জীবনের জলসাঘরে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
সম্পাদনা সারাংশ নেই ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা |
সম্পাদনা সারাংশ নেই |
||
| (৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৩টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না) | |||
| ৪ নং লাইন: | ৪ নং লাইন: | ||
| প্রকাশনার স্থান = কলকাতা, ভারত | | প্রকাশনার স্থান = কলকাতা, ভারত | ||
| ভাষা = বাংলা | | ভাষা = বাংলা | ||
| বিষয় = সঙ্গীত জীবন, স্মৃতিচারণ, ভারতীয় সঙ্গীত জগত | | বিষয় = সঙ্গীত জীবন, স্মৃতিচারণ, ভারতীয় সঙ্গীত জগত | ||
| প্রকাশক = [[আনন্দ পাবলিশার্স]] | | প্রকাশক = [[আনন্দ পাবলিশার্স]] | ||
| ২১ নং লাইন: | ২০ নং লাইন: | ||
*[[মান্না দে]] | *[[মান্না দে]] | ||
== বহিঃসংযোগ == | == বহিঃসংযোগ == | ||
[https://baatighar.com/shop/9788177564419-4194 | *[https://baatighar.com/shop/9788177564419-4194 বাতিঘর] | ||
*[https://boichitro.in/product/jibaner-jalsaghare-manna-de/ বইচিত্র] | |||
== সূত্র == | == সূত্র == | ||
{{সূত্র তালিকা}} | |||
[[বিষয়শ্রেণী:মান্না দে | [[বিষয়শ্রেণী:মান্না দে]] | ||
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ব্যক্তিত্বের আত্মজীবনী]] | [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ব্যক্তিত্বের আত্মজীবনী]] | ||
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ]] | [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ]] | ||
[[বিষয়শ্রেণী:মান্না দে-র বই]] | |||
[[বিষয়শ্রেণী:আনন্দ পাবলিশার্স]] | |||
১৫:৫২, ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
জীবনের জলসাঘরে হলো কিংবদন্তি ভারতীয় বাঙালি কণ্ঠশিল্পী মান্না দে রচিত একটি কালজয়ী আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ২০০৫ সালে আনন্দ পাবলিশার্স থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই বইটিতে শিল্পী তাঁর দীর্ঘ সঙ্গীত জীবনের চড়াই-উতরাই, শৈশব, শিক্ষা এবং সমকালীন সঙ্গীত জগতের অজানা নানা অধ্যায় সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন।
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]'জীবনের জলসাঘরে' কেবল একটি শিল্পীর জীবনকাহিনী নয়, বরং বিংশ শতাব্দীর ভারতীয় সঙ্গীতের একটি ঐতিহাসিক দলিল। বইটিতে মান্না দে তাঁর কাকা ও গুরু কৃষ্ণচন্দ্র দে-র কাছে সঙ্গীতের হাতেখড়ি, কলকাতায় কাটানো দিনগুলি এবং পরবর্তীতে মুম্বাইয়ের (তৎকালীন বোম্বে) চলচ্চিত্র জগতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরির সংগ্রামের কথা বর্ণনা করেছেন। এছাড়া এই গ্রন্থে শচীন দেববর্মণ, মোহাম্মদ রফি, কিশোর কুমার, লতা মঙ্গেশকর এবং রাজ কাপুরের মতো মহীরুহদের সাথে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের এক অন্তরঙ্গ চিত্র ফুটে উঠেছে। নিজের সীমাবদ্ধতা এবং সাফল্যের পেছনের কঠোর সাধনার কথাও তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন।
প্রকাশনা ইতিহাস
[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]বইটি প্রথমত কলকাতার জনপ্রিয় পত্রিকা 'আনন্দবাজার'-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পাঠকমহলে বিপুল সাড়া জাগানোর পর ২০০৫ সালে এটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে বইটি ইংরেজি ভাষায় 'Memories Come Alive: An Autobiography' নামে অনূদিত হয়েছে।