গীতাঞ্জলি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
খাত্তাব হাসান (আলোচনা | অবদান) অ ৮টি সংস্করণ আমদানি করা হয়েছে: পুরাতন উইকি থেকে আমদানি |
||
| (একজন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৫টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
'''গীতাঞ্জলি''' বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এই বইয়ে ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। কবিতাগুলি ব্রাহ্ম-ভাবাপন্ন মরমী ধরনের রচনা। এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। ১৯০৮- | {{তথ্যছক বই | ||
| নাম = গীতাঞ্জলি | |||
| চিত্র = Gitanjali Title Page.jpg | |||
| চিত্রের_ক্যাপশন = গীতাঞ্জলির প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ | |||
| লেখক = [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] | |||
| দেশ = ভারত | |||
| ভাষা = বাংলা (মূল) / ইংরেজি (অনুবাদ) | |||
| ধরন = কাব্যগ্রন্থ | |||
| বিষয় = ভক্তি, প্রকৃতি, মানবতা, আত্মা | |||
| প্রকাশক = ভারতীয় প্রকাশক (১৯১০), ম্যাকমিলান (লন্ডন, ১৯১২) | |||
| প্রকাশিত_বছর = ১৯১০ (বাংলা), ১৯১২ (ইংরেজি) | |||
| পৃষ্ঠা = ১০৩ (বাংলা সংস্করণ) | |||
| আইএসবিএন = <!-- থাকলে যোগ করুন --> | |||
}} | |||
'''গীতাঞ্জলি''' (সংস্কৃত: 'গান-অঞ্জলি' অর্থাৎ গানের উপহার) হল বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এই বইয়ে ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। কবিতাগুলি ব্রাহ্ম-ভাবাপন্ন মরমী ধরনের রচনা। এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে [[নোবেল পুরস্কার|সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। এটি ছিল ভারত তথা এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার। | |||
== বিষয়বস্তু == | |||
গীতাঞ্জলির কবিতাগুলোতে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি, মানবতাবোধ, প্রকৃতিপ্রীতি এবং আত্মিক মুক্তির কথা বলা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঈশ্বরের সাথে এক আত্মিক সংলাপের মাধ্যমে মানুষের অন্তর্লোকের যাত্রাকে তুলে ধরেছেন। কবিতাগুলো সহজ ভাষায় গভীর দার্শনিক ভাবনা প্রকাশ করে। | |||
== প্রকাশনা ইতিহাস == | |||
১৯০৮-০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১০ সালে কলকাতা থেকে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত। পরে কবি নিজেই কয়েকটি কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। ১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি ও সমসাময়িক আরো কিছু কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করে [[গীতাঞ্জলি: সং অফারিংস|সং অফারিংস]] নামে প্রকাশিত হয়। ইংরেজি সংকলনটি ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয় এবং পশ্চিমা বিশ্বে ব্যাপক সাড়া ফেলে। | |||
== নোবেল পুরস্কার == | |||
১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "গীতাঞ্জলি"র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি বাংলা ভাষা ও ভারতীয় সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তোলে। | |||
== প্রভাব ও মূল্যায়ন == | |||
গীতাঞ্জলি বাংলা সাহিত্য ও বিশ্বসাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি। এর কবিতাগুলো আজও পাঠককে আত্মানুসন্ধানে উদ্বুদ্ধ করে। গীতাঞ্জলি ভারতীয় দর্শনের সর্বজনীন মূল্যবোধকে পশ্চিমা সাহিত্যে পৌঁছে দেয়। | |||
== আরও দেখুন == | |||
* [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] | |||
* [[নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা (সাহিত্য)]] | |||
* [[বাংলা সাহিত্য]] | |||
== বহিঃসংযোগ == | == বহিঃসংযোগ == | ||
* [https:// | * [https://www.gutenberg.org/ebooks/6526 গীতাঞ্জলি (ইংরেজি সংস্করণ) - গুটেনবার্গ প্রজেক্ট] | ||
== সূত্র == | |||
<references/> | |||
[[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ]] | [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ]] | ||
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা কাব্যগ্রন্থ]] | |||
[[বিষয়শ্রেণী:নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সাহিত্যকর্ম]] | |||
১৬:৪২, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
গীতাঞ্জলি (সংস্কৃত: 'গান-অঞ্জলি' অর্থাৎ গানের উপহার) হল বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এই বইয়ে ১৫৭টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। কবিতাগুলি ব্রাহ্ম-ভাবাপন্ন মরমী ধরনের রচনা। এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি ছিল ভারত তথা এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কার।
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]গীতাঞ্জলির কবিতাগুলোতে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি, মানবতাবোধ, প্রকৃতিপ্রীতি এবং আত্মিক মুক্তির কথা বলা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঈশ্বরের সাথে এক আত্মিক সংলাপের মাধ্যমে মানুষের অন্তর্লোকের যাত্রাকে তুলে ধরেছেন। কবিতাগুলো সহজ ভাষায় গভীর দার্শনিক ভাবনা প্রকাশ করে।
প্রকাশনা ইতিহাস
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]১৯০৮-০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১০ সালে কলকাতা থেকে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত। পরে কবি নিজেই কয়েকটি কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। ১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি ও সমসাময়িক আরো কিছু কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করে সং অফারিংস নামে প্রকাশিত হয়। ইংরেজি সংকলনটি ১৯১২ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয় এবং পশ্চিমা বিশ্বে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
নোবেল পুরস্কার
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "গীতাঞ্জলি"র জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এটি বাংলা ভাষা ও ভারতীয় সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তোলে।
প্রভাব ও মূল্যায়ন
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]গীতাঞ্জলি বাংলা সাহিত্য ও বিশ্বসাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি। এর কবিতাগুলো আজও পাঠককে আত্মানুসন্ধানে উদ্বুদ্ধ করে। গীতাঞ্জলি ভারতীয় দর্শনের সর্বজনীন মূল্যবোধকে পশ্চিমা সাহিত্যে পৌঁছে দেয়।