বিষয়বস্তুতে চলুন
🎉 বইপিডিয়ার ১ বছর পূর্তি! · আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন.

ফুলশয্যার রাত: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
Musunny.95 (আলোচনা | অবদান)
BoipediaBot: স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধ তৈরি
 
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
 
(একই ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ২টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
{{তথ্যছক বই
{{তথ্যছক বই
|বইয়ের নাম=ফুলশয্যার রাত
|বইয়ের নাম =ফুলশয্যার রাত
|লেখক=ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
|লেখক =ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়  
|ভাষা=বাংলা
|চিত্র =
|প্রকাশক=প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স
|প্রকাশনার স্থান = বাংলাদেশ
|পৃষ্ঠাসংখ্যা=128
|ভাষা = বাংলা
|আইএসবিএন=
|প্রকাশনার তারিখ = ২০২৩
|বিষয় =উপন্যাস
|প্রকাশক = ন্যাশনাল পাবলিকেশন
|মিডিয়া ধরন = হার্ডকভার
|পৃষ্ঠাসংখ্যা =১২৮
|আইএসবিএন =
}}
}}


'''ফুলশয্যার রাত''' লেখক ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়-এর লেখা একটি উল্লেখযোগ্য বই। বইটি প্রকাশ করেছে প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স। ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় একজন প্রতিভাবান লেখক এবং তার লেখা বইগুলো বাংলা সাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তার লেখা বই '''ফুলশয্যার রাত''' একটি মনোমুগ্ধকর উপন্যাস যা পাঠকদের মনকে কাঁদিয়ে তোলে।  
'''ফুলশয্যার রাত''' হলো লেখক [[ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়]] এর লেখা একটি চিরায়ত উপন্যাস বই। ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় একজন প্রতিভাবান লেখক এবং তার লেখা বইগুলো বাংলা সাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তার লেখা বই '''ফুলশয্যার রাত''' একটি মনোমুগ্ধকর উপন্যাস যা পাঠকদের মনকে কাঁদিয়ে তোলে।


==পটভূমি ও বিষয়বস্তু==
==পটভূমি ও বিষয়বস্তু==
'''ফুলশয্যার রাত''' উপন্যাসটির শিরোনাম থেকে মনে হতে পারে যে বইটিতে ফুলশয্যার বিবরণ রয়েছে, কিন্তু বিন্দুমাত্র কোথাও ফুলশয্যার কোনো বর্ণনা নেই। উপন্যাসটিতে লেখক গৌতম চরিত্রের বয়ানে তুলে ধরেছেন বিলেতী মালিকের কারখানায় বড় চাকুরে বাবার দাসত্ব প্রকাশের বিবরণ, রয়েছে দাদা অমিতাভের উদারমনের পাশাপাশি গরিব বন্ধুর বােনকে বিয়ে করার জন্য একরােখা জেদ। রয়েছে দেবীতুল্য বৌদি শুক্লা’র দেবরের প্রতি হৃদয় নিংড়ানাে ভালােবাসা। কারখানার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে দাদা-বৌদির নেতৃত্ব। আর রয়েছে ছােটবেলার খেলার সাথী পিটুলীকে বউ করে পাবার জন্য নানা বাধা-জটিলতা জয় করার কাহিনি। উপন্যাসটি সমাজের বিভিন্ন প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে এবং পাঠকদের মনকে ভাবিয়ে তোলে।  
বইটি প্রথম ২০২৩ সালে প্রকাশ হয়। বইটি প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করা হয়। উপন্যাসটির শিরোনাম থেকে মনে হতে পারে যে বইটিতে ফুলশয্যার বিবরণ রয়েছে, কিন্তু বিন্দুমাত্র কোথাও ফুলশয্যার কোনো বর্ণনা নেই। উপন্যাসটিতে লেখক গৌতম চরিত্রের বয়ানে তুলে ধরেছেন বিলেতী মালিকের কারখানায় বড় চাকুরে বাবার দাসত্ব প্রকাশের বিবরণ, রয়েছে দাদা অমিতাভের উদারমনের পাশাপাশি গরিব বন্ধুর বােনকে বিয়ে করার জন্য একরােখা জেদ। রয়েছে দেবীতুল্য বৌদি শুক্লা’র দেবরের প্রতি হৃদয় নিংড়ানাে ভালােবাসা। কারখানার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে দাদা-বৌদির নেতৃত্ব। আর রয়েছে ছােটবেলার খেলার সাথী পিটুলীকে বউ করে পাবার জন্য নানা বাধা-জটিলতা জয় করার কাহিনি। উপন্যাসটি সমাজের বিভিন্ন প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে এবং পাঠকদের মনকে ভাবিয়ে তোলে। উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র গৌতম, একজন বিলেতী মালিকের কারখানায় বড় চাকুরে বাবার ছেলে। তার বাবা কারখানার মালিকের কাছে দাসের মতো আচরণ করে, যা গৌতমকে খুব ব্যথিত করে। তিনি তার বাবার এই আচরণের প্রতিবাদ করেন এবং কারখানার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য লড়াই করেন। এছাড়াও, উপন্যাসটিতে দেবীতুল্য বৌদি শুক্লা’র দেবরের প্রতি হৃদয় নিংড়ানাে ভালােবাসা এবং ছােটবেলার খেলার সাথী পিটুলীকে বউ করে পাবার জন্য নানা বাধা-জটিলতা জয় করার কাহিনি রয়েছে।  
 
উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র গৌতম, একজন বিলেতী মালিকের কারখানায় বড় চাকুরে বাবার ছেলে। তার বাবা কারখানার মালিকের কাছে দাসের মতো আচরণ করে, যা গৌতমকে খুব ব্যথিত করে। তিনি তার বাবার এই আচরণের প্রতিবাদ করেন এবং কারখানার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য লড়াই করেন। এছাড়াও, উপন্যাসটিতে দেবীতুল্য বৌদি শুক্লা’র দেবরের প্রতি হৃদয় নিংড়ানাে ভালােবাসা এবং ছােটবেলার খেলার সাথী পিটুলীকে বউ করে পাবার জন্য নানা বাধা-জটিলতা জয় করার কাহিনি রয়েছে।  
 
উপন্যাসটি সমাজের বিভিন্ন সমস্যা যেমন দারিদ্র্য, অবিচার, প্রেম, বিশ্বাস ইত্যাদির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে। এটি পাঠকদের মনকে ভাবিয়ে তোলে এবং তাদেরকে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে।  
উপন্যাসটি সমাজের বিভিন্ন সমস্যা যেমন দারিদ্র্য, অবিচার, প্রেম, বিশ্বাস ইত্যাদির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে। এটি পাঠকদের মনকে ভাবিয়ে তোলে এবং তাদেরকে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে।  



০৮:৫৯, ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

ফুলশয্যার রাত
নাম ফুলশয্যার রাত
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক ন্যাশনাল পাবলিকেশন
প্রকাশনার স্থান বাংলাদেশ
প্রকাশনার তারিখ ২০২৩



বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় উপন্যাস
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার
পৃষ্ঠাসংখ্যা ১২৮

ফুলশয্যার রাত হলো লেখক ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় এর লেখা একটি চিরায়ত উপন্যাস বই। ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় একজন প্রতিভাবান লেখক এবং তার লেখা বইগুলো বাংলা সাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তার লেখা বই ফুলশয্যার রাত একটি মনোমুগ্ধকর উপন্যাস যা পাঠকদের মনকে কাঁদিয়ে তোলে।

পটভূমি ও বিষয়বস্তু

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

বইটি প্রথম ২০২৩ সালে প্রকাশ হয়। বইটি প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করা হয়। উপন্যাসটির শিরোনাম থেকে মনে হতে পারে যে বইটিতে ফুলশয্যার বিবরণ রয়েছে, কিন্তু বিন্দুমাত্র কোথাও ফুলশয্যার কোনো বর্ণনা নেই। উপন্যাসটিতে লেখক গৌতম চরিত্রের বয়ানে তুলে ধরেছেন বিলেতী মালিকের কারখানায় বড় চাকুরে বাবার দাসত্ব প্রকাশের বিবরণ, রয়েছে দাদা অমিতাভের উদারমনের পাশাপাশি গরিব বন্ধুর বােনকে বিয়ে করার জন্য একরােখা জেদ। রয়েছে দেবীতুল্য বৌদি শুক্লা’র দেবরের প্রতি হৃদয় নিংড়ানাে ভালােবাসা। কারখানার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে দাদা-বৌদির নেতৃত্ব। আর রয়েছে ছােটবেলার খেলার সাথী পিটুলীকে বউ করে পাবার জন্য নানা বাধা-জটিলতা জয় করার কাহিনি। উপন্যাসটি সমাজের বিভিন্ন প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে এবং পাঠকদের মনকে ভাবিয়ে তোলে। উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র গৌতম, একজন বিলেতী মালিকের কারখানায় বড় চাকুরে বাবার ছেলে। তার বাবা কারখানার মালিকের কাছে দাসের মতো আচরণ করে, যা গৌতমকে খুব ব্যথিত করে। তিনি তার বাবার এই আচরণের প্রতিবাদ করেন এবং কারখানার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য লড়াই করেন। এছাড়াও, উপন্যাসটিতে দেবীতুল্য বৌদি শুক্লা’র দেবরের প্রতি হৃদয় নিংড়ানাে ভালােবাসা এবং ছােটবেলার খেলার সাথী পিটুলীকে বউ করে পাবার জন্য নানা বাধা-জটিলতা জয় করার কাহিনি রয়েছে। উপন্যাসটি সমাজের বিভিন্ন সমস্যা যেমন দারিদ্র্য, অবিচার, প্রেম, বিশ্বাস ইত্যাদির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে। এটি পাঠকদের মনকে ভাবিয়ে তোলে এবং তাদেরকে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে।