বিষয়বস্তুতে চলুন

গীতাঞ্জলি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
৮টি সংস্করণ আমদানি করা হয়েছে: পুরাতন উইকি থেকে আমদানি
 
(কোনও পার্থক্য নেই)

১৬:৪২, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

গীতাঞ্জলি
চিত্র:Gitanjali Title Page.jpg
গীতাঞ্জলির প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ
নাম গীতাঞ্জলি
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ভারতীয় প্রকাশক (১৯১০), ম্যাকমিলান (লন্ডন, ১৯১২)




বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা (মূল) / ইংরেজি (অনুবাদ)
বিষয় ভক্তি, প্রকৃতি, মানবতা, আত্মা


গীতাঞ্জলি (সংস্কৃত: 'গান-অঞ্জলি' অর্থাৎ গানের উপহার) হল বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এই বইয়ে ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। কবিতাগুলি ব্রাহ্ম-ভাবাপন্ন মরমী ধরনের রচনা। এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি ছিল ভারত তথা এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার।

গীতাঞ্জলির কবিতাগুলোতে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি, মানবতাবোধ, প্রকৃতিপ্রীতি এবং আত্মিক মুক্তির কথা বলা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঈশ্বরের সাথে এক আত্মিক সংলাপের মাধ্যমে মানুষের অন্তর্লোকের যাত্রাকে তুলে ধরেছেন। কবিতাগুলো সহজ ভাষায় গভীর দার্শনিক ভাবনা প্রকাশ করে।

প্রকাশনা ইতিহাস

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

১৯০৮-০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১০ সালে কলকাতা থেকে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত। পরে কবি নিজেই কয়েকটি কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। ১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি ও সমসাময়িক আরো কিছু কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করে সং অফারিংস নামে প্রকাশিত হয়। ইংরেজি সংকলনটি ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয় এবং পশ্চিমা বিশ্বে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

নোবেল পুরস্কার

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "গীতাঞ্জলি"র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি বাংলা ভাষা ও ভারতীয় সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তোলে।

প্রভাব ও মূল্যায়ন

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

গীতাঞ্জলি বাংলা সাহিত্য ও বিশ্বসাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি। এর কবিতাগুলো আজও পাঠককে আত্মানুসন্ধানে উদ্বুদ্ধ করে। গীতাঞ্জলি ভারতীয় দর্শনের সর্বজনীন মূল্যবোধকে পশ্চিমা সাহিত্যে পৌঁছে দেয়।