বিষয়বস্তুতে চলুন
🎉 বইপিডিয়ার ১ বছর পূর্তি! · আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন.

জীবনের জলসাঘরে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বইপিডিয়া থেকে
"{{তথ্যছক বই | নাম = জীবনের জলসাঘরে | লেখক = মান্না দে | প্রকাশনার স্থান = কলকাতা, ভারত | ভাষা = বাংলা | ধরন = আত্মজীবনী | বিষয় = সঙ্গীত জীবন, স্মৃতিচারণ, ভার..." দিয়ে পাতা তৈরি
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
(৩ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৫টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
৪ নং লাইন: ৪ নং লাইন:
| প্রকাশনার স্থান    = কলকাতা, ভারত
| প্রকাশনার স্থান    = কলকাতা, ভারত
| ভাষা              = বাংলা
| ভাষা              = বাংলা
| ধরন              = আত্মজীবনী
| বিষয়              = সঙ্গীত জীবন, স্মৃতিচারণ, ভারতীয় সঙ্গীত জগত
| বিষয়              = সঙ্গীত জীবন, স্মৃতিচারণ, ভারতীয় সঙ্গীত জগত
| প্রকাশক          = [[আনন্দ পাবলিশার্স]]
| প্রকাশক          = [[আনন্দ পাবলিশার্স]]
১৮ নং লাইন: ১৭ নং লাইন:
== প্রকাশনা ইতিহাস ==
== প্রকাশনা ইতিহাস ==
বইটি প্রথমত কলকাতার জনপ্রিয় পত্রিকা 'আনন্দবাজার'-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পাঠকমহলে বিপুল সাড়া জাগানোর পর ২০০৫ সালে এটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে বইটি ইংরেজি ভাষায় 'Memories Come Alive: An Autobiography' নামে অনূদিত হয়েছে।
বইটি প্রথমত কলকাতার জনপ্রিয় পত্রিকা 'আনন্দবাজার'-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পাঠকমহলে বিপুল সাড়া জাগানোর পর ২০০৫ সালে এটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে বইটি ইংরেজি ভাষায় 'Memories Come Alive: An Autobiography' নামে অনূদিত হয়েছে।
== উল্লেখযোগ্য দিক ==
সঙ্গীত সাধনা: শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে কীভাবে আধুনিক ও চলচ্চিত্রের গানের সাথে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে শিল্পীর দৃষ্টিভঙ্গি।
সমকালীন সঙ্গীত জগত: বোম্বে এবং কলকাতার সঙ্গীত জগতের তুলনামূলক চিত্র।
ব্যক্তিগত জীবন: তাঁর স্ত্রী সুলোচনা কুমারের সাথে দাম্পত্য জীবন এবং তাঁর সঙ্গীত জীবনে স্ত্রীর প্রভাব।
== প্রভাব ও মূল্যায়ন ==
বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতানুরাগীদের কাছে এই গ্রন্থটি একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। সরল ও অনাড়ম্বর লেখনশৈলীর কারণে এটি সাধারণ পাঠকের কাছে যেমন সমাদৃত হয়েছে, তেমনি সঙ্গীত গবেষকদের কাছেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বইটির জন্য তিনি বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা ও সম্মাননা পেয়েছেন।
== আরও দেখুন ==
== আরও দেখুন ==
*[[মান্না দে]]
*[[মান্না দে]]
== বহিঃসংযোগ ==
== বহিঃসংযোগ ==
[https://baatighar.com/shop/9788177564419-4194 জীবনের জলসাঘরে - বাতিঘর]
*[https://baatighar.com/shop/9788177564419-4194 বাতিঘর]
*[https://boichitro.in/product/jibaner-jalsaghare-manna-de/ বইচিত্র]
 
== সূত্র ==
== সূত্র ==
<references/>
{{সূত্র তালিকা}}
[[বিষয়শ্রেণী:মান্না দে-র বই]]
[[বিষয়শ্রেণী:মান্না দে]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ব্যক্তিত্বের আত্মজীবনী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ব্যক্তিত্বের আত্মজীবনী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ]]
[[বিষয়শ্রেণী:মান্না দে-র বই]]
[[বিষয়শ্রেণী:আনন্দ পাবলিশার্স]]

১৫:৫২, ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

জীবনের জলসাঘরে
নাম জীবনের জলসাঘরে
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
লেখক মান্না দে


প্রকাশনা তথ্য
প্রকাশক আনন্দ পাবলিশার্স
প্রকাশনার স্থান কলকাতা, ভারত
প্রকাশনার তারিখ ২০০৫
আইএসবিএন 9788177564419


বিস্তারিত বিবরণ
ভাষা বাংলা
বিষয় সঙ্গীত জীবন, স্মৃতিচারণ, ভারতীয় সঙ্গীত জগত
মিডিয়া ধরন হার্ডকভার ও পেপারব্যাক
পৃষ্ঠাসংখ্যা ৩৬৯

জীবনের জলসাঘরে হলো কিংবদন্তি ভারতীয় বাঙালি কণ্ঠশিল্পী মান্না দে রচিত একটি কালজয়ী আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। ২০০৫ সালে আনন্দ পাবলিশার্স থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই বইটিতে শিল্পী তাঁর দীর্ঘ সঙ্গীত জীবনের চড়াই-উতরাই, শৈশব, শিক্ষা এবং সমকালীন সঙ্গীত জগতের অজানা নানা অধ্যায় সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন।

'জীবনের জলসাঘরে' কেবল একটি শিল্পীর জীবনকাহিনী নয়, বরং বিংশ শতাব্দীর ভারতীয় সঙ্গীতের একটি ঐতিহাসিক দলিল। বইটিতে মান্না দে তাঁর কাকা ও গুরু কৃষ্ণচন্দ্র দে-র কাছে সঙ্গীতের হাতেখড়ি, কলকাতায় কাটানো দিনগুলি এবং পরবর্তীতে মুম্বাইয়ের (তৎকালীন বোম্বে) চলচ্চিত্র জগতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরির সংগ্রামের কথা বর্ণনা করেছেন। এছাড়া এই গ্রন্থে শচীন দেববর্মণ, মোহাম্মদ রফি, কিশোর কুমার, লতা মঙ্গেশকর এবং রাজ কাপুরের মতো মহীরুহদের সাথে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের এক অন্তরঙ্গ চিত্র ফুটে উঠেছে। নিজের সীমাবদ্ধতা এবং সাফল্যের পেছনের কঠোর সাধনার কথাও তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন।

প্রকাশনা ইতিহাস

[সম্পাদনা | উৎস সম্পাদনা]

বইটি প্রথমত কলকাতার জনপ্রিয় পত্রিকা 'আনন্দবাজার'-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। পাঠকমহলে বিপুল সাড়া জাগানোর পর ২০০৫ সালে এটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে বইটি ইংরেজি ভাষায় 'Memories Come Alive: An Autobiography' নামে অনূদিত হয়েছে।