন ও অ্যাডর্ন পাবলিকেশন উপন্যাসটির নতুন সংস্করণ প্রকাশ করে।

উপন্যাসটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

  • উর্দু অনুবাদ (Lal Shalu) – কলিমুল্লাহ, ১৯৬০
  • ফরাসি অনুবাদ (L'Arbre sans racines) – অ্যান-মারি-থিবো, ১৯৬০
  • ইংরেজি অনুবাদ (Tree Without Roots) – সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সহযোগিতায়, ১৯৬৭
  • এছাড়াও এটি জার্মান, চেক, আরবি, জাপানি ও ইন্দোনেশীয় ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।

আহসান হাবীব উপন্যাসটিকে তৎকালীন "বাঙালি মুসলিম রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস" বলে আখ্যায়িত করেন।

২০০১ সালে তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত একটি চলচ্চিত্র লালসালু প্রকাশ পায়, যেখানে রাইসুল ইসলাম আসাদ মজিদের চরিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ আটটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে এবং দর্শক মহলেও ব্যাপক প্রশংসা পায়।